হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, ‘রজবুল হারাম মাস মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ মাস। যে ব্যক্তি রজব মাসকে সম্মান করবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত হবে।’ সুবহানাল্লাহ!

হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, ‘রজবুল হারাম মাস মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ মাস। যে ব্যক্তি রজব মাসকে সম্মান করবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত হবে।’ সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র রজবুল হারাম মাসেই রয়েছে রজবের পহেলা রাত্র, লাইলাতুর রগায়িব, শবে মি’রাজসহ অনেক বরকত-নিয়ামতপূর্ণ দিন ও রাত্র। যে দিন ও রাত্রগুলোতে নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুল হয়ে থাকে। সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু চাঁদ দেখে সঠিক তারিখে পবিত্র রজবুল হারাম মাস শুরু না হলে বিশ্বের মুসলমানগণ এই বরকত ও নিয়ামত থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
তাই সউদী আরবসহ বিশ্বের সমস্ত মুসলিম দেশের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, চাঁদ দেখে সঠিক তারিখে পবিত্র রজবুল হারাম মাস শুরু করা।
কারণ খালি চোখে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা শরীয়তের নির্দেশ।
বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর নির্ভর করে আরবী মাস শুরু করা শরীয়তসম্মত নয়।
চাঁদ দেখার অনেক শর্ত অনুকূলে থাকলেও অনেক সময় চাঁদ দৃশ্যমান নাও হতে পারে।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর নির্ভর করে আরবী মাস শুরু করা শরীয়তসম্মত নয়। চাঁদ দেখার অনেক শর্ত অনুকূলে থাকলেও অনেক সময় চাঁদ দৃশ্যমান নাও হতে পারে। খালি চোখে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা শরীয়তের নির্দেশ।”
পবিত্র জুমাদাল উখরা মাসের চাঁদ বাংলাদেশে দেখা যাওয়ার সমূহসম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও তা দেখা না যাওয়ার কারণে এ বিষয়ে নছীহতকালে এবং চাঁদ দেখে রজবুল হারাম মাস শুরু করার গুরুত্ব বর্ণনাকালে তিনি উপরোক্ত ক্বওল শরীফ উল্লেখ করেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হাদীছ শরীফ-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “সৃষ্টির শুরু থেকে চারটি মাস হারাম বা সম্মানিত। যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহররম এবং আলাদাভাবে রজব মাস।”
হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, “পাঁচ রাত্রিতে নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুল হয়- রজব মাসের পহেলা রাত্রে, শবে বরাতে, শবে ক্বদরে এবং দু’ঈদের দুই রাত্রে।”

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “এছাড়াও পবিত্র রজবুল হারাম মাসে রয়েছে আরো একটি বিশেষ রাত্র ও দিন। এ মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত্রিকে বলা হয় লাইলাতুর রগায়িব। যে মহান রাত্রিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র রেহেম শরীফ-এ কুদরতীভাবে তাশরীফ নেন। এই বিশেষ রাত্রিগুলো দোয়া কবুলের রাত্রি, রহমত, বরকত, সাকীনা হাছিলের রাত্রি। সুতরাং পবিত্র রজবুল হারাম মাসের এই সম্মানিত রাতগুলোতে ইবাদত-বন্দেগী ও দোয়া করে নিয়ামত হাছিল করার পূর্বশর্ত হচ্ছে, চাঁদ দেখে সঠিক তারিখে আরবী মাস শুরু করা। তাই সউদী আরবসহ বিশ্বের সমস্ত মুসলিম দেশের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, চাঁদ দেখে সঠিক তারিখে পবিত্র রজবুল হারাম মাস শুরু করা। কারণ চাঁদ দেখে প্রতিটি মাস শুরু করা শরীয়তের নির্দেশ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাকাশ বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী জুমাদাল উখরা মাসের চাঁদ বাংলাদেশে দেখা যাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিলো। অথচ আকাশ পরিষ্কার থাকার পরেও চাঁদ দৃশ্যমান হয়নি। সে কারণেই শরীয়তের স্পষ্ট নির্দেশ হচ্ছে, প্রতি মাসেই চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে ক্বিফায়া এবং চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা। শরীয়তের নির্দেশ অমান্য করে মনগড়া নিয়মে আরবী মাস শুরু করা হারাম ও কুফরী।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, চাঁদ দেখার অনেকগুলো শর্ত পূর্বে নির্ণয় করা গেলেও কয়েকটি শর্ত চাঁদ তালাশের দিনের উপর নির্ভরশীল। যেমন চাঁদের বয়স, দিগন্তের উপর উচ্চতা, কৌণিক দূরুত্ব, চন্দ্রাস্ত, সূর্যাস্তের সময়ের পার্থক্য পূর্বে নির্ণয় করা গেলেও, সেদিনের বাতাসের আর্দ্রতা, বাতাসে ধুলাবালির পরিমাণ, আকাশের অবস্থা নির্ণয় করা কঠিন। অথচ চাঁদ দেখা যাওয়ার ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলোও যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যেমন পূর্বে যখন রাস্তাঘাটে বিদ্যুতের বাতি ছিলো না, দুষিত বায়ু নির্গমন ছিলো না, তখন দিগন্ত রেখার ৮ ডিগ্রি উপরে চাঁদ থাকলেও তা দৃশ্যমান হতো। অথচ বর্তমানে চাঁদ ১০ ডিগ্রি উপরে থাকলেও অনেক সময় দৃষ্টিগোচর হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শরীয়তের নিয়মসমূহ ক্বিয়ামত পর্যন্ত আমলযোগ্য; তা যুগের কারণে বা বিজ্ঞানের পদ্ধতি আবিষ্কারের কারণে কখনো পরিবর্তন হবে না। বরং বিজ্ঞানকে শরীয়তের আলোকে বা শরীয়তের মানদণ্ডে ব্যাখ্যা করতে হবে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ২২শে মে ইয়াওমুছ ছুলাছায়ি বা মঙ্গলবারের পূর্বে সউদী আরবসহ এর পশ্চিমের কোনো দেশে পবিত্র রজবুল হারাম মাসের চাঁদ দেখা যাবে না। বাংলাদেশে পবিত্র রজবুল হারাম মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে ২৯শে জুমাদাল উখরা, ২৩শে ছানী আ’শার-১৩৭৯ শামসী, ২২শে মে-২০১২ ঈ., ইয়াওমুছ ছুলাছায়ি বা মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। সেদিন ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৬টা ৩৭ মিনিটে। এবং চন্দ্রাস্ত হবে ৭টা ৫০ মিনিটে। অর্থাৎ সূর্যাস্ত ও চন্দ্রাস্তের সময়ের পার্থক্য হবে ১ ঘণ্টা ১২ মিনিট। সেদিন চাঁদের বয়স হবে ৩৬ ঘণ্টারও বেশি। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার প্রায় ১৫ ডিগ্রি উপরে অবস্থান করবে। চাঁদের কৌণিক দূরত্ব হবে ১৬ ডিগ্রি ৪৭ মিনিট। সূর্য থাকবে ২৯২ ডিগ্রি আজিমাতে এবং চাঁদ খুঁজতে হবে ২৮৭ ডিগ্রি আজিমাতে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে সেদিন চাঁদ দেখা যাওয়র যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

সারা বৎসর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত ছানা-ছিফত বর্ণনা করা ও উনাদের প্রতি মুহব্বত প্রকাশ করা।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, শান-শওকত সম্পর্কে অবগত হও। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা হলেন- হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী।’
তাই সকল মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে-
সারা বৎসর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত ছানা-ছিফত বর্ণনা করা ও উনাদের প্রতি মুহব্বত প্রকাশ করা।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সারা বৎসরই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণনা করা ও উনাদের মুহব্বত প্রকাশ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আল্লাহ পাক উনার রসূল এবং উনার খাদিম বা ছাহাবী উনারা কাফিরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল। আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি উনাদেরকে রুকূ ও সিজদাবনত দেখবেন। উনাদের মুখম-লে রয়েছে সিজদার চিহ্ন। উনাদের এরূপ অবস্থা তাওরাত শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে। আর ইঞ্জীল শরীফ-এ উনাদের অবস্থা এরূপ বর্ণিত রয়েছে, যেমন একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় ডাল-পালা। অতঃপর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং দৃঢ়ভাবে কা-ের উপর দাঁড়ায়, কৃষককে আনন্দে অভিভূত করে। অর্থাৎ ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের সংখ্যা চারা গাছের অনুরূপ বৃদ্ধি পেতে থাকবে। যেমন উনারা শুরুতে অল্প সংখ্যক হবেন, এরপর উনাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং শক্তি অর্জিত হবে, যাতে উনাদের দ্বারা কাফিরদের অন্তর্জ্বালা বা হিংসার সৃষ্টি হয়। যারা ঈমান আনয়ন করে এবং নেক আমল করে আল্লাহ পাক তিনি উনাদেরকে ক্ষমা ও মহা পুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন। অর্থাৎ সমস্ত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদেরকে ক্ষমা ও মহা পুরস্কারের ওয়াদা দেয়া হয়েছে।” (সূরা ফাতহ-২৯)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ আয়াত শরীফ-এ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের গুণাবলী, শ্রেষ্ঠত্ব ও বিশেষ লক্ষণাদি বর্ণনা করা হয়েছে। যদিও নুযূল খাছ তবে হুকুম হচ্ছে আম অর্থাৎ এতে সকল ছাহাবায়ে কিরাম উনারাই দাখিল রয়েছেন। অর্থাৎ সমস্ত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ছিলেন পরস্পর পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল আর কাফিরদের প্রতি কঠোর। আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যেই আক্বাইদ, ইবাদত, মুয়ামিলাত, মুয়াশারাত, তাছাউফ ইত্যাদি সবই করেছেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ হযরত ছাহাবা আজমাঈন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণ ও অনুকরণ এবং ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। “যে ব্যক্তি শরীয়তের সঠিক তরীক্বা অনুসরণ করতে চায়, তার উচিত যাঁরা অতীত হয়েছেন, উনাদেরকে অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রিয় ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণ করা। উনারা উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম। আত্মার দিক দিয়ে উনারা অধিক পবিত্র। ইলমের দিক দিয়ে গভীর। উনারা লোক দেখানো আমল করা হতে মুক্ত। আল্লাহ পাক তিনি উনাদেরকে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্যে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথী হিসেবে মনোনীত করেছেন। সুতরাং, উনাদের মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, শান-শওকত সম্পর্কে অবগত হও এবং উনাদের কথা ও কাজের অনুসরণ কর এবং যথাসম্ভব উনাদের সিরত-ছূরত তথা মুবারক জীবনাদর্শকে গ্রহণ কর, কারণ উনারা হিদায়েত ও ‘ছিরাতুল মুস্তাক্বীম’-এর উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” (মিশকাত শরীফ পৃষ্ঠা ৩২)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি আল্লাহ পাক তিনি সন্তুষ্ট এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও সন্তুষ্ট, উনাদেরকে আল্লাহ পাক তিনি জান্নাতী বলে কুরআন শরীফ-এ ঘোষণা করেছেন, উনাদের পথ ও মত অনুসরণকারীরাও নাজাতপ্রাপ্ত, উনাদেরকে আল্লাহ পাক তিনি অগাধ জ্ঞানের অধিকারী করেছেন, উনাদের যুগকে সর্বোত্তম যুগ হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, উনাদের অকল্পনীয় ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে পরবর্তী উম্মত সহজেই পরিপূর্ণ দ্বীন ইসলাম পেয়েছে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সেই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে অনেকেই বেখবর। অনেকেই আবার উনাদের সমালোচনায় মুখর। নাঊযুবিল্লাহ! উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে, উনাদেরকে সত্যের মাপকাঠি মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। নাঊযুবিল্লাহ! উপরন্তু উনাদেরকে নাক্বিছ ও অপূর্ণ বলে আত্মতৃপ্তি লাভ করতে চায় এরা সকলেই লা’নতগ্রস্ত বা মালউন। (নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক) কারণ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি মুহব্বত রাখা, উনাদের প্রতি সুধারণা পোষণ করা হচ্ছে ঈমানের অঙ্গ। উনাদের ইত্তিবা বা অনুসরণ করা ফরয-ওয়াজিব। আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা, উনাদেরকে কষ্ট দেয়া, সমালোচনা করা, নাক্বিছ বা অপূর্ণ বলা কাট্টা কুফরী। এটাই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা বা বিশ্বাস। এর বিপরীত আক্বীদা পোষণ করা কুফরী ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “একমাত্র কাফিররাই উনাদের (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের) প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে।” (সূরা ফাতহ-২৯)

মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হাদীছ শরীফ-এর উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, ‘যে ব্যক্তি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, সে কাফির।’ (নাসীমুর রিয়াদ্ব)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা হলেন- হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী। প্রতি মাসই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণনা ও উনাদেরকে মুহব্বত করার মাস। তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- প্রতি মাসে উনাদের বেশি বেশি ছানা-ছিফত করা ও মুহব্বত প্রকাশ করা।


তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

আজ সুমহান ঐতিহাসিক ২০শে জুমাদাল উখরা-সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবিহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ-এর দিন।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহিলাগণ উনাদের সাইয়্যিদাহ।’ সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে মাসব্যাপী উনার আলোচনা অর্থাৎ ওয়াজ শরীফ, মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা।যাতে মুসলমান উনার সম্পর্কে জেনে উনাকে মুহব্বত, তা’যীম, তাকরীম ও অনুসরণ-অনুকরণ করে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী রেযামন্দি ও সন্তুষ্টি হাছিল করে ইহকাল ও পরকালে কামিয়াবী হাছিল করতে পারে।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব এবং কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিল সমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার জিবনী মুবারক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার বিলাদত শরীফ দিবসে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি বিশ্বের সকল মহিলাগণ উনাদের সাইয়্যিদাহ, রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম ও হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের সম্মানিতা মাতা, রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অত্যন্ত স্নেহময়ী কন্যা এবং উনার সর্বপ্রথম আহলিয়া উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার চার কন্যার একজন। মূলত তিনি আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতমা। তাই সকল মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- উনাকে মুহব্বত করা, উনার জীবনী মুবারক জানা, উনাকে প্রতি ক্ষেত্রে অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি আহলে বাইত শরীফ সম্পর্কে ইরশাদ করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাইনা। তবে আমার নিকটজন তথা আহলে বাইতগণ উনাদের প্রতি তোমরা সদাচরণ করবে।” (সূরা শূরা : আয়াত শরীফ ২৩) আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে যে নিয়ামত দান করেন তার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো। আর আমাকে মুহব্বত করো মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভ করার জন্য। আর আমার আহলে বাইত উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য।”
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবিহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাসসালাম উনার সুমহান ও পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবসের গুরুত্ব ও মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ আছে “হযরত মিসওয়ার ইবনে মাখরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত, রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমার (দেহ মুবারকেরই) একটি টুকরা মুবারক। যে উনাকে রাগান্বিত করবে, সে আমাকেই রাগান্বিত করলো।” (বুখারী, মুসলিম)
অন্য হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহিলাগণ উনাদের সাইয়্যিদাহ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা উনাকে বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত ও শান-মান হাদিয়া করেছেন। উনার ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা ও বুযূর্গী সম্পর্কিত ইলম না থাকার কারণেই অনেকে উনাকে যথাযথ মুহব্বত ও অনুসরণ করতে পারছে না। যার ফলে তারা মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই উনার সম্পর্কে জানা সকলের জন্যই ফরয। কেননা যে বিষয়টা আমল করা ফরয সে বিষয়ে ইলম অর্জন করাও ফরয। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের মাদরাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে উনার সম্পর্কে কোন আলোচনাই নেই। তাহলে মুসলমানগণ কি করে হাক্বীক্বী মুসলমান হবে? প্রকৃতপক্ষে মুসলমানগণের প্রত্যেকের উচিত ছিলো মুসলিম ঐতিহ্য ও ইসলামী ফযীলতযুক্ত দিনসমূহ সম্পর্কে জানা বা জ্ঞান অর্জন করা। তাই সরকারের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য অর্থাৎ ফরয হচ্ছে- শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে বা পাঠ্যপুস্তকে উনার জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা। আর মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং বিলাদত শরীফ-এর দিবসে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, পহেলা মে, বুদ্ধ পূর্ণিমা, দুর্গাপূজাসহ অন্যান্য দিনে মুসলিম বিশ্বে ছুটি দেয়া হয়; যার সাথে মুসলিম ঐতিহ্যের কোন সম্পর্ক নেই এবং যা মুসলমানদের কোন প্রয়োজনও নেই। শুধু তাই নয়, বরং বিধর্মীদের বিশেষ দিনগুলি মুসলমানগণের জন্য পালন করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়েয ও হারাম এবং ঈমান নষ্ট হওয়ারও কারণ। অথচ মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ ও ফযীলতপূর্ণ দিনগুলোতে কোনো ছুটি নেই। প্রকৃতপক্ষে উচিত ছিল মুসলিম ঐতিহ্য ও ইসলামী ফযীলতযুক্ত দিন যেমন, উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিননাস সালাম, আহলে বাইত শরীফ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বিলাদত ও বিছাল শরীফ দিবস সমূহে ছুটি দেয়া। উল্লেখ্য, এসব দিনের মর্যাদা-মর্তবা অনুধাবনের জন্যই দৈনিক আল ইহসান বন্ধ রাখা হয় এবং আজও বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে উনারই ফাযায়িল-ফযীলত ও ছানা-ছিফত প্রকাশের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দৈনিক আল ইহসান প্রকাশিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন অতি শীঘ্রই সবাই একই আদর্শ অনুসরণে এগিয়ে আসবেন ইনশাল্লাহ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মূলকথা হলো- আজ সুমহান ঐতিহাসিক ২০শে জুমাদাল উখরা সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবিহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ-এর দিন। সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে মাসব্যাপি উনার আলোচনা অর্থাৎ ওয়াজ শরীফ, মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা। যাতে মুসলমান উনার সম্পর্কে জেনে উনাকে মুহব্বত, তা’যীম, তাকরীম ও অনুসরণ-অনুকরণ করে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী রেযামন্দি ও সন্তুষ্টি হাছিল করে ইহকাল ও পরকালে কামিয়াবী হাছিল করতে পারে।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব এবং কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিল সমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার জিবনী মুবারক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার বিলাদত শরীফ দিবসে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা।
Read more ...

কুরআন শরীফ-এ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি একাধিক স্থানে আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার ছানা-ছিফত করেছেন। উনার প্রশংসায় অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী হচ্ছেন- হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি পবিত্র জুমাদাল উখরা মাসের ২২ তারিখে বিছাল শরীফ লাভ করেন।

তাই সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, উনাকে যথাযথ মুহব্বত ও পরিপূর্ণ অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা।
আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের পাঠ্যপুস্তকে উনার জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা।
পাশাপাশি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উপলক্ষে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং ২২শে জুমাদাল উখরা তারিখে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার বুযূর্গীও ফযীলত বর্ণনার অপেক্ষা রাখে না। কুরআন শরীফ-এ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি একাধিক স্থানে উনার ছানা-ছিফত করেছেন। উনার প্রশংসায় অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী তিনিই ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম এবং এই “ছিদ্দীক্বে আকবর” লক্বব মুবারক উনার একক বৈশিষ্ট্য। উনার মর্যাদা স্বল্প পরিসরে উল্লেখ করা সম্ভব নয়। এমন কোনো ভাষা নেই, যে ভাষায় উনার জীবনীগ্রন্থ রচিত হয়নি। তিনি ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন, প্রথম কুরআন শরীফ সংগ্রহকারী অর্থাৎ জামিউল কুরআন এবং নাম দিলেন মুছহাফ এবং উনাকেই প্রথম ‘খলীফাতু রসূলিল্লাহ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি ইসলাম জগতে এক নজিরবিহীন বিরল ব্যক্তিত্ব। নুবুওওয়াতের পর উনার ইমামত ও খিলাফত সকলেই বিনা দ্বিধায় মেনে নেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাওর গুহার সঙ্গী হওয়ার বিষয়টি মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাকে উল্লেখ করেছেন। এর ফযীলত বর্ণনা প্রসঙ্গে স্বয়ং হযরত উমর ফারূক্ব আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমার সারা জীবনের আমল যদি হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার সেই তিন রাত্রির আমলের সমান হতো! সেই তিন রাত্রি হলো, যেই তিন রাত্রিতে তিনি (হিজরতের সফরে) নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে খিদমতে ছিলেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ-এর পূর্বে উনার অসুস্থ অবস্থায় হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি ১৭ ওয়াক্ত নামাযে ইমামতি করেছিলেন। আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ-এর পর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সকলেই হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব¡ আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মেনে নেন। অর্থাৎ তিনি সমগ্র মুসলিম জাহানের খলীফা মনোনীত হন এবং যোগ্যতা ও সুনামের সাথে সর্বমোট দু’বছর তিন মাস দশ দিন খিলাফত পরিচালনা করেন। এই অল্প সময়ের মধ্যে সকল প্রকার বিদ্রোহ ও ষড়যন্ত্র সাফল্যের সাথে দমন করে তিনি সমগ্র মুসলিম জাহানে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। অর্থাৎ তিনি বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত ও মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত উনার ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা ও বুযূর্গী সম্পর্কিত ইলম না থাকার কারণেই অনেকে উনাকে যথাযথ মুহব্বত ও অনুসরণ করতে পারছে না। যার ফলে তারা মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই উনার সম্পর্কে জানা সকলের জন্যই ফরয। কেননা যে বিষয়টা আমল করা ফরয সে বিষয়ে ইলম অর্জন করাও ফরয। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো- ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের মাদরাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে উনার সম্পর্কে কোনো আলোচনাই নেই। তাহলে মুসলমানগণ কি করে হাক্বীক্বী মুসলমান হবে? তাই সরকারের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাস বা পাঠ্যপুস্তকে উনার বরকতময় জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী, খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ-এর দিন হচ্ছে ‘২২শে জুমাদাল উখরা’। (অর্থাৎ এ বছরের জন্য ২২শে জুমাদাল উখরা হচ্ছে- ১৫ মে, ইয়াওমুছ ছুলাছায়ি বা মঙ্গলবার)। তাই প্রত্যেক মুসলিম-অমুসলিম সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, এ মুবারক দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা পাশাপাশি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উপলক্ষে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পহেলা মে, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, খ্রিস্টানদের কথিত বড় দিন, দুর্গাপূজাসহ অন্যান্য দিনে মুসলিম বিশ্ব¦ ছুটি দেয়া হয়; যার সাথে মুসলিম ঐতিহ্যের কোনো সম্পর্ক নেই এবং যা মুসলমানদের প্রয়োজনও নেই। অথচ মুসলমান হিসেবে প্রত্যেকেরই উচিত ছিল- পহেলা রজবের রাত, শবে বরাত, শবে ক্বদর এবং দু’ঈদের দু’রাতের সাথে সাথে ইসলামের বিশেষ বিশেষ দিন ও রাতগুলিতে মুসলিম দেশের সরকাররা ছুটি ঘোষণা করা। তাহলে সাধারণ মুসলমান সহজেই সেসব দিনের মর্যাদা-মর্তবা অনুধাবন করে তার ফযীলত, রহমত অন্বেষণে উদ্যোগী হতো। তাদের মধ্যে জযবা মুহব্বত তৈরি হতো। তারা ফযীলত হাছিল করতে পারতো। তাদের বর্তমান দুরবস্থা সহজেই কাটতো।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, উনাকে যথাযথ মুহব্বত ও পরিপূর্ণ অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের পাঠ্যপুস্তকে উনার জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা। পাশাপাশি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উপলক্ষে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং ২২শে জুমাদাল উখরা তারখে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা।
-০-
Read more ...

মে দিবস প্রকারান্তরে শ্রমিকদের নিম্ন শ্রেণীর লোকহিসেবেই হেয় প্রতিপন্ন করছে। সরকারের উচিত এ দিনের ছুটি বাতিল করে ইসলামী মূল্যবোধযুক্ত দিনে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।’
‘মে দিবস’-এর চেতনা প্রকৃতপক্ষে বিধর্মীদের গণতান্ত্রিক চেতনা। যা মুসলমানদের জন্য ধর্মহীনতা ব্যতীত কিছুই নয়। কারণ দ্বীন ইসলাম-এ চৌদ্দশত বছর আগেই শ্রমিক স্বার্থ পুরোই সংরক্ষণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইহুদী নাছারাদের প্রবর্তিত মে দিবস যা শ্রমিক দিবস হিসেবে মশহুর হয়েছে মাত্র ১২৩ বৎসর পূর্বে। তাতে শ্রমিক স্বার্থ যেরূপ সংরক্ষণ করতে পারেনি তদ্রুপ পারেনি তাদের যথাযথ মর্যাদা দিতে।
মে দিবস প্রকারান্তরে শ্রমিকদের নিম্ন শ্রেণীর লোক হিসেবেই হেয় প্রতিপন্নই করছে।
সরকারের উচিত এ দিনের ছুটি বাতিল করে ইসলামী মূল্যবোধযুক্ত দিনে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা করা।

যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, ইমামে আ’যম, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম, আওলাদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “একমাত্র দ্বীন ইসলামই চৌদ্দশত বৎসর পূর্বে শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষণ করেছে এবং তাদের যথাযথ মর্যাদা প্রদান করেছে। পক্ষান্তরে পহেলা মে বা শ্রমিক দিবস যেরূপ শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারেনি তদ্রুপপারেনি তাদের যথাযথ মর্যাদা দিতে। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য যে- মে দিবসের আলোচনায় ও চিন্তায় অন্যান্যদের সাথে মুসলমানও একই ইতিহাস আলোচনা করে ও একই মনোভাব ব্যক্ত করে। অথচ মুসলমানের রয়েছে একটা আলাদা ঐতিহ্য ও আদর্শ তথা মূল্যবোধ। বলাবাহুল্য, ইসলামের দৃষ্টিতে মে দিবসের প্রক্রিয়া ও প্রতিপাদ্য অর্থহীন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শ্রমজীবী মানুষের মেহনত সম্পর্কে কুরআন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “নিশ্চয় আমি (আল্লাহ পাক) মানুষকে সৃষ্টি করেছি পরিশ্রমী বা শ্রমজীবী করে।” (সূরা বালাদ : আয়াত শরীফ ৪)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইসলামী বিধান অনুযায়ী কৃষক, শ্রমিক বা কোন কর্মজীবীকে কেউ বিনা পারিশ্রমিকে খাটাতে পারবে না। হাদীছ শরীফ-এ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তিনি শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণ না করে তাকে কাজে নিয়োগ করতে নিষেধ করেছেন। (বায়হাকী)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শ্রমিকের মজুরি প্রদান সম্পর্কে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তিনি সুস্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ‘শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তার প্রাপ্য মজুরি দিয়ে দাও।’ (ইবনে মাযাহ)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শ্রমিকদের হুকুম-আহকাম সম্পর্কে অর্থাৎ শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফই যথেষ্ট। এ বিষয়ে মুসলমানদের জন্য বিধর্মীদের থেকে কর্জ নিতে হবে না। তারপরও যদি ১লা মে সম্পর্কে বলতে হয় তাহলো ‘পহেলা মে’ বা ‘শ্রমিক দিবস’-এর মাধ্যমে প্রকারান্তরে শ্রমিকদের হেয় প্রতিপন্নই করছে। অর্থাৎ তারা প্রমাণ করছে যে, শ্রমিকরা আলাদা বা নিম্নশ্রেণীর লোক। অথচ ইসলামে শ্রমের দিক দিয়ে একজন সুইপার ও রাজা-বাদশাহর স্থান এক। অর্থাৎ সুইপার যেরূপ শ্রমিক, রাজা-বাদশাহও সেরূপ শ্রমিক। যেহেতু উভয়েই শ্রম দিয়ে থাকে। তবে যার ভিতর যত বেশি খোদাভীতি, তাক্বওয়া, পরহেযগারী থাকবে সে তত বেশি মর্যাদার অধিকারী হবে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি কথিত মে দিবসের ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন, ১৮৮০ সাল এবং এর পূর্ববর্তী সময়কালেও কল-কারখানার মালিকরা তাদের শ্রমিকদের প্রচুর খাটাতো, ঠিক মতো বেতন-ভাতা দিত না। তাদের সঙ্গে অমানুষের মতো ব্যবহার করা হতো। শ্রমিকরা প্রায়ই আন্দোলন করত ১৮৮৬ সালে এই মাত্রাটা বেশ বেড়ে যায়। কয়েকদিন পরপর শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকে। তখন মে মাসের এক তারিখ কাকতালীয়ভাবে এদিন ধর্মঘট পালন করা হয়। তারপর সেই মাসেরই চার তারিখে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে শিকাগো শহরে বের করা হয় শান্তিপূর্ণ মিছিল। মিছিলটি যখন ‘হে মার্কেট স্কয়ার’ নামের একটি জায়গায় গিয়ে পৌঁছাল, তখন হঠাৎ করে কে যেন বোমা মেরে বসলো মিছিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকে। সঙ্গে সঙ্গে লেগে গেল মারামারি। পুলিশ শুরু করলো গুলি, মারা গেল অনেকেই। এ ঘটনাই ইতিহাসে লেখা থাকলো মে দিবস হিসেবে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাইয়ে প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিশ্ব শ্রমিক সম্মেলনে ‘পহেলা মে’কে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই থেকে প্রতি বছর বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের কথিত অধিকার প্রতিষ্ঠায় স্মরণীয় দিন হিসেবে ঐতিহাসিক মে দিবস বিশ্বের সর্বত্র আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, মে দিবস পার হয়ে গেলে শ্রমিকদের প্রতি তাদের কর্তব্য ও এদিনের তাৎপর্য বেমালুম ভুলে যায়। এ তথ্য আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শ্রমিক স্বার্থ সম্পৃক্ত মে দিবসের প্রেরণা মাত্র ১২৩ বছর আগের। তারপরেও মে দিবসের ঘোষণায় শ্রমিক স্বার্থ পুরোই সংরক্ষিত হয়েছে, সে কথা বললে মহা ভুল হবে। অথচ তার চেয়েও বহু পূর্বে চৌদ্দশত বছর আগেই ইসলামে শ্রমিক স্বার্থ পুরোই সংরক্ষিত হয়েছে। শ্রমিককে মালিকের ভাই বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। সব মুসলমান ভাই ভাই বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তদুপরি মালিককে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে, “প্রত্যেকেই রক্ষক, তাকে তার রক্ষিত বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।” (বুখারী শরীফ)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মে দিবসের ঘটনা ও চেতনা ইসলামে শ্রমিকের স্বার্থ ও মর্যাদার প্রেক্ষিতে কিছুই নয়। মে দিবসের চেতনা প্রকৃতপক্ষে বিধর্মীদের গণতান্ত্রিক চেতনা যা মুসলমানদের জন্য ধর্মহীনতা ব্যতীত কিছুই নয়। তাই মে দিবসের চেতনা পথভ্রষ্ট ও অপরিপূর্ণ বিধর্মীদের কাছে অনেক কিছু হতে পারে, কিন্তু মুসলমানের কাছে প্রাসঙ্গিকও নয়, প্রয়োজনীয়ও নয়। বরং তা বিধর্মীদর অনুসরণ বলে নাজায়িযও বটে। হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি যে জাতির সাথে মিল রাখে; তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।”

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মে দিবসে সরকারি ছুটি অর্থহীন। অথচ আমাদের ইসলামী মূল্যবোধ সম্পৃক্ত দিনগুলোতে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা নেই। আখিরী চাহার শোম্বা, ফাতিহায়ে ইয়াজদাহম, মিরাজ শরীফ, লাইলাতুর রাগায়িব, ১লা রজব, ৬ই রজব ইত্যাদি গুরুত্ববহ দিনগুলোতে সরকারি ছুটির কোন ব্যবস্থা নেই। অথচ এগুলো ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ফযীলত ও বরকতযুক্ত দিন। সরকারের উচিত ইসলামী মূল্যবোধহীন দিনে ছুটির পরিবর্তে এসব ইসলামী মূল্যবোধযুক্ত দিনে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা করা।
-০-


 
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

আজ যারা পহেলা বৈশাখ পালন করবে তারা কুফরী করবে.কারণ, প্রকৃতপক্ষে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হচ্ছে হিন্দু মুশরিক ও মজুসীদের!!




মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।’
আর বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ মানুষের দ্বীন হচ্ছে ইসলাম; তাই বাংলাদেশ সংবিধানের ২ নম্বর ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্রদ্বীন হচ্ছে ইসলাম।
তাহলে বাংলাদেশে কী করে বিজাতীয় সংস্কৃতি পহেলা বৈশাখসহ সর্বপ্রকার ইসলামবিরোধী কাজ গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
আজ যারা পহেলা বৈশাখ পালন করবে তারা কুফরী করবে।
কারণ, প্রকৃতপক্ষে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হচ্ছে হিন্দু মুশরিক ও মজুসীদের।
এতে তারা পান্তা-গান্ধা খায়, গানবাজনা করে, র‌্যালী করে, জীব-জানোয়ারের মুখোশ পরে, মিছিল করে, ডুগডুগি বাজিয়ে নেচে নেচে হৈহুল্লোড় করে, পুরুষরা ধুতি ও কোণাকাটা পাঞ্জাবী যা হিন্দুদের জাতীয় পোশাক তা পরে, মেয়েরা লাল পেড়ে সাদা শাড়িসহ হাতে রাখি বাঁধে, শাঁখা পরে, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়, বেপর্দা, বেহায়া হয়- যা ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণ হারাম ও কুফরী।

অতএব, সংবিধান অনুযায়ী সরকারের দায়িত্ব হলো- পহেলা বৈশাখসহ সকল ইসলামবিরোধী কাজ বন্ধ করে দেয়া এবং এ থেকে মুসলমানদের বিরত রাখা।


যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইসলাম হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক, উনার তরফ থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে নাযিলকৃত, একমাত্র পরিপূর্ণ, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, নিয়ামতপূর্ণ, অপরিবর্তনীয় ও মনোনীত দ্বীন; যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। যে প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি “সূরা আলে ইমরান”-এর ১৯ নম্বর আয়াত শরীফ-এ বলেন, “নিশ্চয়ই ইসলামই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে একমাত্র দ্বীন।” তাহলে বাংলাদেশে কী করে বিজাতীয় সংস্কৃতি পহেলা বৈশাখসহ সর্বপ্রকার ইসলামবিরোধী কাজ গ্রহণযোগ্য হতে পারে? উল্লেখ্য, প্রকৃতপক্ষে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হচ্ছে হিন্দু মুশরিকদের ঘট পূজা, বৌদ্ধদের উল্কি অঙ্কন আর মজুসীদের নওরোজ পালনের অনুষ্ঠান।

এছাড়া নওরোজ বা নববর্ষ পালন উপলক্ষে পান্তা-গান্ধা খায়, গানবাজনা করে, র‌্যালী করে, জীব-জানোয়ারের মুখোশ পরে, মিছিল করে, ডুগডুগি বাজিয়ে নেচে নেচে হৈহুল্লোড় করে, পুরুষরা ধুতি ও কোণাকাটা পাঞ্জাবী যা হিন্দুদের জাতীয় পোশাক তা পরে, মেয়েরা লাল পেড়ে সাদা শাড়িসহ হাতে রাখি বাঁধে, শাঁখা পরে, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়, বেপর্দা, বেহায়া হয়- যা ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণ হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
বিজাতীয় ও বেদ্বীনি সংস্কৃতি পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে ইসলাম ও সংবিধানের নির্দেশনা সম্পর্কে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সংবিধানের ৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। সে প্রেক্ষিতে দেশে ইংরেজি ভাষাসহ বিভিন্ন উপজাতীয় ভাষার ঊর্ধ্বে যেমন রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদা ও প্রাধান্য তেমনি ৯৭% মুসলমান হওয়ার কারণে সংবিধানের ২ নম্বর ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম হয়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে অন্যান্য ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীর উপরে ইসলাম ও মুসলমানের মর্যাদা ও প্রাধান্য স্বীকৃত হতে হবে এবং ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও অনেক বেশি হতে হবে। যা মূলত প্রচলিত সংবিধানেরই ব্যাখ্যা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ মানুষের দ্বীন হচ্ছে ইসলাম; তাই বাংলাদেশ সংবিধানের ২ নম্বর ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্রদ্বীন হচ্ছে ইসলাম। তাহলে বাংলাদেশে কী করে বিজাতীয় সংস্কৃতি পহেলা বৈশাখসহ সর্বপ্রকার ইসলাম বিরোধী কাজ গ্রহণযোগ্য হতে পারে? স্মরণীয় যে, কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ পালন করা কাট্টা হারাম, নাজায়িয ও কুফরী। কারণ ইসলামী শরীয়তে মুসলমানগণের জন্য বিধর্মীদের অনুসরণ করা সম্পূর্ণ হারাম। উল্লেখ্য, প্রকৃতপক্ষে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হচ্ছে হিন্দু মুশরিকদের ঘট পূজা, বৌদ্ধদের উল্কি অঙ্কন আর মজুসীদের নওরোজ পালনের অনুষ্ঠান। তাহলে মুসলমানগণ কী করে পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারে। অতএব, ৯৭ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলামের দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- সরকারিভাবে পহেলা বৈশাখসহ সকল ইসলামবিরোধী কাজ বন্ধ করে দেয়া এবং সরকারিভাবেই পহেলা বৈশাখসহ সকল ইসলামবিরোধী কাজ থেকে মুসলমানদের বিরত রাখা। অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, মুসলমানদেরকে ইসলাম পালনে ও ঈমান হিফাযতে অর্থাৎ ইসলামের উপর ইস্তিক্বামত থাকার ব্যাপারে সর্বোতভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করা।
-০-


তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...