নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এ উম্মতের হিদায়েতের জন্য প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ পাঠাবেন। যিনি দ্বীনের তাজদীদ করবেন।’ গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন উনার যামানার মুজাদ্দিদ এবং ‘মুহিউদ্দীন’ বা দ্বীন জিন্দাকারী। তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জানা ও উনাকে মুহব্বত, অনুসরণ, অনুকরণ করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে উনার জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “মু’মিনদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার ইহসান যে, তাদের (হিদায়েতের জন্য) একজন রসূল পাঠানো হয়েছে। যিনি তাদেরকে (মু’মিনদেরকে) তিলাওয়াত করে শুনাবেন। তাদেরকে তাযকিয়া (পরিশুদ্ধ) করবেন, কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিবেন।” আর আবূ দাউদ শরীফ-এর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ প্রেরণ করবেন যিনি দ্বীনের তাজদীদ করবেন।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি একদিন সফর থেকে বাগদাদ শহরে প্রবেশ করবেন তখন শহরের দ্বারপ্রান্তে দেখলেন একজন জীর্ণ-শীর্ণ দুর্বল ও কুৎসিত ব্যক্তি রাস্তার পাশে এক প্রকার অর্ধমৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সে গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনাকে দেখে বললো: আমাকে ধরুন এবং সাহায্য করুন। গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি যখনই তার হাত ধরে তাকে উঠালেন তখনই সে সম্পূর্ণ সুস্থ, সবল ও সুঠাম দেহের অধিকারী একজন খুবছুরত যুবক হয়ে গেল। গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হে ব্যক্তি একটু আগে আপনি ছিলেন দুর্বল ও জীর্ণ-শীর্ণ দেহের অধিকারী মৃতপ্রায় আর আমি আপনাকে স্পর্শ করা মাত্রই আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ সবল ও খুবছুরত যুবক হয়ে গেলেন তার কি কারণ? সে বললো: হে গাউছুল আ’যম! আমি কোনো জিন, ইনসান বা ফেরেশতা নই। আমি হলাম “দ্বীন ইসলাম” এ যামানার উলামায়ে ‘ছূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীরা ইসলাম সম্পর্কে মনগড়া কথা বলে মনগড়া আমল করে এবং ইসলামের অপব্যাখ্যা করে ও ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করে আমাকে দুর্বল করে দিয়েছে। মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে পাঠিয়ে আপনার উসীলায় আমাকে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিবেন। অর্থাৎ পুনর্জীবিত করবেন, তাই আজ থেকে আপনার লক্বব বা উপাধি হচ্ছে ‘মুহিউদ্দীন’ বা দ্বীন জিন্দাকারী। তখন থেকেই তিনি ‘মুহিউদ্দীন’ নামে মশহুর হয়ে যান। সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- খলীফাতুল্লাহ ও খলীফাতু রসূলিল্লাহ হিসেবে মানুষকে তাযকিয়া বা পরিশুদ্ধ করার জন্য এবং উলামায়ে ছূ’দের বদ আক্বীদা, বা আমল ও মনগড়া কুফরী ফতওয়ার কারণে দ্বীনের ভিতর প্রবেশকৃত সকল কুফর, শিরক ও বিদয়াত বেশরা দূর করে দ্বীন ইসলামকে তাজদীদ বা পুনর্জীবিত করার জন্য যমীনে পাঠিয়েছেন। তিনি যমীনে তাশরীফ এনে মানুষকে তাযকিয়া বা পরিশুদ্ধ করেছেন এবং দ্বীনকে যিন্দা করেছেন। তাই মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনাদের পক্ষ থেকে উনাকে ‘মুহিউদ্দীন’ বা দ্বীন যিন্দাকারী লক্বব দেয়া হয়েছে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “পথভ্রষ্ট আলিম বা উলামায়ে ‘ছূ’দের কারণে ইসলামের ক্ষতি হয়ে থাকে।” অর্থাৎ যুগে যুগে উলামায়ে ছূ’রাই ইসলাম সম্পর্কে মনগড়া ফতওয়া দিয়ে তথা হারামকে হালাল ও হালালকে হারাম বলে এবং হারাম কাজে লিপ্ত হয়ে ইসলামের ক্ষতি সাধন করার অপচেষ্টা করে। বর্তমানেও উলামায়ে ছূ’রা হারামকে হালাল ও হালালকে হারাম ফতওয়া দেয়, দুনিয়াবী ফায়দা হাছিলের উদ্দেশ্যে আমীর-উমরা, রাজা-বাদশাহ, মন্ত্রী-মিনিস্টার এমনকি মহিলাদের সাথে একত্রে চলাফেরা করে, উঠাবসা করে, যাওয়া-আসা করে, মিটিং-মিছিল করে, তাদের ছানা-ছিফত ও গুণ বর্ণনা করে প্রকাশ্যে বেপর্দা হয়, ছবি তোলে, ভিডিও করে, টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করে, ইসলামের নামে গণতন্ত্র তথা ভোট-নির্বাচন করে, হরতাল করে, লংমার্চ করে, মৌলবাদী দাবি করে, কুশপুত্তলিকা দাহ করে, ব্লাসফেমী আইন চায়। এদের প্রসঙ্গেই হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই (সৃষ্টির মধ্যে) সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট জীব হচ্ছে উলামায়ে ছূ’ তথা দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ী মাওলানা।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন উনার যামানার মুজাদ্দিদ ও ‘মুহিউদ্দীন’ বা দ্বীন জিন্দাকারী। তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জেনে ও উনাকে মুহব্বত, অনুসরণ, অনুকরণ করে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনাদের উভয়ের খাছ রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি হাছিল করা। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Wednesday, February 29, 2012
|
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয় যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।’ মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ হচ্ছে ‘১১ই রবীউছ ছানী’ যা ‘পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম’ নামে মশহুর। এ বছরের জন্য আগামী ৬ই আশির-১৩৭৯ শামসী সন, ৫ই মার্চ-২০১২ ঈসায়ী সন ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি বা সোমবার শরীফ পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম। তাই প্রত্যেক মুসলমান এবং বাংলাদেশ সরকারসহ পৃথিবীর সকল দেশের সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যতার সাথে এ দিনটি পালন করা এবং এ দিনের সম্মানার্থে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, রবীউছ ছানী মাস অত্যন্ত বরকত ও ফযীলতপূর্ণ মাস। এই মাসেই মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বিছাল শরীফ লাভ করেন।
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিলাদত শরীফ থেকে বিছাল শরীফ পর্যন্ত আমরা যে ওয়াকিয়া বা ইতিহাস দেখতে পাই; তার মধ্যে হাজারো নছীহত বা ইবরত রয়ে গেছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “সাবধান! নিশ্চয় যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, গাউছুল আ’যম, বড়পীর ছাহেব হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে পূর্ববর্তী আউলিয়ায়ে কিরামগণ ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন। আওলাদে রসূল এবং আহলে বাইত উনাদের অন্তর্ভুক্ত হযরত ইমাম জাফর সাদিক আলাইহিস সালাম (যিনি হযরত ইমাম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পীর ছাহেব বা শায়েখ বা মুর্শিদ ছিলেন) উনি উনার ‘কাশফূল গুয়ুব’ নামক কিতাবে লিপিবদ্ধ করেন যে, এক বিশেষ রূহানী মজলিসে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আগমনের সংবাদ দান করেন। আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলেন যে, হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম ও হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের শাহাদাতের পর আমি আমার উম্মতের কথা ভেবে চিন্তিত হলে আল্লাহ পাক তিনি উনার দুই মাহবুব বান্দা দ্বারা আমাকে সুসংবাদ দান করেন। সেই দুই মাহবুব বান্দার অন্যতম একজন মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি। সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের ইছলাহর জন্য এমন লোক প্রেরণ করবেন, যিনি দ্বীনের সংস্কার করবেন।” অর্থাৎ বিদয়াত, বেশরা এবং শরীয়ত বিগর্হিত কাজগুলোর সংশোধন করবেন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সেই রকম একজন খাছ ও বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হলেন- গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ৪৭১ হিজরীতে পহেলা রমাদ্বান শরীফ, সোমবার শরীফ-এ পবিত্র জিলান নগরে বিলাদত শরীফ লাভ করেন। জিলান নগরীটি তৎকালে ইরানে অবস্থিত ছিলো। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পিতার দিক থেকে হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং মাতার দিক থেকে হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের বংশধর অর্থাৎ আওলাদে রসূল। গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতার নাম মুবারক হযরত সাইয়্যিদ আবু ছালেহ মুসা জঙ্গী দোসত রহমতুল্লাহি আলাইহি। যেহেতু তিনি যুদ্ধ প্রিয় ছিলেন সেহেতু উনাকে জঙ্গী দোসত বলা হয়। আর উনার মাতার নাম মুবারক হযরত উম্মুল খায়ের আমাতুল জাব্বার ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘বাহজাতুল আসরার’ নামক কিতাবে হযরত শায়েখ শিহাবুদ্দীন সোহরাওয়ার্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৫৬০ হিজরীর রবীউল আউয়াল শরীফ মাস হতে অসুস্থ হয়ে পড়লেন।
‘তাওয়ারিখে আউলিয়া’ নামক কিতাবে হযরত শায়খ আব্দুল ফতেহ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, রোববার দিবাগত রাত্রে অর্থাৎ সোমবার রাত্রে গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি গোসল করেন। গোসলান্তে ইশার নামায আদায় করে তিনি উম্মতে হাবীবীগণের গুনাহখাতা মাফের জন্য ও তাদের উপর খাছ রহমতের জন্য দোয়া করলেন। এরপর গায়েব হতে আওয়াজ আসলো, “হে প্রশান্ত নফস, আপনি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত হয়ে নিজ প্রতিপালক উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করুন। আপনি আমার নেককার বান্দার মধ্যে শামিল হয়ে যান এবং বেহেশতে প্রবেশ করুন।” এরপর তিনি কালিমা শরীফ পাঠ করে তাআজ্জাজা (অর্থ বিজয়ী হওয়া) উচ্চারণ করতে লাগলেন এবং তিনি আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ বললেন। এরপর জিহ্বা মুবারক তালু মুবারক-এর সাথে লেগে গেলো। এভাবে ৫৬১ হিজরীর ১১ই রবীউছ ছানী মাসের সোমবার শরীফ-এ গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আল্লাহ পাক উনার মহান দরবারে প্রত্যাবর্তন করলেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) আর এ দিনটিই সারাবিশ্বে ‘পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম’ নামে মশহুর। এ বছরের জন্য আগামী ৬ই আশির-১৩৭৯ শামসী সন, ৫ই মার্চ-২০১২ ঈসায়ী সন ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি বা সোমবার শরীফ পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনী মুবারক-এ অনেক নছীহত ও ইবরত রয়ে গেছে। আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এর ‘সূরা ইউসূফ’ বর্ণনা করার পর বলেন, “নিশ্চয় এই ঘটনার মধ্যে জ্ঞানীগণের জন্য রয়েছে নছীহত।” এ আয়াত শরীফ থেকে ছাবিত করা হয় যে, পরবর্তী লোকদের জন্য পূর্ববর্তী লোকদের ঘটনাগুলি ইবরতস্বরূপ। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জেনে উনাকে মুহব্বত ও অনুসরণ করে আল্লাহওয়ালা হওয়ার কোশেশ করা এবং পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারসহ পৃথিবীর সকল দেশের সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যতার সাথে এ দিনটি পালন করা এবং এ দিনের সম্মানার্থে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Friday, February 24, 2012
|
সব প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম। গতকাল প্রায় সব পত্রিকার প্রধান লিড নিউজ ছিল “শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ।” আর ক্যাপশন ছিল মহান একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুলে ফুলে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। পত্রিকান্তরে রিপোর্ট হয়েছে, “অমর একুশে তথা মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুল বাণিজ্য ছিল রমরমা। এ উপলক্ষে রাজধানীর অলিগলিতে বসেছিল ফুলের দোকান। দশগুণ বেশি দামে ফুল কিনেও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ভুল করেনি ভাষাপ্রেমিক নাগরিকরা। এসব ফুলের ক্রেতা-বিক্রেতার অধিকাংশই ছিল তরুণ-তরুণী ও কোমলমতি শিশু। ধারণা করা হয়, রাজধানীতেই ফুল বাবদ কয়েক কোটি টাকা হাত বদল হয়েছে।” ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি মিছিল বের করলে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী তাতে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জববারসহ অনেকেই শহীদ হন। শহীদদের এই রক্ত বৃথা যায়নি। পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী তাদের দাবি মেনে নেয়। সে দিন থেকে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে এ দিনটি পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে তৎকালীন সরকারের দাবির প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ এ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। এ দিবসে তাদের স্মরণে তৈরি মিনার বা স্মৃতিস্তম্ভে ফুল নিবেদন করা হয়। এ দিবসকে কেন্দ্র করে সারাদেশে কোটি কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়ে থাকে। পাড়ায়-মহল্লায় গড়ে উঠে হাজার হাজার অস্থায়ী ফুলের দোকান। স্থায়ী দোকানগুলোতে সারাবছরই ফুল বিক্রি হয়ে থাকে। কিন্তু এ দিবসে সারাদেশে অতিরিক্ত ফুলের চাহিদা দেখা দেয়াতে পাড়া-মহল্লায় এসব অস্থায়ী দোকান গড়ে উঠে। রাজধানীতে অধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকাতে এখানে এ দিবসটি বেশি গুরুত্বের সাথে পালিত হয়ে থাকে। জানা গেছে, রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, স্কুল, মাদরাসা, কিন্ডার গার্টেন, সামাজিক সংগঠনসহ প্রায় ২০ হাজার প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী ও অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের ভাষা প্রেমীরা। নগরীর প্রতিটি মহল্লায় একাধিক অস্থায়ী ফুলের দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকানিরা গত শনিবার থেকে রাজধানীর পাইকারি ফুলের বাজার থেকে ফুল সংগ্রহ করেন। তবে তাদের ফুল বিক্রি শুরু হয় গত সোমবার থেকে। উল্লেখ্য, ‘শহীদ’ একটি উঁচু ধারার ইসলামী সংবেদনশীল শব্দ। মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় যারা জিহাদ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে তাঁদেরকেই শহীদ বলা হয়। অর্থাৎ তাঁরাই হচ্ছেন প্রকৃত শহীদ। এছাড়া যাঁরা রয়েছে তাঁরা শহীদী দরজা হাছিল করে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রকৃত শহীদগণ সম্পর্কে ইরশাদ করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় গিয়ে যারা শহীদ হয় তাঁদেরকে মৃত বলোনা। তাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার কাছ থেকে রিযিক পেয়ে থাকে।” (সুবহানাল্লাহ!) তাফসীরে বর্ণিত হয়েছে, মাতৃভাষাকে মুহব্বত করা ঈমানের অঙ্গ। সুতরাং মাতৃভাষা রক্ষার্থে যারা জীবন দিয়েছে তারাও নিঃসন্দেহে শহীদের অন্তর্ভুক্ত। তবে তাদেরকে ইসলামের দৃষ্টিতে মৃত ভাবা চলবেনা। তারা জীবিত। এবং জীবিত মানুষের মতই তাঁদের প্রয়োজন রয়েছে। সুতরাং ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান আর ভালোবাসা জানাতে হলে তাঁদের প্রয়োজনের দিকটি সর্বাগ্রে মূল্যায়ন করতে হবে। উল্লেখ্য, ইসলামে বলা হয়েছে যে কোন ব্যক্তির ইন্তিকালের পর তার নেক কামাইয়ের সব পথ বন্ধ হয়ে যায় তিনিটি ব্যতীত। এক. নেককার উত্তরাধিকারী। তারা যা দোয়া করে। দুই. নেক উসিলা। যথা পীর ছাহেব ক্বিবলা, মুরীদ এবং ওস্তাদ ছাত্র ইত্যাদি। তিন. নেক কাজ। যথা- রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, পানির ব্যবস্থা ইত্যাদি। এক্ষেত্রে বলা আবশ্যক যে, ভাষা শহীদদেরকে বর্তমানে সত্যিকার অর্থে সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতে হলে তাঁদের প্রতি কুরআন শরীফ খতম, দান খয়রাত, নফল রোযা, মীলাদ শরীফ-এর ইত্যাদি করে তাঁদের রূহ মুবারক-এ ছওয়াব বখশিয়ে দিতে হবে। বিপরীত দিকে শুধুই ফুল দিয়ে কবর আচ্ছাদন করা মূলত: শহীদদের কোন উপকারে আসেনা। এটা হয়ে যায় বর্তমানের একটা প্রথাগত সংস্কৃতি পালন। যে অর্থে আমরা শহীদ বলে স্মরণ করি সে অর্থে কথিত শহীদ মিনারে ফুল অর্পণ পূজার শামিল। মুসলমান দাবি করলে ইসলাম অনুযায়ী তার বিপরীত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। বরং অঞ্জলি শব্দটার অর্থই যেমন পূজা দেয়া তেমনি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দটাও একই অর্থবোধক। স্মৃতিস্তম্ভকে ইংরেজিতে বলা হয়- Monument. World book -তে লেখা হয়েছে- monument is a structure usually a building or statue built in memory of a person or an event. অর্থাৎ স্মৃতিস্তম্ভ হচ্ছে- একটি অবকাঠামো, যা সাধারণত দালান জাতীয় অথবা মূর্তি, যেটা কোন ঘটনা বা ব্যক্তিকে স্মরণ রাখার জন্য বানানো হয়। এ ধরনের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেবার প্রথা চালু হয়, আমেরিকায় ১৮৬৬ সালে। এ প্রসঙ্গে Encyclopedia america লিখা হয়েছে, The custom of placing flower on the graves of the war dead began on may 1866 in watertoo, New York. অর্থাৎ আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পূর্বেই এ প্রথা সেখানে শুরু হয়। Encyclopedia Britannica -তে লেখা হয়েছে- The custom itself of honouring the graves of the war dead began before the close of the civil war. আর নির্দিষ্ট দিনে এই স্মৃতি প্রক্রিয়া চালু রাখা বা স্মরণীয় দিন চালু রাখাও এই সাথেই প্রবর্তিত হয়। অর্থাৎ স্মরণীয় দিন বা শোক দিবস পালনের প্রথাগত প্রচলনও শুরু হয় আমেরিকাতে। New standard Encyclopreia -তে লিখা হয়েছে- The First official observance of memorial day was at waterloo, New York in 1866. তবে এর আগেই আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলে কিছু মেয়েরা স্মৃতি দিবস পালন ও ফুল দেবার সংস্কার চালু করেছিল বটে। এবং ১৯৭১ সালের পূর্বে ৩০শে মে তারিখে এই স্মরণীয় দিন পালন করা হতো। কিন্তু তারপরে তা মে মাসের শেষ বুধবারকে ধার্য করা হয় এবং আগে কেবল গৃহযুদ্ধে নিহত সৈন্যদের স্মরণে এই দিন পালন করা হলেও পরবর্তীতে স্প্যানিশ আমেরিকা যুদ্ধে, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং কোরিয়া ও ভিয়েতনামের যুদ্ধে নিহতদের স্মরণও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রথমদিকে গ্রান্ড আর্মির কমান্ডার জেনারেল John a logan নির্দেশনায় সামরিক সদস্যদের দ্বারা এই সংস্কার চালু হলেও পরবর্তীতে কেবল সৈন্যদলই নয়, স্কাউট, বিভিন্ন সংগঠন এবং সাধারণ জনতাও সমাধিস্থলে পতাকা ও ফুল স্থাপন করাসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করে। World book--এ লিখা হয়েছে- On memorial day people place flowers and flags on the graves of military personnel, mane organization, including boy scouts, girl scouts and fraternal groups much in military parades and take part in special programs. উল্লেখ্য খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী আমেরিকানদের মাঝে স্মরণীয় দিনে স্মৃতিস্তম্ভে ফুল স্থাপনসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদি পালনের এই রেওয়াজ অন্যান্য দেশে ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী লোকদের সংস্কৃতি বা মূল্যবোধেও পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্তি লাভ করে। বলাবাহুল্য, এসব কিছুর সাথে মিল রেখেই বর্তমানে আমাদের দেশে ভাষা আন্দোলনে শহীদ স্মরণে, শহীদ দিবস বা ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন হয় অর্থাৎ তাদের স্মরণে স্থাপিত শহীদ মিনারে ফুল স্থাপনসহ বিবিধ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, ইসলাম যেহেতু একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য ধর্ম এবং স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, সেহেতু ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে উল্লিখিত শহীদ মিনার সংক্রান্ত সংস্কৃতিটি পর্যালোচনা করা সচেতন মুসলিম হিসেবে আমাদের কর্তব্য। মূলত ইসলামী প্রজ্ঞার অভাবে কোন সরকারই এ সত্যটি আদৌ উপলদ্ধি করতে পারেনি। সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি, সরকারেরও প্রয়োজন রয়েছে নেক পরামর্শ তথা নেক ছোহবত, রূহানী সংস্পর্শ তথা ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই সে মহান নিয়ামত হাছিল সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে তা নছীব করুন। (আমীন)
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Tuesday, February 21, 2012
|
| মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘আমি প্রত্যেক হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে ক্বওমের ভাষা দিয়ে প্রেরণ করেছি।’ প্রত্যেক হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজ নিজ মাতৃভাষায় প্রেরণ করা হয়েছে। তাই মাতৃভাষাকে মুহব্বত করা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। ভাষার জন্য যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের জন্য শরয়ী তর্জ-তরীক্বা মুতাবিক যেমন কুরআন শরীফ খতম, মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ পাঠ এবং ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে তাদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আর শরীয়তের খিলাফ তর্জ-তরীক্বায় যেমন গান-বাজনা, বেপর্দা-বেহায়াপনার মাধ্যমে নয়। কারণ, এ সমস্ত কাজগুলি ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণরূপে হারাম। তাই মুসলমানগণের জন্য করা নিষিদ্ধ।
যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘আমি প্রত্যেক হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে ক্বওমের ভাষা দিয়ে প্রেরণ করেছি।’ প্রত্যেক হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজ নিজ মাতৃভাষায় প্রেরণ করা হয়েছে। তাই মাতৃভাষাকে মুহব্বত করা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। ভাষার জন্য যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের জন্য শরয়ী তর্জ-তরীক্বা মুতাবিক যেমন কুরআন শরীফ খতম, মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ পাঠ এবং ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে তাদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আর শরীয়তের খিলাফ তর্জ-তরীক্বায় যেমন গান-বাজনা, বেপর্দা-বেহায়াপনার মাধ্যমে নয়। কারণ, এ সমস্ত কাজগুলি ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণরূপে হারাম। তাই মুসলমানগণের জন্য করা নিষিদ্ধ।” আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদগণ তাঁদের জন্য মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে এক আলোচনা মজলিসে তিনি এসব কথা বলেন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “আমি সব হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে উনাদেরই স্বজাতির ভাষা দিয়ে প্রেরণ করেছি। যাতে তাদেরকে স্পষ্ট করে বোঝানো যায়।” (সূরা ইব্রাহীম-৪)। এ আয়াত শরীফ দ্বারা প্রতিভাত হয়, নিজ নিজ জাতির ভাষায় কথা বলাই আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হাবীবুল্লাহ, আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আল্লাহ পাক উনার নিজস্ব ভাষায় প্রেরণ করেছিলেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আমি উনাকে আরবী ভাষায় প্রেরণ করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার।” (সূরা ইউছূফ-২)। অর্থাৎ নিজস্ব মাতৃভাষায় কথা বলা আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “মাতৃভূমিকে মুহব্বত করা ঈমানের অঙ্গ।” এর ব্যাখ্যায় বলা হয়, মাতৃভাষাকে মুহব্বত করাও ঈমানের অঙ্গ।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, দেওবন্দী ওহাবী খারিজী উলামায়ে ‘ছূ’ গংয়ের প্ররোচনায় যালিম সম্প্রদায় এদেশের মুসলমানদেরকে সে সুন্নত পালন বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলো। কাজেই যাঁরা প্রকৃতপক্ষে মাতৃভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন তাঁরা শহীদী দরজা অর্জন করেছেন। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এদেশবাসীর মুসলমানের উচিত- ভাষার জন্য যাঁরা প্রকৃতপক্ষে প্রাণ দিয়েছে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা, তাঁদের উপকার করার চেষ্টা করা।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমরা মুসলমান। ইসলাম আমাদের দ্বীন। আর দ্বীন ইসলাম মোতাবেক মৃত্যুর পর প্রত্যেক বান্দা- ‘হয় কবরে আযাবে থাকে’ অথবা ‘সুখে থাকে।’ সেক্ষেত্রে জীবিতরা যদি মৃতের জন্য দোয়া করে ও মাগফিরাত কামনা করে তবে সে দোয়ার উসীলায় মহান আল্লাহ পাক তিনি কবরের আযাব ক্ষমা করে দেন। আর আযাব না থাকলে তার নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেন। সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুসলমান হিসেবে আমাদের উচিত- ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছে তাঁদের উপকারার্থে তাঁদের জন্য ইস্তিগফার পাঠ করে, মাগফিরাত কামনা করে, কুরআন শরীফ খতম করে তাঁদের জন্য মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে দোয়া করা অর্থাৎ তাঁদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘বায়হাক্বী শরীফে’ বর্ণিত আছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যখন মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খীরা মৃত ব্যক্তির জন্য কুরআন শরীফ খতম, দোয়া-ইস্তিগফার ও মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে মৃত ব্যক্তির নামে ছওয়াব রেসানী করে বা বখশায়ে দেয় তখন ফেরেশতাগণ উনারা উক্ত নেকীগুলো মখমলের রুমালে জড়িয়ে মৃত ব্যক্তির নিকট পেশ করেন। মৃত ব্যক্তিরা তা দেখে খুশি হয়।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালি পায়ে চলা, শহীদ মিনারে ফুল দেয়া, গান-বাজনা করা, বেপর্দা-বেহায়াপনাজনিত অনুষ্ঠান দ্বারা যারা জীবিত তারা কঠিন গুনাহে গুনাহগার হয় অর্থাৎ কবীরা ও কুফরী গুনাহে গুনাহগার হয়। আর যাঁরা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে কবরে আছেন তাঁদের কোনই উপকার হয় না। বরং তাঁরা এসব কাজের জন্য ভীষণ লজ্জিত হন ও কষ্ট পান। কারণ, তাঁরা সবই দেখতে পান। কেবলমাত্র তাঁরা নির্বাক বলেই কিছু বলতে পারেন না।
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুসলমান হিসেবে আমাদের সবারই সেভাবে আমল করা উচিত যেভাবে আমল করলে ভাষার জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের উপকার হবে। অর্থাৎ ভাষার জন্য যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের জন্য দোয়া-ইস্তিগফার, কুরআন শরীফ খতম ও মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে তাঁদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া। পাশাপাশি গান-বাজনাসহ সর্বপ্রকার হারাম, কুফরী ও শরীয়ত বিরোধী আমল ও বদ রসম থেকে বিরত থাকা সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Sunday, February 19, 2012
|
| মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদ প্রদানকারী ও ভয় প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিফত হিসেবে সর্বত্র সবসময় হাযির ও নাযির। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত ক্ষমতায় যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে হাযির-নাযির হতে পারেন। এটাই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর বিশুদ্ধ আক্বীদা। এর খিলাফ আক্বীদা পোষণ করা গুমরাহীর অন্তর্ভুক্ত।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিফত হিসেবে সর্বত্র সবসময় হাযির ও নাযির। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত ক্ষমতায় যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে হাযির-নাযির হতে পারেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ পাক) সব কিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন।” আসন্ন সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে এক আলোচনা মজলিশে তিনি এসব কথা বলেন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আক্বাইদের কিতাবে উল্লেখ আছে, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর ফতওয়া হলো, আল্লাহ পাক তিনি ইলম ও কুদরতের দ্বারা হাযির-নাযির; জাত হিসেবে নন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘আহকামুল কুরআন লিল আরাবী’তে উল্লেখ আছে, “নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ পাক) উনার ইলম ও কুদরতের দ্বারা সমস্ত স্থানে রয়েছেন।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাযির ও নাযির জানার এটাই অর্থ যে, মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টি জগতের প্রত্যেক সৃষ্টির কার্যসমূহ পূর্ণরূপেই দেখেন এবং উনার ইলম সর্বত্র বিরাজমান।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর ফতওয়া হলো, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিফত হিসেবে সর্বত্র সবসময় হাযির ও নাযির। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত ক্ষমতায় যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে হাযির-নাযির হতে পারেন।
মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাযির-নাযির হওয়া সম্পর্কে হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “আপনি যখন মসজিদে প্রবেশ করবেন তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সশ্রদ্ধ সালাম দিবেন। কারণ তিনি মসজিদসমূহে হাযির আছেন।” সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আল্লামা হযরত শায়েখ আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “নামাযে আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করা হয়েছে। এটা যেনো এ কথারই ইঙ্গিতবহ যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতদের মধ্যে নামাযীদের অবস্থা উনার কাছে এমনভাবে উদ্ভাসিত করেছেন, যেন তিনি তাদের মধ্যে হাযির বা উপস্থিত থেকেই দেখতে পাচ্ছেন, তাদের আমলসমূহ অনুধাবন করছেন। এ সম্বোধনের আরো একটি কারণ হচ্ছে উনার এ হাযির হওয়ার (উপস্থিতির) ধারণা অন্তরে অতিমাত্রায় বিনয় ও নম্রতার সৃষ্টি করে।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আল্লামা হযরত ইমাম মুল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘শরহে শিফা’ কিতাবে উল্লেখ করেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রূহ মুবারক মুসলমানদের ঘরে ঘরে হাযির আছেন।” সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত ইমাম ইবনুল হাজ্জ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘মাদখাল’ গ্রন্থ ও হযরত ইমাম কুসতুলানী রহমতুল্লাহি উনার ‘মাওয়াহেব’ গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “আমাদের সুবিখ্যাত উলামায়ে কিরাম, উনারা বলেন যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হায়াত ও বিছাল মুবারক-এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি নিজ উম্মতকে দেখেন, তাদের অবস্থা, নিয়ত, ইচ্ছা ও মনের কথা জানেন। এগুলো উনার কাছে সম্পূর্ণরূপে সুস্পষ্ট; কোনোরূপ অস্পষ্টতা বা পুশিদা থাকে না।” সুবহানাল্লাহ।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিফত হিসেবে সর্বত্র সবসময় হাযির ও নাযির। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত ক্ষমতায় যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে তিনি হাযির-নাযির হতে পারেন; যা উনার সীমাহীন বৈশিষ্টের মধ্যে একটি বৈশিষ্ট্য। এটাই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর বিশুদ্ধ আক্বীদা। এর খিলাফ আক্বীদা পোষণ করা গুমরাহীর অন্তর্ভুক্ত। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Tuesday, February 14, 2012
|
সাইবার যুদ্ধে ভারতকে নাস্তানুবাদ করছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা বাংলাদেশীদের দখলে প্রায় ত্রিশ হাজার ভারতীয় ওয়েবসাইট এ যুদ্ধ সীমান্ত হত্যাসহ ভারতের সব নীল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতীকী যুদ্ধ এ বিজয় গোটা বাংলাদেশের বিজয়
সব প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সারওয়ারে কায়িনাত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম। এখনও আক্রমণ চলছেই। ইতোমধ্যে বাংলাদেশী হ্যাকার গ্রুপগুলোর দখলে রয়েছে প্রায় ত্রিশ হাজারের মত ভারতীয় ওয়েবসাইট। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশী হত্যার প্রতিবাদে ‘বাংলাদেশ ব্লাকহ্যাট হ্যাকারস’ (বিবিএইচএইচ) প্রথমে ভারতের বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধ ঘোষণা করে। এখন পর্যন্ত দেশের বৃহত্তর প্রায় ১০টি হ্যাকার গ্রুপ একাত্মতা ঘোষণা করে কাজ করে যাচ্ছে। শত শত ইন্ডিয়ান সাইট এখন বাংলাদেশি হ্যাকারদের হাতে এবং সে সাইটগুলোতে ঝুলছে ফেলানির লাশের ছবি। এ ছাড়া প্রায় হাজারখানেক ফেসবুক একাউন্ট ও প্রায় ৫০০ ইন্ডিয়ান টুইটার একাউন্ট এখন বাংলাদেশিদের হাতে। এগুলো থেকে অনবরত সীমান্তে অযাচিত ভাবে বাংলাদেশীদের হত্যার প্রতিবাদ করে যাওয়া হচ্ছে। অপরদিকে ভারতীয়রা প্রায় ৫০টি বাংলাদেশি সরকারি সাইটসহ ১৫০টির বেশি বাংলাদেশি সাইট তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, এ ছাড়া ‘ইন্ডীশেল’ নামে এক ভারতীয় হ্যাকার গ্রুপের নেতৃত্বে প্রায় ৫০টি ভারতীয় হ্যাকার গ্রুপ বাংলাদেশের সাইবার আকাশ ধ্বংস করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। কিন্তু এ সাইবার যুদ্ধে ভারতের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক বেশী এগিয়ে। এদিকে, বর্তমান বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার্স বাংলানিউজকে তাদের অবস্থান ও কর্মকা-ের ব্যাখ্যা দিয়ে একটি বিবৃতি পাঠিয়েছে। তারা বলেছে- “আমরা বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার। ভারতে সীমান্ত হত্যা বন্ধে আমরা সম্প্রতি ভারতীয় ওয়েবসাইটগুলোতে ব্যাপক আক্রমণ শুরু করেছি। আমাদের খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নেই, আমরা সীমান্তে বিএসএফ এর হাতে মরতে চাই না। চাই মানুষের মতো বাঁচতে, বিএসএফ-এর কাছে কুত্তার মতো গুলি খেয়ে মরতে চাই না। সীমান্তে যাতে নিরীহ মানুষকে আর মরতে না হয় সে দাবিতে আমরা সাইবার যুদ্ধ শুরু করেছি। হ্যালো বাংলাদেশের নাগরিকরা, আমরা বাংলাদেশ ব্লাকহ্যাট হ্যাকারস। এখন সময় আমাদের চোখ খুলবার। বিএসএফ ১ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যা করেছে, তাদের গুলিতে আহত হয়েছে আরও ৯৮৭ বাংলাদেশি। অপহৃত হয়েছে হাজারো মানুষ। এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। তারা অবিচার করছে। সংকটময় এ মুহূর্তে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে আমাদের কিছু দায়িত্ববোধ রয়েছে, আমরা চাই ভারত সরকার নিরপরাধ বাংলাদেশিদের হত্যা করা বন্ধ করুক। নতুবা আমরা ভারতীয়দের বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধ শুরু করবো। এটি চলতেই থাকবে।” বাংলাদেশের ‘বাংলাদেশ সাইবার আর্মি’, ‘বিডি ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস’, ‘এক্সপায়ার সাইবার আর্মি’ এই তিনটি হ্যাকার দল এই সাইবার-যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে। উল্লেখ্য, ‘বাংলাদেশি হ্যাকারদের সমর্থন দিয়েছে আন্তর্জাতিক হ্যাকার দল ‘অ্যানোনিমাস’। এ ছাড়া পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরবের শক্তিশালী হ্যাকাররা বাংলাদেশি হ্যাকারদের সমর্থন দিয়ে গতকাল থেকে ভারতীয় সাইটে আক্রমণ করছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে আরো যোগ দিয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, লিবিয়া এবং থাইল্যান্ডের হ্যাকাররাও। উল্লেখ্য, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে ভারতের চুক্তি থেকেই যেন প্রতিরোধ এবং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে। প্রসঙ্গত: সাইবার যুদ্ধে বাংলাদেশী হ্যাকারদের এ রকম তীব্র আক্রমণ এবং বিপুল বিজয় কয়েকটি বিষয় প্রতিভাত করে। প্রথমত: বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সীমান্ত হত্যাসহ টিপাইমুখ বাঁধ তথা ট্রানজিট কোনোটাই বাংলাদেশের জনগণ ভালভাবে নেয়নি। নিতে পারে না। কিন্তু জনগণের সেই ক্ষোভ যখন সরকার প্রতিফলিত করতে পারেনি তখন জনগণ সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়েছে এবং বর্তমান সাইবার যুদ্ধে ভীষণ আক্রমণ দ্বারাই জনগণ ভারতের প্রতি তাদের চরম আক্রমণাত্মক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। দেখা যাচ্ছে স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশীদের অন্তরে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার প্রত্যয় আজন্ম। সেক্ষেত্রে কী পাকিস্তান অথবা কী বিশাল বপু ভারত সবই তুচ্ছ। সবই নগন্য। বরং খরকুটোর মত ভেসে যাওয়ার উপযুক্ত। (সুবহানাল্লাহ) প্রমাণিত হচ্ছে- বাংলাদেশ আয়তনে ছোট অথবা প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকলেও প্রজ্ঞায় এবং পরিচালনায় ভারতের থেকে অনেক এগিয়ে। কারণ ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের উপর রয়েছে খাছ খোদায়ী রহমত। (সুবহানাল্লাহ!) অপরদিকে ৯৭ ভাগ মুসলমানের এদেশের প্রতি মুসলিম সমর্থনও স্বভাবজাত এবং ঐতিহাসিক সত্য। বর্তমান সাইবার যুদ্ধেও বাংলাদেশের পাশে এসে দাড়িয়েছে সউদী আরব, পাকিস্তান, মালয়েশিয়াসহ আফ্রিকার অনেক মুসলিম দেশ। এই ঐতিহাসিক ঘটনা থেকে ভারতের শিক্ষা নেয়া দরকার। যে সে যেন বাংলাদেশকে কখনই ক্ষুদ্র জ্ঞান না করে। অপরদিকে ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশীদেরও চেতনাদীপ্ত হওয়া দরকার। যে ঈমানী বলে বলীয়ান হলে বাংলাদেশ টিপাইমুখী বাঁধ, সীমান্ত হত্যাসহ সব ভারতীয় আগ্রাসনেরই দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে পারবে। বরং ভারতকে নাস্তানুবাদ করে দিতে পারবে। (সুবহানাল্লাহ!) মূলত এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে ইসলামী অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের তা নছীব করুন। (আমীন)
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Tuesday, February 14, 2012
|
| মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।’ আজ যারা ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ পালন করবে তারা ইহুদী-নাছারাদের অনুসরণ করার কারণে কুফরী করবে। কারণ, ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবস’ পালন করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়িয, হারাম ও কুফরী। আর হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে সে ব্যক্তি সে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে অর্থাৎ তার হাশর-নশর তাদের সাথে তথা ইহুদী-নাছারাদের সাথেই হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’র প্রবর্তক হলো- যুদ্ধাপরাধী, দুর্নীতিবাজ, মুসলমান নামধারী মুনাফিক, নীতিভ্রষ্ট এক সাংবাদিক। তাই মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, কাফির, মুনাফিক ও বিধর্মীদের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে; ভ্যালেন্টাইন ডে’সহ সর্বপ্রকার কুফরী ও হারাম প্রথা থেকে বিরত থাকা ও বিরত রাখা।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে বলেন, আজ যারা ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ পালন করবে তারা কুফরী করবে। বাংলাদেশে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ প্রবর্তনের পিছনে রয়েছে পাশ্চাত্য গোলাম, যুদ্ধাপরাধী ও মহাদুর্নীতিবাজ কাফির ও বিধর্মীদের অর্থাৎ ইহুদী ও নাছারাদের একান্ত ফরমাবরদার ও বিশেষ তল্পীবাহক এবং সুবিধাভোগী মুসলমান নামধারী এক মুনাফিক। এটা এদেশের মুসলমানদের মুসলমানিত্ব নির্মূলের গভীর ষড়যন্ত্র। মুসলমানদের জন্য এ গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং তা থেকে বিরত থাকা ও প্রতিহত করা ফরয-ওয়াজিব।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তথাকথিত ভালোবাসা দিবস মূলত নোংরামীর বিস্তারের দিবস। পাশ্চাত্যে ভালোবাসা দিবস প্রচলনের পেছনে ছিলো ব্যবসায়ীদের স্বার্থ। পাশাপাশি এদেশে তা প্রবর্তনের পেছনে আছে ইহুদী ও খ্রিস্টানদের সুদূরপ্রসারী ইসলাম বিরোধী স্বার্থ।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পশ্চিমাদের খাছ গোলাম, মুনাফিক শফিক রেহমান পশ্চিমাদের কাছে আরো প্রিয় এবং এদেশের হুজুগে মাতা বাঙালিদের কাছে একটি তথাকথিত সংস্কৃতির প্রচলনের প্রবক্তা সাজার উদ্দেশ্যে ও তার কাঙ্খিত বাহবা কুড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে তার সাপ্তাহিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার মাধ্যমে তথাকথিত ভালোবাসা দিবসের প্রবর্তন ঘটিয়েছে। তবে শুধু শফিক রেহমানই নয় তার সাথে এর পেছনে সুযোগ-সন্ধানী ইসলামবিদ্বেষী মহলের বিবিধ স্বার্থ কাজ করেছে, করছে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে ঞযব হবি ঊহপুপষড়ঢ়বধফরধ ইৎরঃধহহরপধ ও ঊহপুপষড়ঢ়বফরধ অসবৎরপধহধসহ আরো বহু রেফারেন্স থেকে জানা যায়, “রোমান এক খ্রিস্টান পাদ্রি সেন্ট ভ্যালেন্টাইন। চিকিৎসা বিদ্যায় সে ছিলো অভিজ্ঞ। খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমের সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদ- দেয়া হয়। সে যখন বন্দি ছিলো তখন তরুণ-তরুণীরা তাকে ভালোবাসা জানিয়ে জেলখানায় জানালা দিয়ে চিঠি ছুড়ে দিতো। বন্দি অবস্থাতেই সেন্ট ভ্যালেন্টাইন জেলারের অন্ধ মেয়ের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেয়ার চিকিৎসা করে। মেয়েটির সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে উঠে। মৃত্যুর আগে মেয়েটিকে লেখা এক চিঠিতে সে লিখে যে, “ফ্রম ইউর ভ্যালেন্টাইন।” অনেকের মতে, সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারেই পোপ প্রথম জুলিয়াস ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে’ হিসেবে ঘোষণা দেয়।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্ণিত ইতিহাস দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, তথাকথিত ভালোবাসা দিবস কখনোই এদেশীয় অর্থাৎ বাঙালি সংস্কৃতির অংশ ছিলো না। আর মুসলমানদের সংস্কৃতি তো নয়ই। বরং তা সম্পূর্ণরূপেই বিজাতীয়, বিধর্মীয় তথা পশ্চিমা ইহুদী-নাছারাদের প্রবর্তিত নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বা যা অনুসরণ করা মুসলমানদের জন্য কাট্টা হারাম ও শক্ত কবীরা গুনাহ। এছাড়া তথাকথিত ভালোবাসা দিবসের নামে মূলত চলে বেপর্দা-বেহায়াপনার নির্লজ্জ উৎসব। যাতে ইবলিস শয়তানের ওয়াসওয়াসা থাকে ও নফস বা প্রবৃত্তির উদ্দামতা যুক্ত হয়। যা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক শক্ত কবীরাহ গুনাহ এবং পরকালে এসব কাজের জন্য কঠিন শাস্তি পেতে হবে তথা জাহান্নামে যেতে হবে। এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে সে তাদের দলভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” অর্থাৎ যারা কথিত ভালোবাসা দিবস পালন করবে তাদের হাশর-নশর ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের সাথেই হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- আজ যারা ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ পালন করবে তারা কুফরী করবে, আর তাদের হাশর-নশর ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের সাথেই হবে। কারণ, ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবস’ পালন করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়িয, হারাম ও কুফরী। তাই মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, কাফির ও বিধর্মীদের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে; ভ্যালেন্টাইন ডে’সহ সর্বপ্রকার কুফরী ও হারাম প্রথা থেকে বিরত থাকা ও বিরত রাখা। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
| | |
Recent Comments