নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘রোযা অবস্থায় শরীরের ভিতরে কিছু প্রবেশ করলে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।’

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘রোযা অবস্থায় শরীরের ভিতরে কিছু প্রবেশ করলে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।’
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য ফতওয়া হলো-
‘রোযা অবস্থায় যে কোনো ধরনের ইনজেকশন, স্যালাইন, ইনসুলিন ও ইনহেলার নেয়া হোক না কেন তাতে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।’
‘রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, স্যালাইন, ইনহেলার ও ইনসুলিন নিলে রোযা ভঙ্গ হয় না’- ধর্মব্যবসায়ী আলেম বা উলামায়ে ‘সূ’ ও অজ্ঞ ডাক্তারদের দেয়া এ ফতওয়া সম্পূর্ণরূপে অশুদ্ধ ও বিভ্রান্তিমূলক।
কারণ তাদের ফতওয়া সম্পূর্ণরূপেই মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ।
অতএব, তাদের উক্ত ফতওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়; বরং পরিপূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ঔষধ মূল রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করুক অথবা মূল রাস্তা ব্যতীত অন্য যে কোনো স্থান দিয়েই প্রবেশ করুক না কেন, যদি মগজ অথবা পেটে পৌঁছে, তবে রোযা অবশ্যই ভঙ্গ হয়ে যাবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে ইনজেকশনের দ্বারা প্রবেশকৃত ওষুধ পাকস্থলী ও মগজে পৌঁছে থাকে। আর মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিধান হলো, পাকস্থলী বা মগজে কিছু প্রবেশ করলেই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে; তা যেভাবে এবং যে স্থান দিয়েই প্রবেশ করুক না কেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এর স্বপক্ষে ফিক্বাহ ও ফতওয়ার নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহের অসংখ্য দলীল বিদ্যমান রয়েছে। যেমন, “হেদায়া মা’য়াদ দেরায়া” কিতাব উনার ১ম খণ্ডের ২২০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, “এবং যদি কোনো ব্যক্তি ইনজেকশন নেয়.... তাহলে রোযা ভঙ্গ হবে। কারণ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে রোযা ভঙ্গ হবে।”
“বাহরুর রায়েক” কিতাব উনার ২য় খণ্ডের ২৭৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, “যদি কোনো ব্যক্তি ইনজেকশন নেয়... তাহলে রোযা ভঙ্গ হবে। কারণ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে রোযা ভঙ্গ হবে এবং বের হলে রোযা ভঙ্গ হবে না।”
“ফতওয়ায়ে আলমগীরী” কিতাব উনার ১ম খণ্ডের ২০৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, “এবং যদি কোনো ব্যক্তি ইনজেকশন নেয়..... তাহলে রোযা ভঙ্গ হবে।” অনুরূপ “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবেও উল্লেখ আছে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কম ইলম ও কম সমঝের কারণে কোনো কোনো ধর্মব্যবসায়ী আলেম বা উলামায়ে ‘সূ’ বা ডাক্তার তারা বলে থাকে যে, উল্লিখিত ফিক্বাহর কিতাবসমূহে যে ‘হুকনা’ বা ‘ইহতাক্বানা’ শব্দ উল্লেখ আছে তার অর্থ ইনজেকশন নয়; বরং তার অর্থ হলো ‘ডুশ বা সাপোজিটর’, যা পায়ুপথে দেয়া হয়।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত তাদের উক্ত বক্তব্য চরম অজ্ঞতা, মূর্খতা, প্রতারণা ও গুমরাহীমূলক; যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ সমস্ত আরবী কিতাব ও অভিধানগ্রন্থে ‘হুকনা’ বা ‘ইহতাক্বানা’ শব্দের অর্থ সরাসরি ইনজেকশন বা সিরিঞ্জ বলে উল্লেখ আছে। যেমন, আরবী-উর্দু অভিধান ‘কামুস আল জাদীদ’ গ্রন্থে উল্লেখ আছে, ‘হুকনাতুন- অর্থ ইনজেকশন, সিরিঞ্জ।’ ‘আধুনিক আরবী-বাংলা’ অভিধান গ্রন্থে উল্লেখ আছে, ‘ইহতাক্বানুন’ অর্থ ইনজেকশন এবং সরাসরি ইহতাক্বানা ‘ইনজেকশন নেয়া’ শব্দটিও উল্লেখ রয়েছে। এমনিভাবে সমস্ত লোগাত বা অভিধানগ্রন্থে ‘ইহতাক্বানা’ শব্দের অর্থ ইনজেকশন বলে উল্লেখ রয়েছে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বস্তুত যারা রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নেয়ার পক্ষে বলে, তারা তাদের বক্তব্যের স্বপক্ষে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ থেকে একটি দলীলও পেশ করতে পারবে না। তারা তাদের বক্তব্যের স্বপক্ষে যে সকল দেওবন্দী কিতাবের নাম উল্লেখ করছে, যেমন ইমদাদুল ফতওয়া, আপকে মাসায়িল, আহসানুল ফতওয়া, ফতওয়ায়ে রহিমিয়া, ফতওয়ায়ে মাহমুদিয়া- এসকল কিতাবগুলো দেওবন্দীদের নিজস্ব লেখা; যা সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া তাদের উক্ত কিতাবের অনেক বক্তব্যই বিশ্বখ্যাত ও সর্বজনমান্য কিতাবের বিপরীত। অর্থাৎ যে সমস্ত কিতাব সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য ও অনুসরণীয় এবং বিশ্বখ্যাত সে সমস্ত ফিক্বাহ শরীফ উনার কিতাব, যেমন হিদায়া, বাহরুর রায়িক্ব, ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ফতওয়ায়ে শামী, ফতহুল ক্বাদীর ইত্যাদি সর্বজনমান্য কিতাবের বক্তব্যের বিপরীত হওয়ায় তা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, স্যালাইন, ইনহেলার, ইনসুলিন নেয়া হারাম ও রোযা ভঙ্গের কারণ এবং এর সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার ২১ ও ২২তম সংখ্যায় থানভীর ‘ইমদাদুল ফতওয়ায়’ ইনজেকশন সম্পর্কিত প্রদত্ত ফতওয়াটির ভুল খন্ডন করতঃ বিস্তারিত দলীল-আদিল্লাহ উল্লেখ করা হয়েছে; যা হক্ব তালাশীদের জন্য যথেষ্ট।
-০-

█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ৩রা রমাদ্বান শরীফ- সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতময় দিন।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমার জিসিম মুবারক উনার একখানা টুকরা মুবারক।’
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ৩রা রমাদ্বান শরীফ-
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতময় দিন।
সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয হচ্ছে-
এ উপলক্ষে পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও পবিত্র ওয়াজ শরীফ মাহফিল উনাদের আয়োজন করে উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা করা।

আর সারাবিশ্বের মুসলিম-অমুসলিম সকল সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে-
উনার পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করার পাশাপাশি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস পালনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরা, ত্বইয়িবা, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি বিশ্বের সকল মহিলাগণ উনাদের সাইয়্যিদা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্মানিতা মাতা, তিনি বিনতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উনার সর্বপ্রথম আহলিয়া উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার চারজন বানাত উনাদের একজন। মূলত, তিনি হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতমা। তাই সকল মুসলমানগণ তো অবশ্যই, অমুসলিমদের জন্যও ফরয হচ্ছে- উনাকে মুহব্বত করা, উনার জীবনী মুবারক জানা, উনাকে প্রতিক্ষেত্রে অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয হচ্ছে আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।”

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে যে নিয়ামত মুবারক দান করেন তার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো। আর আমাকে মুহব্বত করো মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত ও সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করার জন্য। আর আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার মুহব্বত ও সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।”

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো উল্লেখ আছে “হযরত মিসওয়ার ইবনে মাখরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত; নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরা, ত্বইয়িবা, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমার দেহ মুবারক উনারই একখানা টুকরা মুবারক। যে উনাকে রাগান্বিত করবে, সে আমাকেই রাগান্বিত করলো।”

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরা, ত্বইয়িবা, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার পরে মাত্র ছয় মাস যমীনে ছিলেন। তিনি হিজরী ১১ সনের পবিত্র ৩রা রমাদ্বান শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি বা সোমবার শরীফ বাদ-আছর পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। আজই হচ্ছে সেই সুমহান বরকতময় পবিত্র ৩রা রমাদ্বান শরীফ। উনার পবিত্র ছলাতুল জানাযা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পড়ান। উনার পবিত্র রওযা শরীফ পবিত্র জান্নাতুল বাক্বীতে অবস্থিত।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো- ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ- বাংলাদেশের মাদরাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে উনার সম্পর্কে কোনো আলোচনাই নেই। তাহলে মুসলমানগণ কী করে উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত জানবে এবং উনাকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করবে? তাই সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ- বাংলাদেশের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাস বা পাঠ্যপুস্তকে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা। মাসব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন করা ও উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
-০-

█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছে শাহরুন আযীম অর্থাৎ মহা সম্মানিত মাস।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ মাস রমাদ্বান শরীফ উনাকে সম্মান করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে পবিত্র জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে নাযাত দিয়ে সম্মানিত করবেন।’ সুবহানাল্লাহ!
মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছে শাহরুন আযীম অর্থাৎ মহা সম্মানিত মাস।
‘যে ব্যক্তি মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে একটি নফল আমল করবে, সে অন্য মাসের একটি ফরয আদায় করার ফযীলত পাবে, আর যে ব্যক্তি একটি ফরয আদায় করবে, সে অন্য মাসে সত্তরটি ফরয আদায় করার ফযীলত লাভ করবে।’ সুবহানাল্লাহ!
যে ব্যক্তি এ মহাপবিত্র মাসে কোনো রোযাদারকে ইফতার করাবে, এটা তার জন্যে গুনাহ মাফ ও দোযখের আগুন হতে নাজাতের কারণস্বরূপ হবে। আর সে রোযাদারের সমান ছওয়াব পাবে, অথচ রোযাদারের ছওয়াবও কম হবে না। সুবহানাল্লাহ!
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার পবিত্রতা রক্ষা ও হক্ব যথাযথ আদায় করত: মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা।

যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার হক্ব ও ফযীলত সম্পর্কে বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র শা’বান মাস উনার শেষ দিন আমাদের নিকট খুতবা মুবারক দিতেন বা ওয়াজ শরীফ করতেন। (উক্ত খুতবা মুবারক-এ) তিনি বলেন, “হে লোক সকল! নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট এক মহান মাস (মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস) উপস্থিত। যে মাসটি অত্যান্ত বরকতময়; এ মাসে এমন একটি মুবারক রাত্র রয়েছে, যা হাজার মাস থেকেও উত্তম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার দিনের বেলায় রোযাকে ফরয করেছেন ও মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রাত্রি বেলায় পবিত্র কিয়ামুল লাইল অর্থাৎ পবিত্র তারাবীহ নামায উনাকে সুন্নত মুবারক করেছেন। অন্য মাসে একটি ফরয আদায় করলে যে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে একটি নফল করলে সে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে। আর অন্য মাসে সত্তরটি ফরয আদায় করলে যে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে একটি ফরয আদায় করলে সে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হলো ছবরের মাস, আর ছবর উনার বিনিময় হলো জান্নাত, এটা সহানুভূতির মাস। এটা এমন মাস, যে মাসে মু’মিনের রিযিক বৃদ্ধি করা হয়। যে ব্যক্তি এ মাসে কোনো রোযাদারকে ইফতার করাবে, এটা তার জন্যে গুনাহ মাফ ও দোযখের আগুন হতে নাজাতের কারণস্বরূপ হবে। আর সে রোযাদারের সমান সাওয়াব পাবে, অথচ রোযাদারের সাওয়াবও কম হবে না। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাদের প্রত্যেকের তো এমন সামর্থ্য নেই, যা দ্বারা আমরা রোযাদারকে ইফতার করাবো। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি এ ছাওয়াব দান করবেন তাকে, যে এক চুমুক দুধ দ্বারা অথবা একটি খেজুর বা খোরমা দ্বারা অথবা এক চুমুক পানি বা সরবত দ্বারা কোনো রোযাদারকে ইফতার করাবে। আর যে ব্যক্তি তৃপ্তি সহকারে রোযাদারকে খাদ্য খাওয়াবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে আমার পবিত্র হাউজে কাওছার হতে পানি পান করাবেন, যার কারণে জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত তার পিপাসা লাগবে না।’ ওটা এমন এক মাস, যে মাসের প্রথম দশদিন “রহমত” দ্বিতীয় দশদিন “মাগফিরাত” আর তৃতীয় দশদিন হচ্ছে জাহান্নাম হতে নাযাত পাওয়ার”। আর যে ব্যক্তি মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মধ্যে তার কর্মচারীর কাজ কমায়ে দিবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে ক্ষমা করবেন ও জাহান্নাম থেকে নাযাত দিবেন।” সুবহানাল্লাহ! (বায়হাক্বী ফি শুয়াবিল ঈমান)

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছে শাহরুন আযীম অর্থাৎ মহা সম্মানিত মাস। এ মাস উনার প্রথম দশ দিন রহমত, দ্বিতীয় দশ দিন মাগফিরাত ও তৃতীয় দশ দিন নাযাতের। প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার পবিত্রতা রক্ষা ও হক্ব যথাযথ আদায় করত: অর্থাৎ নিজে রোযা রেখে, রোযাদারদের ইফতারী করিয়ে, তারাবীহ নামায আদায় করে, শ্রমিকের ডিউটি কমিয়ে দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা।
-০-

█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

সুমহান পবিত্র ২৯শে শা’বান শরীফ- আওলাদে রসূল, হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।

হযরত আবূ যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার দরজা মুবারক ধরে বলেন, “আমি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, সাবধান! আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালামগণ উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস্ সালাম উনার নৌকার মতো। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। আর যে তা হতে পশ্চাতে থাকবে সে ধ্বংস হবে।”
সুমহান পবিত্র ২৯শে শা’বান শরীফ-
আওলাদে রসূল, হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।

তাই সকলের উচিত- আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবসে অত্যন্ত জওক-শওক ও শান-শওকতের সাথে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।
যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত ও নাজাত লাভ করার অন্যতম উসীলা।

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ বেমেছাল রহমত, বরকত ও খুশি প্রকাশের কারণ। তাই সকলের উচিত- উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে অত্যন্ত জওক-শওক ও শান-শওকতের সাথে খুশি প্রকাশ করে রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত ও নাজাতের হিসসা লাভ করা।

লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম, জান্নাতী যুন নূরাইন, শাহী বুশরাদ্বয়, নক্বীবাতুন নিসায়ি, আকরামে রহমানী, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, আওলাদে রসূল, ওলীয়ে মাদারযাদ, হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের মুবারক বিলাদত শরীফ দিবস তথা সুমহান পবিত্র ২৯শে শা’বান শরীফ উপলক্ষে এক ক্বওল শরীফ-এ তিনি এসব কথা বলেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ উনার ১০৭ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শানে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমগ্র সৃষ্টি জগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।” সুবহানাল্লাহ! একইভাবে পবিত্র রিসালত উনার যুগ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তথা আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার পর উনার যাঁরা ক্বায়িম-মাক্বাম ওলীআল্লাহ উনারা সেই রহমত মুবারক উনার হিসসা পেয়ে রহমত মুবারক উনার অধিকারী হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মনোনীত ও মাহবুব বান্দা-বান্দী উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ ও পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস উনাদের মাধ্যমে অনেক মাস, দিন, তারিখ ও বারকে মহাসম্মানিত করেন। যেমন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ ও পবিত্র বিছাল শরীফ উনাদের মাধ্যমে পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনাকে, পবিত্র ১২ই শরীফ তারিখ উনাকে এবং পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম বা সোমবার শরীফ বার উনাকে মহাসম্মানিত করেছেন। সুবহানাল্লাহ! অনুরূপ এ পবিত্র শা’বান মাসটিও অনেক সুমহান ব্যক্তিগণ উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ উনার কারণে মহাসম্মানিত। কারণ এ পবিত্র শা’বান মাস উনার ৫ তারিখ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস। ১৫ই শা’বান সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!

আর সুমহান ২৯শে শা’বান শরীফ হচ্ছে লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম, বেহেশতী মেহমান, ওলীয়ে মাদারযাদ, নারীকুলের মুক্তির দিশারী, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের মহা পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস। যে দিবসগুলো কুল-কায়িনাতের সকলের জন্যই মহান ঈদের বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সুমহান পবিত্র ২৯শে শা’বান শরীফ- আওলাদে রসূল, হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস। তাই সকলের উচিত- আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবসে অত্যন্ত জওক-শওক ও শান-শওকতের সাথে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা। যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত ও নাজাত লাভ করার অন্যতম উসীলা।
-০-

█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র বরাত উনার বরকতময় রাত।
যা মুসলমানদের জন্য দোয়া কবুলের রাত, ক্ষমা বা মাগফিরাতের রাত, তওবা কবুলের রাত, বিপদ-আপদ থেকে নাযাত পাওয়ার রাত এবং এক বছরের হায়াত-মউত ও রিযিকের ফায়ছালার রাত।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা পবিত্র বরাত উনার রাত্র পাবে তখন সারারাত ইবাদত করো এবং পরের দিন রোযা রাখো।”
আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র বরাত উনার বরকতময় রাত।
যা মুসলমানদের জন্য দোয়া কবুলের রাত, ক্ষমা বা মাগফিরাতের রাত, তওবা কবুলের রাত, বিপদ-আপদ থেকে নাযাত পাওয়ার রাত এবং এক বছরের হায়াত-মউত ও রিযিকের ফায়ছালার রাত।

তাই প্রত্যেক পুরুষ-মহিলা, ছেলে-মেয়ে সবার জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, খালিছভাবে তওবা করতঃ সারারাত ইবাদত-বন্দিগী, যিকির-ফিকির ও দোয়া-মুনাজাতে কাটানো এবং পরের দিন রোযা রাখা।
আর বাংলাদেশ সরকারসহ প্রত্যেক মুসলিম ও অমুসলিম সরকারের উচিত ছিলো, পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে কমপক্ষে তিনদিন বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করা। পাশাপাশি পবিত্র শবে বরাত উদযাপনে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ ও সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, মুর্শিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা দুখান শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “লাইলাতুম মুবারাকাহ বা শবে বরাত উনার মধ্যে সকল প্রজ্ঞাময় বিষয়সমূহ ফায়ছালা করা হয়।” আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘এ রাত্রিতে (আগামী এক বছরে) যে সকল আদম সন্তান জন্মগ্রহণ করবে এবং ইন্তিকাল করবে তাদের তালিকা লিপিবদ্ধ করা হয়। বান্দার (এক বছরের) রিযিকের ফায়ছালা করা হয় এবং বান্দার (বিগত এক বছরের) আমলনামা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পেশ করা হয়।’ সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রিতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র রজবুল হারাম উনার প্রথম রাত্র, পবিত্র শাবান শরীফ উনার ১৫ তারিখ রাত্র বা পবিত্র বরাত উনার রাত্র, পবিত্র ক্বদর উনার রাত্র এবং পবিত্র দু’ঈদ উনাদের দু’রাত্র।’ সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, কয়েক শ্রেণীর লোক তারা খালিছ তওবা না করা পর্যন্ত তাদের দোয়া কবুল হবে না বা পবিত্র শবে বরাত নছীব হবে না। যেমন- যাদুকর (জ্যোতিষ, গণক), শরাবখোর, সেটা যে কোন নেশা জাতীয় মাদক দ্রব্যই হোক না কেন, ব্যভিচারী, শরীয়ত উনার কারণ ব্যতীত আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, চোগলখোর (যে একজনের কথা আরেক জনের নিকট বলে বেড়ায়), শরীয়ত উনার কারণ ছাড়াই কোন মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি কথা বন্ধকারী, শরীয়ত উনার কারণ ব্যতীত মুসলমানকে হত্যাকারী, মুশরিক, গায়ক ও বাদক ইত্যাদি।

মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে বেপর্দা, ছবি, গানবাজনা, খেলাধুলা, গণতন্ত্র, ভোট-নির্বাচন, হরতাল, লংমার্চ, সুদ-ঘুষ, হারাম খাওয়া, মিথ্যা বলাসহ ইত্যাদি শরীয়তবিরোধী বা হারাম কাজে মশগুল তারাও এগুলো থেকে খালিছ তওবা না করলে ‘শবে বরাত’ উনার মাগফিরাত, রহমত, বরকত, সাকিনা লাভ করতে পারবে না। কাজেই তাদেরকে অবশ্যই এ রাতে খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। যদি তারা খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে তবে অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন এবং পবিত্র শবে বরাত উনার সকল রহমত, বরকত ও নিয়ামত দান করবেন। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।”
মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র বরাত উনার রাত্রিতে কি কি ইবাদত-বন্দিগী করতে হবে তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে বলেন,
* প্রথমতঃ বাজামায়াত পবিত্র ইশা উনার নামায আদায় করতঃ পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে সংক্ষিপ্ত নছীহত করে তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাত করবে। * অতঃপর দুই দুই রাকায়াত করে ৪ অথবা ৬ অথবা ৮ অথবা ১০ অথবা ১২ রাকায়াত পবিত্র শবে বরাত উনার নামায পড়বে। * অতঃপর ছলাতুত তাসবীহ উনার নামায পড়বে, যার দ্বারা মানুষের সমস্ত গুনাহ-খাতা ক্ষমা হয়। * যিকির-আযকার করবে, যার দ্বারা ক্বলব বা অন্তর ইসলাহ ও ইতমিনান হয়। * পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করবে, যার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার রসুল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জিত হয়। * পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করবে, যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালা উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জিত হয়।
* সম্ভব হলে কবরস্থান যিয়ারত করবে, যার দ্বারা সুন্নত মুবারক আদায় হয়। * তাহাজ্জুদ উনার নামায পড়বে, যা দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য মুবারক হাছিল হয়। * অতঃপর পুনরায় পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে খালিছ ইস্তিগফার ও তওবা করবে, যার মাধ্যমে বান্দা-বান্দীর সমস্ত গুণাহ-খাতা মাফ হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ সন্তুষ্টি মুবারক অর্জিত হয়। অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত উনার বারাকাত, ফুয়ুজাত, নিয়ামত, রহমত, মাগফিরাত ও নাযাত ইত্যাদি হাছিল করা যায়। * আর সর্বশেষ ছুবহে ছাদিকের পূর্বেই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করবে অর্থাৎ আখিরী মুনাজাত করবে। যার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি খুশি হবেন ও উনার নিয়ামত মুবারক লাভ হবে। তবে আখিরী মুনাজাত এতটুকু পূর্বে শেষ করবে যাতে দিনে যারা রোযা রাখবে তারা যেন সাহরী খেতে পারে।

মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র শা’বান মাস উনার রোযার ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র শা’বান মাস উনার মধ্যে তিনটি রোযা রাখবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তার গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ! যদি তিনটি রোযা রাখা সম্ভব না হয় তবে অন্ততঃপক্ষে শবে বরাত উনার পরের দিন অর্থাৎ ১৫ই শাবান অর্থাৎ ইয়াওমুস সাবত বা শনিবার দিনের রোযাটি রাখবে। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি পবিত্র শা’বান মাস উনার পনের তারিখ অর্থাৎ বরাত উনার দিনে রোযা রাখবে, তাকে কখনো জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।” সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র শা’বান মাস উনার ১৫ তারিখ যারা রোযা রাখবে তারা ইফতারীর সময় তিন বার পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করবে। তাহলে তার পূর্বের গুনাহখাতা ক্ষমা করা হবে এবং রিযিকে বরকত দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত অত্যন্ত জওক-শওক এবং মুহব্বত ও খুলুছিয়তের সাথে পবিত্র শবে বরাত পালন করা। মুসলমানগণ যাতে ইতমিনানের সাথে অফুরন্ত নিয়ামতের রাত ‘পবিত্র শবে বরাত’ পালন করতে পারে এবং দিনে রোযা রাখতে পারে সেজন্য বাংলাদেশ সরকারসহ পৃথিবীর সকল মুসলিম অমুসলিম সরকারের উচিত পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে কমপক্ষে তিনদিন ছুটি ঘোষণা করা এবং মুসলমানগণের পবিত্র শবে বরাত পালনে সর্বপ্রকার সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা করা।
-০-

█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

আজ সুমহান বরকতময় ২৭শে রজবুল হারাম। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বাস করা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপন করা সকলের জন্যই ফরয।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার বান্দা (হাবীব) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কোনো এক রাতের সামান্য সময়ে (প্রথমে) বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত, যার আশপাশ বরকতময়; অতঃপর উনার নিদর্শনসমূহ দেখানোর জন্য অর্থাৎ দীদার মুবারক আরশে আযীমে দেয়ার জন্য ভ্রমণ করিয়েছেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।’
আজ সুমহান বরকতময় ২৭শে রজবুল হারাম। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন।
পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বাস করা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপন করা সকলের জন্যই ফরয।

বাংলাদেশসহ প্রত্যেক মুসলিম ও অমুসলিম দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিলো- পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপনে ব্যাপক ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করা।

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “আজ সুমহান বরকতময় ২৭শে রজবুল হারাম। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। পবিত্র মি’রাজ শরীফ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলতসমূহ উনাদের মধ্য হতে একটি বিশেষ ফাযায়িল-ফযীলত; যা বিশ্বাস করা ও যথাযোগ্যভাবে উদযাপন করা প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। আর পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনাকে অস্বীকার ও অবজ্ঞা করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।”
সুমহান বরকতময় ২৭শে রজবুল হারাম অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতময় দিন উনার মর্যাদা, মর্তবা ও গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মি’রাজ শব্দের শব্দগত অর্থ হলো সিঁড়ি। আর এখানে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার অর্থ হচ্ছে ঊর্ধ্বারোহণ। পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার যে পবিত্র সাক্ষাৎ বা দীদার মুবারক হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে উহাই পবিত্র মি’রাজ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আজ সেই পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতময় দিন। তাই প্রত্যেক মুসলমান উনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, এ পবিত্র দিনে রোযা রাখা, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও দোয়া-মুনাজাতের মাহফিল করে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ প্রতিটি মুসলিম দেশের সরকারেরই উচিত ছিলো পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে বাধ্যতামূলক সরকারি ছুটি ঘোষণা করা এবং পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপনে ব্যাপক ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় যে, ৯৭ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকার এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি। নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- আজ সুমহান বরকতময় ২৭শে রজবুল হারাম। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বাস করা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপন করা সকলের জন্যই ফরয। বাংলাদেশসহ প্রত্যেক মুসলিম ও অমুসলিম দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিলো- পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপনে ব্যাপক ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করা।
-০-

█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...