খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘হারাম থেকে হারাম ব্যতীত আর কিছুই সৃষ্টি হয় না।’ অর্থাৎ হারাম থেকে শুধু হারামই সৃষ্টি হয়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়্যিন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘হালাল বিষয়গুলো স্পষ্ট, হারাম বিষয়গুলোও স্পষ্ট।’ আরো ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা জাহান্নামী এবং ক্বিয়ামতের দিন সবচাইতে কঠিন আযাব হবে যারা ছবি তোলে।’ সুতরাং কোনো দেশের জাতীয় আইডি কার্ড প্রস্তুতে জায়িয পদ্ধতি থাকতে ‘ছবি’র মত হারাম বিষয়ের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নাজায়িয ও কুফরী এবং ইহকালে লা’নতগ্রস্ত, পরকালে কঠিন আযাবগ্রস্ত ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ। অতএব, এরূপ হারাম পদ্ধতির অনুসরণ করে কখনোই অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব নয়।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর মধ্যে পাশ্চাত্যের শাসকদের অনুকরণপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যায়। অথচ কাফির-মুশরিকরা ইসলামের সুন্দর রীতিনীতিগুলো অনুসরণ করে। আর মুসলমানরা ইসলামের পরিপূর্ণ জ্ঞানের অভাবে কাফির-মুশরিকদের ভ্রান্ত রীতিনীতি অনুসরণ করতে পছন্দ করে। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম হওয়া একজন শিশুর জন্য এবং বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে যে কোন মানুষ ইমিগ্রেশন ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলে সবাইকে আবেদন করতে হয়, ‘সোশ্যাল সিকিউরিটি’ নম্বরের জন্য। ছবিবিহীন এবং নম্বরযুক্ত একটি কাগজ হচ্ছে সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড। যুক্তরাষ্ট্রের সকল কাজেই এই ‘এসএস’ (সোশ্যাল সিকিউরিটি) নম্বরের প্রয়োজন হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে, হাসপাতালে, ক্রেডিট কার্ড পেতে, চাকরিতে, স্কুলে এমন কোন জায়গা নেই যেখানে ‘এসএস’ নম্বরের প্রয়োজন পড়ে না। উন্নত বিশ্বের সকল নাগরিকের এই ‘এসএস’ নম্বর তো আছেই পাকিস্তানেও এই ‘এসএস’ নম্বরযুক্ত কার্ডের প্রচলন রয়েছে যাকে ‘শনাক্তি কার্ড’ বলে। মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ফিঙ্গার প্রিন্টসহ একটি শনাক্তি নম্বরযুক্ত পরিচয়পত্র দেয়ার ব্যবস্থার আয়োজন করা যেতে পারতো। কিন্তু দুঃখজনক হলো, একটি জায়িয পদ্ধতি থাকতে বর্তমান সরকার ছবি তোলার মত হারাম নাজায়িয বিষয় দিয়ে ভোটার কার্ডের মত আরও একটি হারাম নাজায়িয বিষয় এদেশের ৯৭ ভাগ মুসলমানের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সরকারের উচিত ছবিযুক্ত ভোটার আইডি’র পরিবর্তে এদেশের সকল নাগরিকের শনাক্ত নম্বর এবং ফিঙ্গার প্রিন্টসহ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ করা।
মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইহুদী অধ্যূষিত ইসরাইলের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, গাজা এবং তার পশ্চিম তীরের সঙ্গে ইসরাইলের সীমানা রয়েছে। সেই সীমানাগুলোতে রয়েছে বিশেষ দরজা যা দিয়ে অনুমতিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনী নাগরিকরা আসা-যাওয়া করে। অনুমতিপ্রাপ্ত যে সকল লোক এ দরজা দিয়ে আসা-যাওয়া করে তাদের প্রত্যেকের রয়েছে ‘স্মার্ট কার্ড’। আর এই ‘স্মার্ট কার্ড’-এ থাকে প্রতি মানুষের হাতের জ্যামিতিসহ ফিঙ্গার প্রিন্ট। এছাড়াও ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবের ‘বিন গেরিয়ন এয়ারপোট’ এ যাত্রীদের দ্রুত চেক শেষ করার জন্যে রয়েছে একটি আধুনিক পদ্ধতি। এতেও হাতের জ্যামিতি এবং ফিঙ্গার প্রিন্ট ব্যবহার করা হয়। এই ‘স্মার্ট কার্ড’ দিয়ে মাত্র দশ সেকেন্ডে পরীক্ষা শেষ করে একজন যাত্রী পার হয়ে যেতে পারেন।
মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইহুদী-খ্রিস্টান-মুশরিক তথা বিধর্মীরা পৃথিবীর সমস্ত মুসলমান দেশগুলোতে ছবির ব্যবহার, ক্যামেরার ব্যবহার, সিসিটিভি’র ব্যবহার চালু করেছে। অথচ তারাই তাদের প্রয়োজনে ফিঙ্গার প্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে যাচ্ছে। যে ইহুদীরা ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য তাদের সীমান্তের গেইটগুলোতে হাতের জ্যামিতি এবং ফিঙ্গার প্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করছে অথচ মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ উনাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। অথচ সেখানে নিরাপত্তার নামে সউদী সরকার অসংখ্য সিসিটিভি স্থাপন করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার, সউদী সরকারসহ সকল মুসলমান দেশের শাসক এবং নাগরিকদের এ বিষয় থেকে নছীহত হাছিল করা উচিত এবং যেখানে প্রয়োজন হবে সেখানে ছবির পরিবর্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি চালু করা উচিত। মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- কোনো দেশের জাতীয় আইডি কার্ড প্রস্তুতে জায়িয পদ্ধতি থাকতে ‘ছবি’র মত হারাম বিষয়ের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নাজায়িয ও কুফরী এবং ইহকালে লা’নতগ্রস্ত, পরকালে কঠিন আযাবগ্রস্ত ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ। অতএব, এরূপ হারাম পদ্ধতির অনুসরণ করে কখনোই অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব নয়। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Monday, September 17, 2012
|
|
যিনি খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি নিশ্চয়ই সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক-এর উপর অধিষ্ঠিত রয়েছেন। অর্থাৎ আপনি নিশ্চয়ই সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক-এর অধিকারী।’ এখন আমেরিকা ও ইসরাইলের দায়িত্ব কর্তব্য হলো- কুখ্যাত ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করা ও প্রদর্শনী বন্ধ করা এবং এর পরিচালক স্যাম বাসিলকে মৃত্যুদ- দেয়ার সর্বপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অন্যথায় সব মুসলিম দেশকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যাতে উক্ত চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় ও প্রদর্শনী বন্ধ করা হয়। এবং এ চলচ্চিত্রে পৃষ্ঠপোষকতার কারণে আমেরিকাসহ সমমনা সব দেশসমূহের সাথে সব রকমের কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করতে হবে এবং তাদেরকে বয়কট করতে হবে ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ সরকারের উচিত আরো তীব্র ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা। আমেরিকান ও ইসরাইলী পণ্য বর্জন করা এবং আমেরিকার সাথে সব ধরনের চুক্তি বাতিল করা।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেছেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকর কোনো বিষয়ই কোনো মুসলমানের পক্ষে শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে বরদাশত করা সম্ভব নয়। কাজেই আমেরিকায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে আপত্তিকর দৃশ্য সম্বলিত সিনেমা প্রকাশ করার প্রেক্ষিতে পৃথিবীর প্রায় সোয়া তিনশ কোটি মুসলমানের জন্য ফরজ-ওয়াজিব তা প্রতিহত করা এবং সব মুসলিম দেশের উচিত তথা ফরয আমেরিকাসহ সমমনা সব দেশসমূহের সাথে সব রকমের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা এবং জোর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো এবং সম্পৃক্ত দোষী ব্যক্তিদের মৃত্যুদ-ের জন্য শক্ত চাপ সৃষ্টি করা।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইহুদীদের অর্থায়নে নির্মিত চলচ্চিত্রের কুখ্যাত পরিচালক স্যাম বাসিল তার কথিত চলচ্চিত্রে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তথা ইসলাম ধর্মকে সন্ত্রাসবাদের প্রেরণাদাতা হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছে এবং চারিত্রিক মিথ্যা অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করেছে (নাউযুবিল্লাহ)। কিন্তু তার এ মানসিকতা ও বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও চরম দুরভিসন্ধিমূলক। একমাত্র মৃত্যুদ-ই তার সঠিক বিচার হতে পারে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন ‘খুলুক্বীন আযীম’ তথা সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক-এর অধিকারী। যেখানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ঘাম, ইস্তিঞ্জা ও রক্ত মুবারক ছিলো সুঘ্রাণযুক্ত ও পবিত্র থেকে পবিত্রতম। তাছাড়া উনার ক্ষমা, উদারতা, দয়া ইত্যাদি কোনো কিছুরই তুলনা নেই। উনার সুমহান আদেশ-নির্দেশ মুবারক-এর মধ্যে বিধর্মীদের প্রতি উদারতা, দয়া প্রদর্শনই প্রস্ফুটিত হয়েছে। যেমন মক্কা বিজয়ের সময় মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একান্তভাবে হাতের মুঠোয় পেয়েও সারাজীবন উনাকে মহা যন্ত্রণাদানকারী, উনাকে অনবরত শহীদ করার চেষ্টাকারী, উনার বিরুদ্ধে অপবাদ রটনাকারী সারাক্ষণ ষড়যন্ত্রকারী লক্ষ লক্ষ কাফিরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এরূপ ক্ষমার উদাহরণ দ্বিতীয়টি আর নেই। সেখানে উনার সুমহান চরিত্র মুবারক নিয়ে অপবাদ দেয়া ইহুদী-খ্রিষ্টানদের পরিকল্পিত চরম ধৃষ্টতার শামিল।
আর ইসলামের জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্ববাসী জেনে আসছে, স্বীকার করে আসছে যে, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম শব্দের অর্থই শান্তি। আর কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য। আমাদের দ্বীন আমাদের জন্য।” “ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নেই।” হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। অতীতের অনেক জাতি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করার কারণে ধ্বংস হয়েছে।” এজন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখনো অন্য ধর্মের উপর বাড়াবাড়ি করার অনুমতি দেননি।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আপনার রব যদি চাইতেন তবে পৃথিবীর সব মানুষকে মুসলমান করে দিতে পারতেন।” এ আয়াত শরীফও যার যার ধর্ম পালনের পক্ষে বিরাট দলীল। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইসলামের ইতিহাসে রয়েছে, দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে এক খ্রিস্টান বৃদ্ধকে ভিক্ষা করতে দেখে তাকে কাছে ডাকলেন। জানলেন তার খোঁজ-খবর নেয়ার কেউ নেই। সাথে সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট দায়িত্ববানকে ফরমান লিখলেন, সাবধান! এই লোকটিকে যদি তার যৌবনে আমরা খাটিয়ে থাকি অর্থাৎ আমাদের খিদমত করেছে আর এখন বৃদ্ধ অবস্থায় ভিক্ষা করাই তবে তা জুলুম হবে। তখন তিনি খ্রিস্টান ব্যক্তির জন্য মাসিক ভাতা ঠিক করে দিলেন। (সুবহানাল্লাহ) শুধু তাই নয় খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম তিনি আরো বলেছেন, ‘ফোরাতের তীরে একটা কুকুরও যদি না খেয়ে মারা যায় তবে আমি হযরত উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম উনাকে তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। (সুবহানাল্লাহ) কত সুন্দর ইসলাম। কিন্তু সে ইসলামকে ক্যান্সারের সাথে তুলনা করে পৃথিবীর সর্বকালের সর্ববৃহৎ অপবাদ ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একজন খলীফার যখন এই ছিল আদর্শ, তাহলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দয়া, দান, ইহসান কতটুকু ছিল সেটা চিন্তা ফিকিরের বাইরে। সুবহানাল্লাহ! তাহলে কী করে উনার উপর মিথ্যা অপবাদ দেয়া যেতে পারে। নাউযুবিল্লাহ! সুতরাং সব মুসলিম দেশের উচিত ইহুদী-খ্রিষ্টানদের প্রত্যক্ষ মদদে নির্মিত এ চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করে চলচ্চিত্রের কুখ্যাত পরিচালক স্যাম বাসিলকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও এ কুখ্যাত চলচ্চিত্র তৈরিতে মদদ দেয়ার কারণে আমেরিকাসহ সমমনা সব দেশের সাথে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা এবং জোর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো গোটা মুসলিম বিশ্বের উচিৎ আমেরিকাকে বয়কট করা। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Saturday, September 15, 2012
|
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যেই হজ্জ ও উমরাহ আদায় করো।’ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই সকল আমল কবুল করেন না, যা খালিছভাবে উনার জন্য করা হয় না।’ হজ্জ, উমরাহ ও রওজা শরীফ যিয়ারত প্রত্যেকটাই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে করতে হবে। কেননা গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে করলে কোনো আমলই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে কবুল হয় না। ছবি তুলে ও বেপর্দা হয়ে হজ্জ করা গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ করারই নামান্তর।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যাদের উপর হজ্জ ফরয তাদেরকে অবশ্যই হজ্জ করতে হবে। হজ্জ ফরয হওয়ার পরও যদি কেউ গাফলতি করে হজ্জ না করে, তবে সে ঈমানহারা হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “যাদের পথ ও ঈমান-আমল-এর নিরাপত্তা ও আর্থিক সঙ্গতি রয়েছে তাদের উপর আল্লাহ পাক উনার জন্য হজ্জ করা ফরয।” আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খুতবায় আমাদেরকে বলেন, “হে মানুষেরা! তোমাদের উপর হজ্জকে ফরয করা হয়েছে। সুতরাং তোমরা হজ্জ আদায় কর।” (মুসলিম শরীফ)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আখিরী যামানার অনেকেই গাইরুল্লাহর জন্য হজ্জ করবে। যেমন কেউ হজ্জ করবে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে, কেউ হজ্জ করবে তিজারত বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে আবার কেউ হজ্জ করবে খয়রাত বা চাঁদা তোলার উদ্দেশ্যে। আবার কেউবা হজ্জ করবে নাম-ধাম বা খ্যাতি লাভ করার উদ্দেশ্যে। অথচ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ-এ শুধুমাত্র খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হজ্জ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “তোমরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যেই হজ্জ ও উমরাহ আদায় করো।” খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ করেন, “যাদের পথ ও ঈমান-আমলের নিরাপত্তা ও আর্থিক সঙ্গতি রয়েছে তাদের উপর খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য হজ্জ করা ফরয।” হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন: “যে ব্যক্তি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হজ্জ করবে এবং হজ্জের সময় কোনো প্রকার অশ্লীল-অশালীন ও ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কাজ করবে না; সে গুনাহ থেকে এরূপ পবিত্র হয়ে প্রত্যাবর্তন করবে যেন সে সদ্যপ্রসূত সন্তান।” সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলতঃ খুলুছিয়ত বা ইখলাছ না থাকার কারণে বা গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ করার কারণেই অনেকে শরীয়তসম্মতভাবে হজ্জ করতে পারে না অর্থাৎ হজ্জের সময়ও তারা শরীয়তবিরোধী কাজে মশগুল হয়ে থাকে। যেমন প্রথমতঃ ছবি তোলা, অথচ হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, ক্বিয়ামতের দিন ওই ব্যক্তি সবচেয়ে কঠিন শাস্তি পাবে যে ব্যক্তি ছবি তোলে বা তোলায়। শরীয়তের ফতওয়া হচ্ছে যে, প্রাণীর ছবি তোলা, তোলানো, আঁকা, আঁকানো ইত্যাদি সবই হারাম ও কবীরা গুনাহ। যারা তোলে বা তোলায় তারা চরম ফাসিক। অর্থাৎ ছবি তোলা হচ্ছে ফাসিকী কাজ। যারা হজ্জে ফাসিকী কাজ করে তাহলে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফদ্বয়ের নির্দেশ মুতাবেক তাদের হজ্জ কি করে হজ্জে মাবরুর বা কবুল হজ্জ হতে পারে এবং তা কি করে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য হতে পারে?
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, দ্বিতীয়তঃ বেপর্দা হওয়া, অথচ কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ পর্দা করার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যেমন হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে দেখে ও দেখায় উভয়ের প্রতি খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, “দাইয়্যূছ অর্থাৎ যে নিজে পর্দা করে না এবং অধীনস্থদেরকে পর্দায় রাখে না; সে কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” তাই এ ব্যাপারে সকলেই একমত যে, বেপর্দা হওয়া কঠিন কবীরা গুনাহ ও ফাসিকী কাজ। আর ফাসিক ব্যক্তির হজ্জ কি করে মকবুল হজ্জ হতে পারে?
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যদি খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যেই হজ্জ করতে হয়, তবে হজ্জের সময় কোনো প্রকার হারাম কাজ করা যাবে না বা হারাম কাজ করে হজ্জ করা যাবে না। এটা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ। এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “যাদের উপর হজ্জ ফরয হবে বা যারা হজ্জ করবে তারা হজ্জের সময় কোনো প্রকার অশ্লীল-অশালীন ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কোনো কাজ করবে না এবং কোনো প্রকার ঝগড়া-ফ্যাসাদ করবে না।” এ আয়াত শরীফ দ্বারা মূলত এটাই বুঝানো হয়েছে যে, যারা হজ্জ করবে তারা হজ্জের সময় বেপর্দা ও ছবি তোলাসহ সর্বপ্রকার হারাম কাজ থেকে বিরত থাকবে। আরো বুঝানো হয়েছে যে, যদি কেউ হজ্জের সময় বেপর্দা হওয়া ও ছবি তোলাসহ অন্যান্য হারাম কাজে মশগুল হয় তবে তার হজ্জ হজ্জে মাবরুর হবে না।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- হজ্জ, উমরাহ ও রওজা শরীফ যিয়ারত প্রত্যেকটাই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এবং শরীয়তসম্মতভাবে করতে হবে। গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে করলে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে তা কবুল হয় না। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Sunday, September 09, 2012
|
|
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা আহযাব’-এর ৩০ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন, ‘হে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলিয়াগণ অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য নারীদের মতো নন।’ আজ বেমেছাল সুমহান ফযীলতযুক্ত ২১শে শাওওয়াল শরীফ। উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ বা নিকাহ মুবারক দিবস। ছয় বৎসর বয়স মুবারকে উনার আক্বদ বা নিকাহ সম্পন্ন হয়। যা বাল্যবিবাহ হিসেবে সাব্যস্ত। আর একারণেই বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। তাই সকল মুসলমান মহিলাদের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে- প্রতি ক্ষেত্রে উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা। অনুরূপভাবে বর্তমানে যে মহিলা উনাকে উত্তমভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করেন উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা।
যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি একদিকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছাহাবী। আরেকদিকে তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহাল তথা হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সর্বোপরি তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রা আহলিয়া। এ প্রসঙ্গে খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মু’মিনদের নিকট তাঁদের জানের চেয়ে প্রিয়। আর উনার পবিত্রা আযওয়াজ বা আহলিয়া আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হলেন তাঁদের (মু’মিনগণ উনাদের) মাতা।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক-এ ইরশাদ করেন- “হে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলিয়াগণ অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য নারীদের মতো নন।” (সূরা আহ্যাব : আয়াত শরীফ ৩২) .... হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি (আয়াত শরীফ-এর ব্যাখ্যায়) বলেন, আপনাদের মর্যাদা, মর্তবা, ফাযায়িল, ফযীলত অন্যান্য সতী-সাধ্বী মহিলাগণ উনাদের মতো নয়। বরং আপনাদের সম্মান-মর্যাদা, ফাযায়িল-ফযীলত, আমার নিকটে অধিক ও অনেক ঊর্ধ্বে। এ আয়াত শরীফ-এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সমস্ত মহিলাগণ উনাদের উপরে আপনাদের অধিক মর্যাদা, মর্তবা, ফাযায়িল, ফযীলত রয়েছে।” (অনুরূপভাবে তাফসীরে খাযিন ৫ম খণ্ডের ২৫৭ পৃষ্ঠা, তাফসীরে বাগবী ৫ম খণ্ডের ২৫৭ পৃষ্ঠা, তাফসীরে মাদারিকুত তানযীল ৩য় খণ্ডের ৪৬৫ পৃষ্ঠা এবং অন্যান্য সকল নির্ভরযোগ্য তাফসীর গ্রন্থে আলোচনা রয়েছে।)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে ইরশাদ করেন, “তোমরা দ্বীনি ইলম হুমায়রা অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে গ্রহণ করবে।” সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অন্য হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত হয়েছে- হযরত আবু মুসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ফযীলত অন্যান্য মহিলাদের উপর এত বেশি যেমন খাদ্য বা তরকারির মধ্যে লবণের ফযীলত বা শ্রেষ্ঠত্ব।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, কানযুল উম্মাল, মিশকাত)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ আরো বর্ণিত হয়েছে, “হযরত মুসলিম আল বাত্বীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি জান্নাতে আমার আহলিয়া হিসেবে থাকবেন।” সুবহানাল্লাহ! (ইবনে সা’দ, কান্যুল উম্মাল)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফক্বীহ, সবচেয়ে বেশি জানা ব্যক্তি এবং আম জনতার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর মতামতের অধিকারিণী।” সুবহানাল্লাহ! (আল মুসতাদরিক-৪/১১)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার শাদী মুবারক হয় স্বয়ং খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে ৬ বৎসর বয়স মুবারকে শাদী মুবারক করেন এবং ৯ বৎসর বয়স মুবারকে ঘরে তুলে নেন। উনার নিকাহ মুবারকে ৫০০ দিরহাম দেন মোহর ধার্য করা হয়। উনার সেই পবিত্র নিকাহ মুবারক সম্পন্ন হয়েছিল পবিত্র শাওওয়াল মাসের ২১ তারিখ। তাই এই মুবারক দিনটি কুল কায়িনাতের জন্য বিশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা ও নাযাতের কারণ। পাশাপাশি ঈদ বা খুশি প্রকাশের দিন। এ মুবারক দিন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে মাহফিলের আয়োজন করে উনার বরকতময় সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করে ইবরত নছীহত হাছিল করা সকলের জন্যই ফরয-ওয়াজিব।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মাধমেই বাল্যবিবাহকে সুন্নত হিসেবে সাব্যস্ত করেন। কারণ উনার আক্বদ বা নিকাহ মুবারক সম্পন্ন হয়েছে ৬ বৎসর বয়স মুবারকে। মূলত, পবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফকে “বাল্যবিবাহ দিবস” হিসেবেও আখ্যায়িত করা যায়। তাই ইসলামী শরীয়তের ফতওয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা, বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
মুজাদ্দিদে আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা আলাইহিস সালাম বলেন, ব্রিটিশ সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবেই মেয়েদের বিয়ে বসা বা বিয়ে দেয়ার জন্য কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আইন বা শর্ত করে দেয় এবং ১৮ বছর বয়সের নিচে কোন মেয়েকে বিয়ে দেয়া, বিয়ে করা বা কোন মেয়ের জন্য বিয়ে বসা দ-নীয় অপরাধ বলে সাব্যস্ত করে। (নাঊযুবিল্লাহ)। যা সম্পূর্ণরূপে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর খিলাফ।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহিলারা কিভাবে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করবে, তারা কোন বিষয়ে কিভাবে ইলম অর্জন করবে, কি আমল করবে, কেমন পর্দা করে চলবে, কি ধরনের পোশাক পরিধান করবে, তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য কি ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ের আদর্শ রেখে গেছেন উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম। তাই প্রত্যেক মুসলমান মহিলার জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে- প্রতি ক্ষেত্রে উম্মুল মুমিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা। অনুরূপভাবে বর্তমানে যে মহিলা উনাকে উত্তমভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করেন উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা। কেননা উনারা হচ্ছেন মহিলাদের মধ্যে নায়িবে রসূল এবং উলিল আমর। এ প্রসঙ্গে খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “হে ঈমানদার (পুরুষ-মহিলা) তোমরা খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল এবং উলিল আমরগণ উনাদেরকে অনুসরণ কর।” তবেই সকলের পক্ষে খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দী হাছিল করা তথা নাজাত পাওয়া সম্ভব। কেননা হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে যাকে মুহব্বত ও অনুসরণ করবে তার সাথেই তার হাশর-নশর হবে।” অর্থাৎ সে তাদেরই দলভুক্ত বলে গণ্য হবে। সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূল কথা হলো- প্রত্যেক মুসলমান মহিলার জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে- প্রতি ক্ষেত্রে হযরত উম্মুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম ও হযরত আহলে বাইত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা। অনুরূপভাবে বর্তমানে যে মহিলা উনাদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করেন উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা। পক্ষান্তরে কোন ফাসিক, ফুজ্জার, বেপর্দা-বেহায়া, বেশরা মহিলা এবং কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন মহিলাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা হারাম ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ। নাউযুবিল্লাহ! -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Tuesday, September 04, 2012
|
|
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা ফাতিহা’-এ ইরশাদ করেন, ‘(তোমরা দোয়া করো) আয় বারে ইলাহী! আমাদেরকে সরল পথ দান করুন। উনাদের পথ দান করুন; যাঁদেরকে নিয়ামত দিয়েছেন। আর যারা গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত তাদের পথ দিবেন না।’ প্রকৃতপক্ষে উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের সূরা ফাতিহা-এর ইলমও নেই। তাই তারা ইসলামের নামে বিধর্মীদের দ্বারা প্রবর্তিত গণতন্ত্র, ভোট-নির্বাচন, হরতাল, লংমার্চ করছে, ব্লাসফেমী আইন চাচ্ছে, মৌলবাদ দাবি করছে। অথচ সূরা ফাতিহাতেই রয়েছে যে, মুসলমানদের জন্য বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ ও অনুকরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী। তাই উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসীর ভালো করে পড়া ও ফিকির করা এবং সে অনুযায়ী আমল করা।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আ’ইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানারা সমগ্র কুরআন শরীফ তো অবশ্যই এমনকি প্রতিনিয়ত পঠিত সূরা- সূরা ফাতিহা সম্পর্কেও তারা চরম অজ্ঞ। আর তাই সূরা ফাতিহা নিয়ে তাদের ফিকিরও নেই। এদের প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ‘তারা কি কুরআন শরীফ সম্পর্কে গভীর ফিকির করে না? নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে?’
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিষয়বস্তুর আঙ্গিকে, গুরুত্বের বিচারে ‘সূরা ফাতিহা’ এক অনন্য মযার্দাসম্পন্ন সূরা। কুরআন শরীফ আরম্ভ হয়েছে ‘সূরা ফাতিহা’ দ্বারা। অবতরণের দিক দিয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এটি সমগ্র কুরআন শরীফ-এর সংক্ষিপ্ত সারমর্ম। কুরআন শরীফ-এর অবশিষ্ট সূরাগুলো মূলতঃ ‘সূরা ফাতিহারই’ বিস্তৃত ব্যাখ্যা। গুমরাহীর পথ ছেড়ে সিরাতুল মুস্তাক্বীমের পথে পরিচালিত হওয়াই সমগ্র কুরআন শরীফ-এর মূল কথা। আর ‘সূরা ফাতিহাতে’ সে বিষয়টিই দোয়ারূপে সন্নিবেশিত করা হয়েছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণরূপে। আর তাই সূরা ফাতিহাকে বলা হয় উম্মুল কুরআন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কুরআন শরীফ-এর সর্বাধিক পঠিত সূরা হিসেবে সে দোয়া সারা মুসলিম জাহান উচ্চারণ করছেন প্রতিনিয়ত, অহরহ- “আমাদেরকে সরল পথ দান করুন, সে সমস্ত ব্যক্তিত্ব উনাদের পথ দান করুন; যাঁদেরকে নিয়ামত দান করেছেন। তাদের পথ নয়, যারা গযবপ্রাপ্ত, বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নিয়ামতপ্রাপ্ত ও গযবপ্রাপ্তদের বর্ণনা কিন্তু কুরআন শরীফ-এই রয়ে গেছে। যাঁদেরকে নিয়ামত দেয়া হয়েছে, উনাদের প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, যাঁদের প্রতি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অনুগ্রহ করেছেন, উনারা হচ্ছেন- নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালেহ। আর গযব প্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত বলতে খাছ করে ইহুদী-নাছারাদেরকেই বলা হয়েছে। আর সাধারণভাবে সমস্ত বিধর্মীদেরকে বলা হয়েছে। সুতরাং ইহুদী-নাছারাদের পথ পরিহার করে নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালিহীনগণ উনাদের পথে পরিচালিত হওয়াই ‘সূরা ফাতিহা’-এর কথা। অর্থাৎ কুরআন শরীফ-এর শিক্ষা।
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উম্মাহকে এই আদর্শের আলোকে পথ চলার উদ্দীপনা জাগানোর দায়িত্ব নীতিগতভাবে বর্তায় আলিম সমাজের উপর। কিন্তু যুগপৎভাবে আশ্চর্যজনক এবং দুঃখজনক হলেও সত্য যে, তথাকথিত আলিম সমাজ সে অনিবার্য কাজটিতে কেবল ব্যর্থই হচ্ছে না, সাথে সাথে তারা বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট হচ্ছে এবং নিজেরাও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মসজিদে সূরা ফাতিহা আওড়িয়ে, দোয়া কুনূত পড়ে, মঞ্চে উঠে তারাই তার খিলাফ করছে। নিয়ামত প্রাপ্তদের পথ চাইলেও তারা অনুসরণ করছে গযব প্রাপ্তদের পথ। অর্থাৎ ইসলামের নামে ইহুদী-নাছারাদের প্রবর্তিত গণতন্ত্র, নির্বাচন-ভোট করছে, ব্লাসফেমী আইন চাচ্ছে, মৌলবাদ দাবী করছে। কাট্টা মুশরিক-হিন্দু পাপাত্মা গান্ধীর হরতাল করছে, নাস্তিক মাওসেতুং-এর লংমার্চ করছে। যারা কিনা সন্দেহাতীতরূপে গুমরাহ, গযব প্রাপ্ত এবং বিভ্রান্ত। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত তাদের অন্তরে সত্যিই তালা লেগে গেছে, মহর পড়ে গেছে। সুতরাং সত্যের খাতিরে, কুরআন শরীফ-এর নির্দেশে, সূরা ফাতিহার শিক্ষায় আমাদেরকে অন্তরে মহর বিশিষ্ট এসব নামধারী উলামাদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে এবং উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী উনাদের সংস্পর্শে আসতে হবে। উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী উনাদের ছোহবতে আসলেই কুরআন শরীফ নিয়ে ফিকির করার মানসিকতা তথা সূরা ফাতিহা মূল্যায়ন করার ক্ষমতা আমাদের অর্জিত হবে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের সূরা ফাতিহা-এর ইলমও নেই। তাই তারা ইসলামের নামে বিধর্মীদের দ্বারা প্রবর্তিত গণতন্ত্র, ভোট-নির্বাচন, হরতাল, লংমার্চ করছে, ব্লাসফেমী আইন চাচ্ছে, মৌলবাদ দাবি করছে। অথচ সূরা ফাতিহাতেই রয়েছে যে, মুসলমানদের জন্য বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ ও অনুকরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী। তাই উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসীর ভালো করে পড়া ও ফিকির করা এবং সে অনুযায়ী আমল করা। -০-
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Friday, August 10, 2012
|
|
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা নেকী ও পরহিযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানির মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করোনা।’ সঠিক স্থানে যাকাত দেয়া ফরয এবং যাকাত কবুল হওয়ার কারণ। যাকাত দেয়ার উত্তম স্থান হলো- ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’। ইসলামের নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী, সন্ত্রাসবাদী, মৌলবাদী উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসায় যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না। কারণ এদেরকে যাকাত দেয়ার অর্থ হলো- সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ ও কুফরী মতবাদ বিস্তারে সাহায্য সহযোগিতা করা; যা শরীয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণই হারাম ও কুফরী।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইসলামে গণতন্ত্র, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ হারাম। ইসলামের নামে ব্যবসা করা হারাম। ইসলামের নামে গণতান্ত্রিক দল করা হারাম। ইসলামের নামে নির্বাচন করা হারাম। ইসলামের নামে ভোট চাওয়া হারাম। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ মাদরাসাগুলোই হচ্ছে জামাতী, ওহাবী, খারিজী মতাদর্শের তথা সন্ত্রাসী তৈরির সূতিকাগার। ইসলামের দোহাই দিয়ে, ইসলামের নামে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক স্বার্থ ও প্রতিপত্তি হাছিলের প্রকল্প। ইসলামের নামে নির্বাচন করার ও ভোটের রাজনীতি করার পাঠশালা- যা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যাকাতের টাকা কোথায় দেয়া হচ্ছে তা দেখে দিতে হবে। জামাতী, খারিজী, ওহাবী ও সন্ত্রাসবাদী-মৌলবাদী তথা ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, জামাতী, ওহাবী সন্ত্রাসীদের মাদরাসায় যাকাত দিলে তাতে বদ আক্বীদা ও বদ আমলের প্রচারে সহায়তা করা হবে। সন্ত্রাসী, জামাতী ও ধর্মব্যবসায়ী তৈরিতে ও কুফরী মতবাদ প্রচারে সাহায্য করা হবে। তাতে লক্ষ-কোটি কবীরা গুনাহে গুনাহগার হতে হবে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসায় যাকাত না দেয়া মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ তথা সন্তুষ্টির কারণ। কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ নির্দেশ করেন, “তোমরা পাপকাজে পরস্পরকে সাহায্য করো না।”
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে কেউ একটা বদকাজের সূচনা করলো যতজন তাতে শরীক হলো তাদের সবার গুনাহ যে বদকাজের সূচনা করবে তার উপর গিয়ে পড়বে।” অন্য হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “পৃথিবীর পূর্বপ্রান্তে যদি একটা বদকাজ হয় পশ্চিমপ্রান্ত থেকে কেউ তা সমর্থন করে তবে সেও সমান গুনাহে গুনাহগার হবে।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পত্রিকার রিপোর্টে পাওয়া যায়, জামাতী, খারিজীরা তাদের নিয়ন্ত্রিত মাদরাসায় সংগৃহীত যাকাতের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আয় করে। যা মূলতঃ তাদের বদ আক্বীদা ও বদ আমল তথা সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মব্যবসার কাজেই ব্যয়িত হয়।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে অনেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যজনিত কারণে বা কর্তৃত্ব বা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে যাকাত দেয়। তাহলে তাদের নিয়ত বিশুদ্ধ হবে না এবং যাকাতও আদায় হবে না।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সূরা তওবার মধ্যে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি যাকাতের খাতসমূহ উল্লেখ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “যাকাত- ফকির, মিসকিন ও যাকাত আদায়কারী কর্মচারীদের জন্য, যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা প্রয়োজন তাদের জন্য অর্থাৎ নও মুসলিম, দাস মুক্তির জন্য, ঋণে জর্জরিত ব্যক্তিদের ঋণমুক্তির জন্য, মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদকারী এবং মুসাফিরদের জন্য। এটা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্ধারিত বিধান এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।” (সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ৬০)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমাদের হানাফী মাযহাবের ইমাম ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদকৃত ৮টি খাত বা শ্রেণীর যে কোন এক শ্রেণীর লোককে যাকাত দিলেই যাকাত আদায় হয়ে যাবে। তবে অবশ্যই উল্লিখিত ৮ শ্রেণীর লোকের আক্বীদা বিশুদ্ধ থাকতে হবে এবং ইসলামের নামে রাজনীতি, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদও বোমাবাজিসহ সর্বপ্রকার হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। উল্লেখ্য, খাইরুল কুরুনের মধ্যে খলীফাগণ উনাদের খিলাফতকালে যাকাতের অর্থ ‘বাইতুল মাল’ নামক ফান্ডে জমা হতো। সেখান থেকে খলীফাগণ উনারা যাকাতের হক্বদারদের মধ্যে যাকাতের মাল সুষম বণ্টন করে দিতেন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে যেহেতু দেশে খিলাফত কায়িম নেই। যাকাত বায়তুল মালেও জমা দেয়া হচ্ছে না এবং কুরআন শরীফ-এ উল্লিখিত সর্বপ্রকার খাতও পাওয়া যাচ্ছে না। আর অনেক যাকাতদাতার গরিব আত্মীয়-স্বজন ও গরিব প্রতিবেশী রয়েছে এবং অনেক মাদরাসা রয়েছে যেখানে ইয়াতীমখানাও রয়েছে। তাই যাকাত দেয়ার সহজ ও উত্তম পদ্ধতি হলো- যাকাতের মালকে তিনভাগ করে একভাগ গরিব আত্মীয়-স্বজন, একভাগ গরিব প্রতিবেশী ও একভাগ মাদরাসার ইয়াতীমখানায় প্রদান করা। আর যদি গরিব আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশী না থাকে তবে সবটাই হক্বপন্থিদের মাদরাসার ইয়াতীমখানায় দেয়া আফযল ও উত্তম। এ সম্পর্কে আফযালুল আউলিয়া, কাইয়্যূমে আউয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, যাকাত-ফিতরা ইত্যাদি সর্ব প্রকার দান-ছদকা অন্যান্য খাতে না দিয়ে কোন হক্বপন্ধিদের মাদরাসার ইয়াতীম গরিব ছাত্রদেরকে দান করলে অন্যান্য খাতের চেয়ে লক্ষগুণ ছওয়াব বেশি হবে। সুবহানাল্লাহ! কারণ, উহাতে তাদের ইলমে দ্বীন অর্জনে সহায়তা করা হয়।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ¬তাই বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, যাকাত দেয়ার সর্বোত্তম স্থান হচ্ছে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতিম খানা। কারণ ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’-এর অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হচ্ছে এই যে, একমাত্র অত্র প্রতিষ্ঠানেই ইলমে ফিক্বাহর পাশাপাশি ইলমে তাছাউফ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যা শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ শরয়ী পর্দার সাথে বালক ও বালিকাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বালক শাখার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও আমীলগণ প্রত্যেকেই পুরুষ এবং বালিকা শাখার শিক্ষিক, কর্মকর্তা ও আমীলগণ প্রত্যেকেই মহিলা।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা- ইসলামের নামে অনৈসলামিক কর্মকা- যেমন, ইসলামের নামে দলাদলি, ভোট, নির্বাচন, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ, বোমাবাজী, হরতাল, লংমার্চ, কুশপুত্তলিকা দাহ ইত্যাদি হারাম ও কুফরীমূলক কাজের সাথে এবং এ ধরনের কোন প্রকার অবাঞ্ছিত সংগঠন বা দলের সাথে সম্পৃক্ত নয়। বরং এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন আমল এবং মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত সব কিছুই সুন্নতের অলঙ্কারে অলঙ্কৃত। সর্বোপরি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা ভিত্তিক কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা এবং ক্বিয়াস-এর আলোকে ইলম শিক্ষা দেয়া হয় যার উদ্দেশ্য হচ্ছে বাস্তব জীবনে সুন্নতে নববীর আদর্শ প্রতিষ্ঠা তথা সঠিক ইসলাম কায়িমের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি বা রেযামন্দী হাছিল করা। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি ‘গরিব এবং ইয়াতীমদের’ শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘ইয়াতীমখানা এবং লিল্লাহ বোডিং’। সুতরাং আপনার যাকাত, উশর, ফিতরা, কাফফারা, মান্নত, দান ছদকা, কুরবানীর চামড়া বা তার মূল্য অত্র প্রতিষ্ঠানের লিল্লাহ বোডিংয়ে দান করাই হবে অধিক ফযীলতের কারণ অর্থাৎ হাক্বীক্বী ছদক্বায়ে জারিয়াহ।
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Saturday, July 14, 2012
|
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ উপস্থাপন করো।’ হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বা প্রচার করে বেড়ায়।’ সাহরী, ইফতার ও নামাযের সময়সূচি প্রকাশ ও প্রচার করার সময় পূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা ফরয-ওয়াজিব। সাহরী ও ইফতারির সঠিক সময় জানতে ‘গবেষণা কেন্দ্র- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’ থেকে প্রকাশিত ক্যালেন্ডারটি সংগ্রহ ও অনুসরণ করুন।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং উলামায়ে ‘সূ’দের অপব্যাখ্যার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ ইসলামের সঠিক শিক্ষা এবং তা পালন থেকে অনেক দূরে। ৯৭ ভাগ মুসলমানের এ দেশটিতে ইসলাম একটি আনুষ্ঠানিকতা সর্বস্ব বিষয় হিসেবে রূপ লাভ করেছে। শরীয়ত মুতাবিক পালিত না হয়ে অনেক বিষয় লৌকিকতা সর্বস্ব সংস্কৃতির মধ্যে প্রবেশ করেছে। সে কারণেই রমাদ্বান শরীফ-এর রোযার ফরয-ওয়াজিব ভুলে গিয়ে মানুষ ইফতার পার্টির আনন্দে মেতে উঠে। ইফতারের আয়োজনে নারী-পুরুষের সমাগম হয় পর্দার গুরুত্ব উপেক্ষা করে। দোয়া কবুলের ঈদের রাতটিকে ভুলে গিয়ে মানুষ শরীয়ত বর্হিভূত আনন্দ আর বেহায়াপনায় মেতে উঠে। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, রোযার পূর্বেই শুরু হয় পত্রিকাগুলোতে ঈদ ফ্যাশনের কাভারেজ। অসংখ্য অশ্লীল ছবিতে ভরে যেতে থাকে পত্রিকাগুলো। মিডিয়াগুলো ব্যস্ত হয়ে উঠে খেল-তামাশা প্রচারে। রমাদ্বানের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে (অনেকটা বাণিজ্যিক কারণে) পত্রিকাগুলো সৌজন্যমূলক রমাদ্বানের শুভেচ্ছা জানায় আর প্রকাশ করে সাহরী-ইফতারের একটি সময়সূচি। সাহরী-ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করতে গিয়ে পত্রিকাগুলো ধর্মীয় দায়িত্ববোধের চেয়ে লৌকিকতা সর্বস্ব সাংস্কৃতিক দায়িত্ববোধ দ্বারা বেশি তাড়িত থাকে। ফলে তাদের প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করে রোযাদারের রোযা হবে কি হবে না সে ব্যাপারে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আরও একটি কারণ হলো- তারা তথ্য সূত্রে কোনোভাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নাম যোগ করতে পারলেই ভাবে সব দায়িত্ব শেষ। অথচ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নামাযের সয়মসূচিও কিন্তু ত্রুটিমুক্ত নয়। আর ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)’র নামাযের সময়সূচি ছাড়া অন্যান্য তথ্য সূত্র থেকে যারা সাহরী-ইফতারের সময়সূচি তৈরি করেন তাদের আরও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, অনেক ক্যালেন্ডারেই কয়েকটি জেলার সময়সূচির পার্থক্য ঢাকার সঙ্গে যতটুকু হওয়া উচিত তার চেয়ে ভিন্নভাবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। আবার অনেক দৈনিক পত্রিকায় যে সময়সূচি প্রকাশ করা হয়ে থাকে তার একটির সঙ্গে অন্যটির কোনো মিল থাকে না।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এছাড়াও কয়েকটি তথাকথিত মাদরাসা থেকে প্রকাশিত সাহরী ও ইফতারের সময়সূচিতে বড় রকমের ভুল পরিলক্ষিত হয়। উলামায়ে ‘সূ’দের অজ্ঞতার কারণে ‘মাছি মারা কেরানী’র মতো অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে এ ভুলের জন্ম দিয়ে থাকে। এর মধ্যে নানান একাডেমী এবং নানান কমিটির প্রকাশিত সময়সূচি উল্লেখযোগ্য।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আজকাল যদিও বিভিন্ন কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে নামাযের সময়সূচি নির্ণয় করা যায় তথাপি সফটওয়্যারের সময়সূচি নির্ধারণেও অনেকগুলো বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখতে হয়। যেমন- ১। প্রভাত এবং সন্ধ্যার আলোর যথাক্রমে শুরু এবং শেষ (Twilight angle of sunrise and sunset) ২। ঐ স্থানের সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা। ৩। ঐ স্থানের কেন্দ্র থেকে কতটা দূরত্বের সময়সুচি নির্ণয় করতে হবে। ৪। কোন মাযহাব অনুযায়ী নির্ণয় করতে হবে। ৫। সূর্যাস্তের (Apparent sunset) সময়ের সাথে সতর্কতামূলক সময় যোগ। ৬। অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশের সঠিক ব্যবহার ইত্যাদি।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উপরের বিষয়গুলোর জন্য সঠিক মান ব্যবহৃত না হলে সময়সূচিতে ভুল হয়ে যাবে। এছাড়াও মনে রাখা প্রয়োজন, সূর্যের চতুর্দিকে পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে সারা বছরের বিভিন্ন মাসেই ঢাকার সাথে অন্যান্য জেলার সময়ের কিছু পার্থক্য ঘটে। প্রতিমাসের জন্য এই পার্থক্য এক রকম নয়। সুতরাং, এ বছর যেহেতু জুলাই মাসে রমাদ্বান শরীফ শুরু হবে সুতরাং জুলাই মাসের সময়ের পার্থক্যের মধ্য থেকে দু’টো মান নির্ধারণ করতে হয়, একটি সাহরীর সর্বনিম্ন পার্থক্যের মান আর ইফতারের জন্য সর্বোচ্চ পার্থক্যের মান। সাবধানতার জন্য ঢাকার সাহরীর সময়ের সাথে সর্বনিম্ন পার্থক্যের মান যোগ করে অন্য জেলার সাহরীর সময় নির্ধারণ করতে হয় আর ইফতারের সময়ের জন্য ঢাকার ইফতারের সময়ের সাথে সর্বোচ্চ পার্থক্যের মান যোগ করে অন্য জেলার ইফতারের সময়সূচি নির্ণয় করতে হয়। আর যে সকল জেলার সময় নির্ধারণে ঢাকার সময় থেকে বিয়োগ দিতে হয় সেখানে বিপরীত ব্যবস্থা নেয়া হয়।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, কোনো পত্রিকা বা মাদরাসা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামাযের এবং সাহরী ও ইফতারের সময়সূচিতে এ সাবধানতা অবলম্বন করা হয় না। ফলে, বিভিন্ন সময়সূচিতে বিভিন্ন রকম সময়ের উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, যাদের হাতের কাছে যে সময়সূচি পাওয়া যায় তারই কপি করে প্রকাশ করে। ফলে যেখানে যা ভুল থাকে তারই পুনঃমুদ্রণ ঘটে। অথচ ফরয আমলের বিষয় সম্পর্কে ইলম হাছিল করাও ফরয। সুতরাং এ বিষয়টি প্রকাশনার সময় যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। একটি জেলার জন্য যদি কয়েকটি ক্যালেন্ডারে কয়েক রকমের সময়ের পার্থক্য পাওয়া যায় তাহলে সাধারণ মানুষ কোনটি অনুসরণ করবে। সমূহ পত্রিকা এবং মাদরাসা প্রতিষ্ঠান যারাই নামাযের সময়সূচি বা সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করুক তাদের উচিত হবে এ বিষয়ে যাঁরা অভিজ্ঞ উনাদের স্মরণাপন্ন হওয়া। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য সূত্র ব্যবহার করে পার পাওয়া যাবে না; যেহেতু ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিজেই ত্রুটিযুক্ত।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নামাযের সময়সূচি বা ইফতারের সঠিক সময়সূচি নিরূপণ করাটা কঠিন। কিন্তু যতটা সম্ভব সঠিক করার চেষ্টা করতে হবে। অতঃপর অনিচ্ছায় ভুল হলে মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করবেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্তরের খবর রাখেন। কিন্তু যারা লোক দেখানো ইসলামের সেবা করে তাদের দ্বারা এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা বৃথা। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি সকলকে গবেষণা কেন্দ্র- “মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ” থেকে প্রকাশিত সাহরী ও ইফতারীর নির্ভুল সময়সূচি সম্বলিত ক্যালেন্ডারটি সংরক্ষণ ও অনুসরণ করার তাগিদ দেন।
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
| |
Recent Comments