পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার ফযীলত পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি (মহান আল্লাহ পাক) আপনার আলোচনা ও মর্যাদা-মর্তবা মুবারক সমুন্নত ও বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪)
স্বয়ং খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার আলোচনা, মর্যাদা মুবারক সমুন্নত ও বুলন্দ করেছেন উনার আলোচনা, মর্যাদা, মুহব্বত উম্মতদেরকে কতটুকু ধারণ করতে হবে? বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনাদের অন্তরে এই বরকতময়, ফযীলতপূর্ণ আলোচনা বুলন্দ করতে হলে বা জারি করতে হলে পাঠ্যপুস্তকে খুব সুচারুরূপে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার আলোচনা, ফাযায়েল-ফযীলত ফুটিয়ে তুলার বিকল্প নেই। এর মধ্যেই রয়ে গেছে মুসলমানদের দুনিয়া ও পরকালের সফলতা।
সুতরাং ৯৮ ভাগ মুসলমানের পাঠ্যপুস্তক থেকে নাস্তিক্যবাদী ও হিন্দুয়ানীয় বিষয়সমূহ সম্পূর্ণরূপে উঠিয়ে দিয়ে এর পরিবর্তে মুসলমানদের জন্য অবশ্য পালনীয় ও অত্যাধিক ফযীলতপূর্ণ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কিত আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌
-মুহম্মদ ইবরাহীম সোহেল।© আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী অর্থাৎ মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: সবচাইতে মহান, বড় ও সম্মানিত এই দিনের জন্য আপনি কি প্রস্তুত?

সেই ছোটবেলা থেকেই একটি বাক্য প্রায়ই পড়তে হতো- ‘সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।’ তাইতো বিশ্বের সকল মানুষের মতো আমি, আপনি আমরা সকলেই অনেক ব্যস্ত। আমাদের নিজেদের জীবনকে শাইন করার জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, সন্তানের জন্যই মূলত আমাদের এত ব্যস্ততা। আমাদের এই ব্যক্তিকেন্দ্রিক ব্যস্ততা এতইবেশি যে আমরা আমাদের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থেকেই বিচ্যুত হয়ে গেছি। কারন মহান আল্লাহ পাক তিনি হলেন আমাদের খালিক্ব মালিক রব। আর তিনি এ সমস্ত কায়িনাত তথা আমাদের সকলকে ও সবকিছু সৃষ্টি করেছেন উনারই সম্মানিত ও প্রিয় হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য, উনার মুহব্বতে। সুবহানাল্লাহ!
তাই আমাদের মনে রাখা উচিত- আমরা যতই ব্যস্ত হই না কেন- আমাদের এই জ্বলজ্বলে চক্ষু একদিন বন্ধ হয়ে যাবে, আমাদের এই পরিবার, সম্পত্তি সবকিছু ছেড়ে আলাদা হয়ে যেতে হবে। তাই আমাদের সবারই উচিত- কর্মব্যস্ত এই চলমান জীবন থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় বের করা- যাতে করে আমরা আমাদের খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত ও প্রিয় হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য, উনার মুহব্বতে সেই সময় ব্যয় করতে পারি।
আর শাহরুল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস ও উনার পবিত্র ১২ শরীফ তারিখ হলো সর্বোচ্চ সম্মানিত মাস ও দিন। তাই আমাদের সকলেরই উচিত পবিত্র এই মাস ও দিন উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম তাকরীম করা, মুহব্বত করা ও খিদমতের আনজাম দেয়ার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া। এটা আমাদের ঈমানের দাবি, মুসলমানিত্বের দাবি।
█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌
-হামদ-ই-রাব্বি। © আল ইহসান.নেট | al-ihsan.net
Read more ...