by Admin
|
posted: Thursday, December 22, 2011
|
‘আত তাক্বউইমুশ শামসি’ সৌর ক্যালেন্ডার পৃথিবীর কোনো ক্যালেন্ডারের অনুকরণে তৈরি না করে বরং খাছ খোদায়ী মদদে ইলহাম, ইলকার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এই সৌর ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন এবং নামকরণ করেছেন খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, হুজ্জাতুল ইসলাম, মুজাদ্দিদ আ’যমে ছানী, আওলাদে রসূল, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
রোমান ক্যালেন্ডারে ৪টি মাস ছিল ৩১ দিনে, ৭টি মাস ছিল ২৯ দিনে, ১টি মাস ছিল ২৮ দিনে। এভাবে বছর ছিল ৩৫৫ দিনে। পরে তারা ২২ অথবা ২৩ দিনের একটি নতুন মাস প্রত্যেক দ্বিতীয় বছর যোগ করতো। এই মাসটিকে বলা হতো মার্সিডোনিয়াস। কিন্তু জুলিয়াস সিজার (ঈসায়ী পূর্ব ৪৫ সাল) এই রোমান ক্যালেন্ডারকে কিছুটা সংশোধন করে, তখন ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা (৩৬৫.২৫) হিসেবে সৌর বৎসর গণনা করা হতো। মাস গণনা করা হতো ৩০ অথবা ৩১ দিনে আর ৬ ঘণ্টার হিসাব মেলাবার জন্য চার বছর পরপর ৩৬৬ দিনে বছর গণনা করা হতো।
আমরা জানি ২০ অথবা ২১শে মার্চে দিন রাত্রি সমান হয়। জুলিয়ান ক্যালেন্ডার যেহেতু ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা হিসেবে ধরা হতো অর্থাৎ প্রকৃত সৌর বৎসর (৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট, ৪৬ সেকেন্ড) এর চেয়ে ১১ মিনিট বেশি ছিল। ফলে দেখা গেলো ১৫ শতকে এসে ২১শে মার্চের পরিবর্তে ১১ মার্চ দিন-রাত্রি সমান হচ্ছে। ফলে এই ১০ দিনের সংশোধন করে ৫ অক্টোবর, শুক্রবার ১৫৮২ সালের পরিবর্তে ১৫ অক্টোবর ১৫৮২ সাল হিসেবে পরিবর্তন আনা হয়। বর্তমান গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের বাৎসরিক বিচ্যুতি প্রায় ২৭ সেকেন্ড। অথচ আত-তাক্বউইমুশ শামসি ক্যালেন্ডারের বাৎসরিক বিচ্যুতি ০.২ সেকেন্ডেরও কম।
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Wednesday, December 21, 2011
|
‘আত তাক্বউইমুশ শামসি’ সৌর ক্যালেন্ডার পৃথিবীর কোনো ক্যালেন্ডারের অনুকরণে তৈরি না করে; বরং খাছ খোদায়ী মদদে ইলহাম, ইলকার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এই সৌর ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন এবং নামকরণ করেছেন খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, হুজ্জাতুল ইসলাম, মুজাদ্দিদ আ’যমে ছানী, আওলাদে রসূল, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম।
‘আত-তাক্বউইমুশ শামসি’ এই ক্যালেন্ডারের গণনা পদ্ধতি খুব সহজ। প্রতিটি বেজোড়তম মাস যেমন ১, ৩, ৫,৭, ৯, ১১ হবে ৩০ দিনের এবং জোড়তম মাস যেমন ২, ৪, ৬, ৮, ১০ হবে ৩১ দিনে। ব্যতিক্রম হবে ১২তম মাস; এটি জোড়তম মাস হলেও ৩০ দিনে গণনা করতে হবে; তবে ৪ বছর পরপর ১২তম মাস ৩১ দিনে হবে। তবে ১২৮ বছর পর পর ৩১ দিনে হবে না। বছরের শেষ দিন পরিবর্তন হওয়াতে সমস্যা সৃষ্টি হয় না। কেননা নতুন বছর শুরু হয়ে যায়।
কিন্তু গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের কোনো মাস কত দিনে এটা মনে রাখতে কবিতা নতুবা হাতের কব্জি ব্যবহারের ঘটনা কারো অজানা নয়। এছাড়াও ফেব্রুয়ারি মাস হচ্ছে এই ক্যালেন্ডারের দ্বিতীয় মাস অথচ এই দ্বিতীয় মাসটিতে লিপইয়ার সংঘটিত হয়, ফলে বাকি ১০টি মাসই ১ দিন পিছিয়ে যায়। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Tuesday, December 20, 2011
|
‘আত তাক্বউইমুশ শামসি’ সৌর ক্যালেন্ডার পৃথিবীর কোনো ক্যালেন্ডারের অনুকরণে তৈরি না করে বরং খাছ খোদায়ী মদদে ইলহাম, ইলকার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এই সৌর ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন এবং নামকরণ করেছেন খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম।
আজকের প্রচলিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এসেছে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে। আর জুলিয়ান ক্যালেন্ডার এসেছে রোমান ক্যালেন্ডার থেকে। রোমানদের জীবন ছিল কুসংস্কারে ভরা। তারা দেব-দেবীর উপাসনা করতো, ফলে তাদের ক্যালেন্ডারে অনেক মাসের নাম; অনেক দিনের নাম রেখেছিলো দেব-দেবীর নামে যা আজো চলে আসছে। তারা জোড় সংখ্যাকে অশুভ মনে করতো ফলে মাস গণনা করতো ২৯ দিনে অথবা ৩১ দিনে। সেই রোমান ক্যালেন্ডারকে কিছুটা সংশোধন করে রোমান স¤্রাট জুলিয়াস সিজারের স্মরণে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার নাম রাখা হয়েছিলো। পরবর্তীতে এই ক্যালেন্ডারের ত্রুটির কারণে আবারো সংশোধন করা হয়।
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের নামকরণ করা হয়েছিলো চরিত্রহীন খ্রিস্টান যাজক পোপ গ্রেগরির নামে। অথচ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসি’ কালেন্ডার রচনা করা হয়েছে মূলত নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্মরণে। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্মরণ মূলত মহান আল্লাহ পাক উনারই স্মরণ।
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক বিছাল শরীফ-এর তারিখ ১১ হিজরী, ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ, সোমবার শরীফ।
জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এ তারিখ ৮ই জুন, ৬৩২ ঈসায়ী এবং গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ১১ই জুন ৬৩২ ঈসায়ী। কিন্তু ‘আত তাক্বউমুশ শামসি’ ক্যালেন্ডার শুরু হয়েছে ১১ হিজরী সনের রবীউল আউয়াল মাসের পহেলা তারিখ থেকে (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ৩১ মে, ৬৩২ ঈসায়ী) যা কিনা এই ক্যালেন্ডারের ০ বছর ১ মাস ১ম দিন। ফলে ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসি ক্যালেন্ডারের ০ বছরের ১ম মাসের ১২ তারিখ হচ্ছে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ-এর তারিখ। (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ১১ই জুন ৬৩২)
সুতরাং যে ক্যালেন্ডার রচনার উদ্দেশ্য মূলত মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের স্মরণ সেই ক্যালেন্ডারই ব্যবহার করতে হবে আর কাফিরদের স্মরণে রচিত বাকি সব ক্যালেন্ডারের ব্যবহার বর্জন করা অপরিহার্য হয়ে পড়বে। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Monday, December 19, 2011
|
আরবীতে ‘তাক্বউইম’ অর্থ ক্যালেন্ডার আর শামস অর্থ হচ্ছে সূর্য আর দু’য়ে মিলে হয়েছে, “আত তাক্বউইমুশ শামসি”। অনেকের ধারণা মুসলমানগণ শুধু হিজরী ক্যালেন্ডার বা চাঁদের ক্যালেন্ডারই ব্যবহার করবে, সৌর ক্যালেন্ডার নয়। আসলে তা নয়। মুসলমানগণের দৈনন্দিন আমলসমূহ চাঁদের সাথে সাথে সূর্যের সাথেও জড়িত। যেমন ওয়াক্ত অনুযায়ী নামায পড়া বা মাকরূহ ওয়াক্তে নামায না পড়া ইত্যাদি। আর সে কারণে সৌর ক্যালেন্ডারেরও প্রয়োজন রয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- ‘গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার’ নামে তো একটি সৌর ক্যালেন্ডার রয়েছে তারপরেও কেন প্রয়োজন নতুন একটি সৌর ক্যালেন্ডারের?
এর উত্তর অনেক দীর্ঘ এবং গভীর। মুসলমানগণের জন্য যে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয় তার বেশ কিছু কারণ আমরা দৈনিক আল ইহসান শরীফ থেকে জেনেছি। সময়মতো আরো প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। যাই হোক আমরা ফিরে আসছি এ ক্যালেন্ডারের নাম এবং রচনার ব্যাপারে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “তোমরা কাফির, মুশরিক তথা ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকদেরকে অনুসরণ করো না।” এছাড়াও হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুসরণ করবে সে ব্যক্তি তাদেরই দলভুক্ত বলে গণ্য হবে।”
আর সে কারণেই যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক দোয়া এবং পৃষ্ঠপোষকতায় উনার খাছ আওলাদ, আওলাদে রসূল, কুতুবুল আলম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সঙ্গে গভীর নিছবতের কারণে এই মুবারক ক্যালেন্ডার রচনা করেন। এই ক্যালেন্ডার রচনার মূল উদ্দেশ্য মুসলমানগণ যেন কাফিরদের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ না করে বরং এই মুবারক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে কুরআন শরীফ এবং হাদীছ শরীফ-এর পূর্ণ অনুসরণ করতে পারেন
এই সৌর ক্যালেন্ডার পৃথিবীর কোনো ক্যালেন্ডারের অনুকরণে তৈরি না করে বরং খাছ খোদায়ী মদদে ইলহাম, ইলকার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এই সৌর ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন এবং নামকরণ করেছেন খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Friday, December 16, 2011
|
সব প্রশংসা খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম।
আজ ২০ মুহররমুল হারাম/১৪৩৩ হিজরী, ২রা পৌষ/১৪১৮ ফসলী সন, শুক্রবার ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এদেশের আকাশে ৪০ বছর পূর্বের এদিনটিতে প্রথম উঠেছিলো এক স্বাধীন, সমুজ্জ্বল, অত্যুজ্জ্বল অন্যরকম সূর্য। ১৯৭১-এর এদিনে যে সূর্যের উদয় হয়েছিলো তা ছিলো বাঙালির বিজয়ের সূর্য। এদিন তাই এ ভূ-খ-ের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ইতিহাসের মহান গৌরবময় দিন।
পঁচিশে মার্চ ভয়াল রাত্রিতে শুরু হওয়া পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যাযজ্ঞ আর নৃশংসতার দীর্ঘ ৯টি মাসে রক্তস্নাত পথ পাড়ি দিয়ে ত্রিশ লক্ষ শহীদ আর চার-পাঁচ লাখ নির্যাতিতা মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিলো অমূল্য এই স্বাধীনতা।
১৯৭১ সালের এই দিনে পৌষেরই এক পড়ন্ত বিকেলে স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিলো বীর বাঙালি। ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রস্তুত হয়েছিলো মঞ্চ। পাশের ঢাকা ক্লাব থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আনা হয়েছিলো একটি টেবিল ও দুটি চেয়ার। পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক জোন-বি এবং ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজির নেতৃত্বে ৯১ হাজার ৫৪৯ জন পাকি সেনা ভারতীয় বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল জ্যাকবের তৈরি করা আত্মসমর্পণ দলীলে বিকেল চারটা ৩১ মিনিটে সই করে।
১৯৭১ সালের এই দিনে অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী এবং ভারতীয় বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে পাকিস্তান বাহিনী দালিলিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এই দিন থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। অনেক রক্ত, অনেক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
তাই আনন্দ উৎসব এবং শোক-শ্রদ্ধার এক অভূতপূর্ব সম্মিলনে দেশের সর্বত্রই আজ পালিত হবে ৪০তম বিজয় দিবস, মুক্তযুদ্ধে বিজয়ের ৪০তম বার্ষিকী। তবে আনন্দঘন এই দিনেও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বুকের ভেতর থামেনি রক্তক্ষরণ। স্বজন হত্যার বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে আজ তারা অনেকটাই ক্লান্ত। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি। গণহত্যার জন্য ক্ষমা চায়নি পাকিস্তান। বেঁচে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীন দেশে এখনো অবহেলিত, অপমানিত। অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীরা প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে, মন্ত্রী হয়েছে। গেল নির্বাচনেও মনোনয়ন পেয়েছিলো ২৫ যুদ্ধাপরাধী।
বলাবাহুল্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যে গোষ্ঠী নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছিলো তাদের যথোপযুক্ত বিচার না হওয়ার কারণে আমাদের সামজিক জীবনে ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে এক রাশ স্বপ্ন বুকে নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিলো। সাড়ে তিন দশকেরও অধিক সময় পাড়ি দেয়ার পর এ স্বপ্ন কতটা পূরণ হয়েছে আজ সেই হিসাব নেয়ার দিন।
স্মর্তব্য, ৪০ বছর একটি রাষ্ট্রের পরিপূর্ণতার বছর। বাংলাদেশকে এখন কোনোক্রমেই আর শিশু রাষ্ট্র বলা যায় না।
অতএব, আজ আমাদের অনুভবে অন্তরের অন্তঃস্থিত প্রগাঢ় প্রশ্নের জোরদার বহিঃপ্রকাশ দরকার যে, আমাদের রক্তের, গর্বের মাতৃভূমি-
কেন এখনো বিশ্বের অনুন্নত দেশের সারিতে?
কেন এখনো অমিত সম্ভাবনার দেশ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পরও দেশের অন্তত এক-চতুর্থাংশ মানুষের দিনে দু’বেলা পেট ভরে খাওয়া জোটে না?
কেন হাজার হাজার কোটি টাকার সাহায্যের পরও সিডরে, আইলা ক্ষতিগ্রস্তদের এখনো ঘরবাড়ি হলো না?
কেন খোদ রাজধানীর ফুটপাথে শুয়ে থাকে লাখ লাখ লোক। কেন কেবল রাজধানীতেই ৬০ লাখ লাঞ্ছিত বস্তিবাসীর বাস?
কেন স্বাধীনতা উত্তর ‘তলাবিহীন ঝুড়ির’ তকমার পর আজও
চাল সিন্ডিকেট, তেল সিন্ডিকেট
চিনি সিন্ডিকেট, বহাল তবিয়তে থাকে?
কেন এদেশে ক্ষমতাসীনরা হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করতে পারে?
কীভাবে স্বাধীন দেশে রাজাকাররা মন্ত্রীর পতাকা গাড়িতে উড়িয়ে ঘুরতে পারে, সংসদে যেতে পারে?
কেন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে বিবৃত ‘দেশকে স্বাধীন করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ’ বলার পরও ‘মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি ও চেতনা’ যে ছিলো ‘ইসলাম’ সে কথা প্রতিফলিত হয় না?
কেন আজ ইসলামের নামে ঘৃণিত রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের কেনার হাট বসাতে পারে?
কেন আজ রাজাকার জামাতীরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন প্রলোভনে প্ররোচিত করতে পারে?
তাই একথা আজ সর্বত্র বিস্তার করা দরকার যে, স্বাধীন বাংলাদেশে রাজাকাররা স্বাধীনতার বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত স্বাধীনতার কোনো সুফল পেতে পারে না।
মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা সংশ্লিষ্ট কোনো সমাবেশই কেবল নয় বরং কোনো ধরনের কোনো সমাবেশের অনুমোদন তারা পেতে পারে না।
পাশাপাশি আমরা বলব ইসলামের আঙ্গিকেই স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের সমাধান হওয়া দরকার। হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “পৃথিবীর পূর্বপ্রান্তে যে কেউ একটা বদ কাজ করলো পশ্চিম প্রাপ্ত থেকে যে কেউ তা সমর্থন করলো তার সমান গুনাহ তার হবে।” আমরা তাই শুধু কথিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সন্তুষ্ট নই। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থনকারী সব রাজাকার তথা গোটা জামাতে মুওদুদী এবং তাদের আদর্শে বিশ্বাসী ও সমর্থনকারী সব শিবির কর্মী এবং তাবৎ ধর্মব্যবসায়ীদেরও যথাযোগ্য বিচার চাই।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমেরিকার মতো একটি খ্রিস্টান দেশ থেকে যদি তাদের দেশবিরোধী ঘাতকদের উৎখাত করা হতে পারে, তবে তা ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশে হতে পারবে না কেন? ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ১৭৮২ সালে যেসব আমেরিকাবাসী ব্রিটেনের পক্ষ নিয়েছিলো স্বাধীনতার পর তাদের প্রত্যেককে আমেরিকা থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো।
আমাদের দেশের রাজাকারদের মতো ওদেরকে বলা হত ‘লয়েলিস্ট’। আমেরিকায় যদি কোনো ‘লয়েলিস্ট’ না থাকতে পারে, তবে আমাদের দেশে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো মতেই কোনো রাজাকার থাকতে পারে না। সঙ্গতকারণেই আমরা স্পষ্ট ও বুলন্দ আওয়াজ এবং তীব্র উচ্চারণ করছি, ‘রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ চাই; ইসলামে রাজাকারের ঠাঁই নেই।’
বলাবাহুল্য, এসব অনুভূতি জাগরুক ও জোরদারের জন্য প্রয়োজন নেক ছোহবত, নেক সংস্পর্শ তথা রূহানী ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ।
যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই তা প্রাপ্তি সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত নছীব করুন। (আমীন)
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
by Admin
|
posted: Thursday, December 15, 2011
|
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত
তরীক্বত, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, আওলাদে রসূল ঢাকা রাজারবাগ শরীফ-এর
ইমাম সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সুযোগ্য আওলাদ
ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা, খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুজুর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার
এক অনবদ্য যুগান্তকারী তাজদীদ “আত-তাক্বউইমুশ শামসি” অর্থাৎ সৌর বৎসর ক্যালেন্ডার।
█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © বিস্তারিত পড়ুন এখানে | “আত-তাক্বউইমুশ শামসি”.
by Admin
|
posted: Tuesday, December 06, 2011
|
ছল্লু আলা-শুহাদায়ে কারবালা
ছল্লু আলা-শুহাদায়ে কারবালা ॥
হাবীবুল্লাহর লখতে জিগার,
ইমাম হুসাইন, নূরে নূরাইন
শহীদে মহান ॥
হক্ব প্রকাশে, বাতিল বিনাশে,
হাবীবী শানে, সম্মুখ পানে
হলেন আগুয়ান ॥
খোদার পেয়ারা, নববী সিতারা,
সুন্নাহ নিয়তে, দীপ্ত শপথে
রহেন বলীয়ান ॥
নূরানী জালওয়ায়, মাদানী পতাকায়,
জান্নাতী তবকায়, হাবীবী ইশারায়
সদা অনির্বাণ ॥
আহাল পরিজন, কতই যে আপন,
রসূল নূরী ধন, দেহ তনুমন
করেন কুরবান ॥
করলো কি সীমারে, ফোরাতের তীরে,
যমীন উত্তাল, রক্তে লালে লাল
কারবালা ময়দান ॥
জিন্দিক্ব ইয়াযীদ, বাতিল সৈনিক,
জনম জনম ধিক, জানাতে নির্ভিক
উম্মাহর মু’মিনপ্রাণ ॥
ইমামে আবেদীন, গাজীয়ে সাইয়্যিদীন,
নববী ধারাতে, মামদূহজী আসীন
উড়াতে হক্ব নিশান ॥
দশই মহররম, জনম জনম,
আসবে যখন, করে তার স্মরণ
আরশ কম্পমান ॥
তথ্যসূত্র:█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ © দৈনিক আল ইহসান | দৈনিক আল ইহসান.
Recent Comments