সমগ্র সৃষ্টির রসূল পাক উনার গবেষণার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা একাডেমী নেই কেন?


৯৭ শতাংশ মুসলমানের দেশে ২ শতাংশের কম হিন্দুর জন্য তাদের নামে বিশ্ববিদ্যালয়- একাডেমী হবে অথচ সমগ্র সৃষ্টির রসূল পাক উনার গবেষণার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা একাডেমী নেই কেন?
-মুহম্মদ সালাহুদ্দীন আইয়ুবী, ঢাকা।

বড়ই কায়দা করে সংশোধন করা হল সংবিধান! উঠিয়ে দেয়া হল রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। কোন অজুহাতে? নাটোরের সরকারি রাণী ভবানী কলেজের বোরকার ঘটনার নাটক মঞ্চস্থ করে। এসব পূর্বপরিকল্পিত সাজানো নাটকের মঞ্চায়ন মাত্র। দেব নারায়ণ ওরফে নরপশুর কুরবানীর বিরুদ্ধে রিট; উদ্দেশ্য কুরবানী বন্ধ করা। হোঁচট খেয়ে শুরু হল অ্যানথ্রাক্স- উদ্দেশ্য কুরবানীর ক্ষেত্রে ভীতি সৃষ্টি করা। গরু-ছাগল সঙ্কট তৈরি করা, মুসলমানদের কুরবানী বন্ধ করা, সেটাও হালে পানি পায়নি। এরপর শুরু হল- পশ্চিমা কাট্টা কাফির ফ্রান্স, ইতালি, ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডের মত বাংলাদেশে বোরকা বিরোধী ষড়যন্ত্র। আপাত বিদেশী গুরুদের খুশি করতে সরকার বোরকার বিরুদ্ধে ইসলাম বিরোধী রায় দিয়ে ইতোমধ্যেই প্রভুদের ঘুরিয়ে দেয়া পুরস্কার লাভে সমর্থ হয়েছে। এরপর র’ আর ভারত মাতাকে খুশি করতে আবারো নতুন আয়োজন। কাট্টা মুসলিম বিদ্বেষী, কাট্টা কাফির মালউন, কথিত বিশ্বকবির নামে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা এবং জন্মদিন জাঁকজমকের সাথে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এসব কাদের স্বার্থে? প্রায় ৯৭ শতাংশ মুসলমানের দেশে, মুসলমানদের নবী এবং রসূল উনার উপর গবেষণা এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, কোনো গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করা হবে এমন ঘোষণা উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ-এর দিনে দেয়া হয়নি কেন? সরকারি উদ্যোগে দেশব্যাপী উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস পালনের জন্য সরকারি মঞ্জুরির ঘোষণা দেয়া হলো না কেন? তবে কী সরকার ভিতরে ভিতরে হিন্দু হয়ে গেলো? নাকি এদেশীয় যৎসামান্য হিন্দু ও ভারতমাতাকে খুশি করতেই এ নির্লজ্জ ঘোষণা ও আয়োজন? আবার নাকি যৌথভাবে ভারত-বাংলাদেশ কথিত ওই কবির জন্মদিন পালন করবে?
শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে কখনোই কাট্টা মুসলিম বিদ্বেষী যবন, অস্পৃশ্য, ম্লেচ্ছ কবির নামে যেন কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা না হয়।
কথা হল ৯৭ শতাংশ মুসলমানের দাবি, সরকার মুসলমান হয়ে থাকলে আসন্ন পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফই যেন সরকারি উদ্যোগে, সরকারি অর্থায়নে দেশব্যাপী ব্যাপক আয়োজনে পালন করা হয় এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে উচ্চতর শিক্ষা লাভ ও গবেষণার জন্য যেন বিশ্বমানের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ও গবেষণাগার নির্মাণ করা হয়।
Read more ...

তিন জায়গায় ও দুই সময়ে দুনিয়াবী আলাপ-আলোচনা করলে চল্লিশ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়


তিন জায়গায় ও দুই সময়ে দুনিয়াবী আলাপ-আলোচনা করলে চল্লিশ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়
-মাওলানা মুহম্মদ হাবীবুর রহমান, রাজশাহী।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ ফরমান, “আর এ যে মসজিদসমূহ আল্লাহ পাক উনারই জন্য। সুতরাং আল্লাহ পাক উনার সাথে তোমরা অন্য কাউকে ডেকো না।” (সূরা জ্বিন : আয়াত শরীফ ৭২)
এ আয়াত শরীফ-এর তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন স্থান ও দুই সময়ে দুনিয়াবী আলাপ-আলোচনা করলে চল্লিশ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়। যথা- ১. মসজিদে ২. কবরস্থানে ৩. হক্কানী-রব্বানী আলিমগণের মজলিসে।
দুই সময়: ১. কুরআন শরীফ তিলাওয়াতের সময় এবং ২. আযানের সময়ে। (আত্ তাফসীরাতুল আহমাদিইয়্যিহ: পৃষ্ঠা ৪৮৯)
আর এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, উপরোক্ত তিন জায়গা ও দুই সময়ে বেশির ভাগ মানুষ দুনিয়াবী আলাপ আলোচনায় মশগুল থাকে। এভাবে চোখের পলকে তারা চল্লিশ বছরের কৃত ইবাদত হতে বঞ্চিত হয়।
অতএব, মসজিদ, কবরস্থান ও আলিমের মজলিস এ তিনি স্থান এবং কুরআন শরীফ তিলাওয়াত ও আযানের সময়- এই দুই সময় দুনিয়াবী আলাপ-আলোচনা হতে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। আমীন!
Read more ...

Bangla Font Problem




a. add bangla unicode language files (required)

necessary changes to your system files

in windows xp (all versions)

1. add unicode language support to your system:
  1. download and run icomplex 2.0.0 provided by omicronlab.
  2. click install complex scripts.




complex script 3
After a restart we hope, you will have no more problems with Bengali fonts.
2. Add bangla fonts to your system:
1. For Windows XP or earlier version Download the font
2. Copy and paste it to your system’s “Fonts” directory. You can find this directory by two simple ways:
run
Start > Run > type “fonts” and click OK
control pannel fonts
Start > Control Panel > Fonts
b. browser configuration (optional)

adjust language settings in firefox, internet explorer and opera

note: this section is optional if you want to skip browser’s ability to detect bangla in websites and apply a default bangla font.
in this part you will be properly setup your browser: firefox, internet explorer or opera, for proper bangla support.
bangla setup on firefox version 1.5
  1. from menu click on tools and select options
  2. from this window click on contents
  3. click on advanced button for fonts & colors
  4. click on the drop down list for option fonts for. select bengali from this list
  5. complete all the option fields as show in the following image and then click on ok.


click ok again to complete your setup.
this completes your setup for firefox.
bangla setup on internet explorer:
  1. from menu click on tools and select internet options
  2. from this window click on fonts
  3. click on the drop down list for language scripts
  4. select bengali from this drop down list (you may have to scroll up to locate it)
  5. select likhan for web page font. then click ok and ok again.
this completes your setup for internet explorer.
bangla setup on opera version 9.10
  1. from menu click on tools and select preferences
  2. click on advanced tab, fonts from left menu and click international fonts
  3. choose writing system ‘bengali’ from drop-down list
  4. select likhan for normal font. click ok until you exit from preferences
this completes your setup for opera.

If you are using Windows Vista or later version, the contents of this site are compatible with the system fonts you already have in you computer.
For Windows XP or earlier version you have to install a Unicode font which supports Bengali. It’s a matter of few seconds to install the font by following the given instructions.
For Mac version Download the font and configure it according to Mac OS. █║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌ Bangla Font Problem | banglafontproblem.blogspot.com
Read more ...

Sunnaty Alok Chitro



  • Jihad(war) space, Uhud Pahar(Mountain), Masque, Sunnaty thing etc...




  • Mubarak Objects which was used by the Prophet Noore Muzassam Habibullah Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihe'Wasallam.



  • Sunnaty thing (Dress, Sandle, Bed, Pillow etc...)


  • If you want to collect Sunnaty- Korta (Dress), Tupi (Cap), Nalaeyn (Sandle), Khaat/Choki(Bed), Plate etc, these are availabe on Rajabag Shareef. Address:-
    5, Outer Circular Road, Rajarbag,
    Dhaka 1217, Bangladesh.
    www.al-ihsan.net
    Read more ...

    আমার সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ তারকা সাদৃশ্য, তাঁদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হবে।


    "আমার সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ তারকা সাদৃশ্য, তাঁদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হবে।"
    (এখানে তারকা সাদৃশ্য দ্বারা সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ যে আমাদের জন্য অনুসরণীয় অনুকরণীয় সেটাই বুঝানো হয়েছে)

    এটা জাল হাদীস না। কারণ এর স্বপক্ষে কুরআন শরীফ-এ দলীল আছে।

    সূরা তওবাতে আছে, আল্লাহ্‌ পাক হযরত সাহাবা-ই-কিরামগণের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহ্‌ পাকের প্রতি সন্তুষ্ট।

    আরও আছে, আল্লাহ্‌ পাক ঐসকল বান্দাগণের প্রতিও সন্তুষ্ট যারা হযরত সাহাবা-ই-কিরামগণকে উত্তমরূপে অনুসরণ করেন।

    তার মানে বুঝা গেলো, উনারা অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় অর্থাৎ তারকা সাদৃশ্য।

    আর যেহেতু এই হাদীস শরীফ-এর স্বপক্ষে কুরআন শরীফ-এ দলীল আছে সুতরাং এটা অবশ্যই সঠিক হাদীস। এ হাদীস শরীফ হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকেও বর্ণিত আছে।



    তাছাড়া,

    যাদের উপর আল্লাহ্‌ পাক সন্তুষ্ট এবং তাঁদেরকে যারা অনুসরণ অনুকরণ করবে তাদের উপরও আল্লাহ্‌ পাক সন্তুষ্ট হবেন, তারা কিভাবে জাল হাদীস বর্ণনা করতে পারেন? অথবা তাদের বর্ণিত হাদীস কিভাবে জাল হতে পারে?


    "আলোচনার উর্ধে্ব সাহাবারা নয়
    বলে তারাই যাদের হৃদয় বাঁকা,
    উম্মতের তরে রাসুল বলেন
    সাহাবারা আকাশের তারকা।"
    Read more ...

    বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার এবং পর্দা পালন করা প্রত্যেক মহিলাদের জন্য ফরয। যা সম্মান ও ব্যক্তিত্বের প্রতীকও।


    মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে মহিলারা! তোমরা (পর্দার সাথে) নিজ ঘরে অবস্থান কর, জাহিলিয়াত যুগের মহিলাদের মত বেপর্দা হয়ে ঘুরে বেড়াবে না। বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার এবং পর্দা পালন করা প্রত্যেক মহিলাদের জন্য ফরয। যা সম্মান ও ব্যক্তিত্বের প্রতীকও। বোরকা তথা পর্দার সমালোচনা করা ও পর্দা করতে বাধ্য করা যাবে না বলা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র মনোনীত দ্বীন ‘ইসলাম’-এর সমালোচনা করার শামিল। অতএব, প্রত্যেক পর্দা বিদ্বেষীদের উচিত তাদের পর্দা বিরোধী বক্তব্য প্রত্যাহার করে মুসলমানদের কাছে ক্ষমা চাওয়া। অন্যথায় তাদেরকে কঠিন আযাব গযবের সম্মুখীন হতে হবে।
    যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার অর্থাৎ ফরয। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের বানানো বা মনগড়া কোন আমল নয় বরং তা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয আমল। কেননা কুরআন শরীফ-এ “সূরা নিসা, সূরা নূর ও সূরা আহযাব” সূরাসমূহে পর্দা করার ব্যাপারে কঠোর আদেশ-নির্দেশ করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা নূর-এর ৩০, ৩১ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “(হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি মু’মিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত-আবরু হিফাযত করে। এটা তাদের জন্য পবিত্রতার কারণ। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি তারা যা করে তার খবর রাখেন। আর আপনি মু’মিনাদেরকে বলুন, তারাও যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত-আবরু হিফাযত করে ও তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে।” মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী, আবু দাউদ, দারিমী, মিশকাত শরীফ-এর বরাত দিয়ে বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! দৃষ্টিকে অনুসরণ করবেন না। প্রথম দৃষ্টি (যা অনিচ্ছা সত্ত্বে পতিত হয় তা) ক্ষমা করা হবে; কিন' পরবর্তী দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে না।” অর্থাৎ প্রতি দৃষ্টিতে একটি কবীরা গুনাহ লেখা হয়ে থাকে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বাইহাক্বী ও মিশকাত শরীফ-এর বরাত দিয়ে বলেন, হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, “যে দেখে এবং দেখায় উভয়ের প্রতি আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার কালাম পাক এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীছ শরীফ দ্বারা সরাসরি পর্দাকে ফরয করে দিয়েছেন। অতএব প্রত্যেক মুসলমান মহিলাদের জন্য ফরয হচ্ছে- কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ অনুযায়ী খাছ শরয়ী পর্দা পালন করে আর যারা পর্দা করেনা তাদের পর্দা পালন করায়ে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলের কোশেশ করা। যা তাদের ইহকাল ও পরকালে কামিয়াবীর কারণ। কাজেই যারা বলে পর্দা করতে বাধ্য করা যাবেনা তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ইসলাম বিরোধী বক্তব্য। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা বাক্বারা’-এর ১০৯ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “ইহুদী-নাছারা তথা আহলে কিতাবদের মধ্যে অনেকেই প্রতিহিংসাবশত চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদেরকে কোন রকমে কাফির বানিয়ে দিতে।” মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বিধর্মীরা যেহেতু ইসলাম ও মুসলমানদের চরম শত্রু তাই তারা হিংসার বশবর্তী হয়েই বোরকা তথা পর্দার সমালোচনা করছে বা পর্দার বিরোধিতা করছে এবং পর্দা করতে বাধ্য করা যাবে না এটাও বলেছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদেরকে বেপর্দা করে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উভয়ের রেযামন্দি বা সন'ষ্টি থেকে মাহরুম করে দাইয়্যুছ বানিয়ে লা’নতগ্রস্ত করে জাহান্নামী করে দেয়া। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, কিন' প্রশ্ন হচ্ছে- মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয আমল বোরকা বা পর্দা সম্পর্কে ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার মত দুঃসাহস কাফির মুশরিক, ইহুদী, নাছারা তথা বিধর্মীরা পেল কোথায়? মূলত মুসলমানদের ঈমানী ও আমলী দুর্বলতার কারণেই তারা আজ একের পর এক ইসলাম বিদ্বেষী কথা বলার সাহস পাচ্ছে। মুসলমানরা যদি কফিরদের পূবের্র ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্যগুলোর শক্ত প্রতিবাদ জানাতো, তবে তারা পরবর্তীতে আর কখনো এরূপ দুঃসাহস দেখাতে পারতো না। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মূল কথা হলো- বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার অর্থাৎ ফরয আমল। যা মহিলাদের সম্মান ও ব্যক্তিত্বের প্রতীক। বিধর্মী তথা বেদ্বীনগুলো বোরকা তথা পর্দার সমালোচনা করে একমাত্র মনোনীত দ্বীন ‘ইসলাম’-এর সমালোচনা করেছে, করছে। তাই বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল মুসলিম সরকারসহ পৃথিবীর প্রায় ৩০০ কোটি মুসলমানের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে সমস্ত পর্দা বিদ্বেষীদের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করা। আর সমস্ত পর্দা বিদ্বেষীদের উচিত তারা যেন তাদের ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য প্রত্যাহার করে মুসলমানদের কাছে ক্ষমা চায়। অন্যথায় তাদেরকে সীমাহীন কঠিন আযাব গযবের সম্মুখীন হতে হবে।
    Read more ...