by Admin
|
posted: Friday, October 22, 2010
|
a. add bangla unicode language files (required)
necessary changes to your system files
1. add unicode language support to your system:
- download and run icomplex 2.0.0 provided by omicronlab.
- click install complex scripts.

After a restart we hope, you will have no more problems with Bengali fonts.
2. Add bangla fonts to your system:
1. For Windows XP or earlier version
Download the font
2. Copy and paste it to your system’s “Fonts” directory. You can find this directory by two simple ways:

Start > Run > type “fonts” and click OK

Start > Control Panel > Fonts
b. browser configuration (optional)
adjust language settings in firefox, internet explorer and opera
note: this section is optional if you want to skip browser’s ability to detect bangla in websites and apply a default bangla font.
in this part you will be properly setup your browser: firefox, internet explorer or opera, for proper bangla support.
bangla setup on firefox version 1.5
- from menu click on tools and select options
- from this window click on contents
- click on advanced button for fonts & colors
- click on the drop down list for option fonts for. select bengali from this list
- complete all the option fields as show in the following image and then click on ok.
click ok again to complete your setup.
this completes your setup for firefox.
bangla setup on internet explorer:
- from menu click on tools and select internet options
- from this window click on fonts
- click on the drop down list for language scripts
- select bengali from this drop down list (you may have to scroll up to locate it)
- select likhan for web page font. then click ok and ok again.
this completes your setup for internet explorer.
bangla setup on opera version 9.10
- from menu click on tools and select preferences
- click on advanced tab, fonts from left menu and click international fonts
- choose writing system ‘bengali’ from drop-down list
- select likhan for normal font. click ok until you exit from preferences
this completes your setup for opera.
If you are using Windows Vista or later version, the contents of this site are compatible with the system fonts you already have in you computer.
For Windows XP or earlier version you have to install a Unicode font which supports Bengali. It’s a matter of few seconds to install the font by following the given instructions.
For Mac version
Download the font and configure it according to Mac OS.
█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌
Bangla Font Problem | banglafontproblem.blogspot.com
by Admin
|
posted: Sunday, September 26, 2010
|
Jihad(war) space, Uhud Pahar(Mountain), Masque, Sunnaty thing etc...
Mubarak Objects which was used by the Prophet Noore Muzassam Habibullah Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihe'Wasallam.
Sunnaty thing (Dress, Sandle, Bed, Pillow etc...)If you want to collect Sunnaty- Korta (Dress), Tupi (Cap), Nalaeyn (Sandle), Khaat/Choki(Bed), Plate etc, these are availabe on Rajabag Shareef. Address:-
5, Outer Circular Road, Rajarbag,
Dhaka 1217, Bangladesh.
www.al-ihsan.net
by Admin
|
posted: Sunday, August 15, 2010
|
"আমার সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ তারকা সাদৃশ্য, তাঁদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হবে।"
(এখানে তারকা সাদৃশ্য দ্বারা সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ যে আমাদের জন্য অনুসরণীয় অনুকরণীয় সেটাই বুঝানো হয়েছে)
এটা জাল হাদীস না। কারণ এর স্বপক্ষে কুরআন শরীফ-এ দলীল আছে।
সূরা তওবাতে আছে, আল্লাহ্ পাক হযরত সাহাবা-ই-কিরামগণের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহ্ পাকের প্রতি সন্তুষ্ট।
আরও আছে, আল্লাহ্ পাক ঐসকল বান্দাগণের প্রতিও সন্তুষ্ট যারা হযরত সাহাবা-ই-কিরামগণকে উত্তমরূপে অনুসরণ করেন।
তার মানে বুঝা গেলো, উনারা অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় অর্থাৎ তারকা সাদৃশ্য।
আর যেহেতু এই হাদীস শরীফ-এর স্বপক্ষে কুরআন শরীফ-এ দলীল আছে সুতরাং এটা অবশ্যই সঠিক হাদীস। এ হাদীস শরীফ হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকেও বর্ণিত আছে।
তাছাড়া,
যাদের উপর আল্লাহ্ পাক সন্তুষ্ট এবং তাঁদেরকে যারা অনুসরণ অনুকরণ করবে তাদের উপরও আল্লাহ্ পাক সন্তুষ্ট হবেন, তারা কিভাবে জাল হাদীস বর্ণনা করতে পারেন? অথবা তাদের বর্ণিত হাদীস কিভাবে জাল হতে পারে?
"আলোচনার উর্ধে্ব সাহাবারা নয়
বলে তারাই যাদের হৃদয় বাঁকা,
উম্মতের তরে রাসুল বলেন
সাহাবারা আকাশের তারকা।"
by Admin
|
posted: Wednesday, July 28, 2010
|
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে মহিলারা! তোমরা (পর্দার সাথে) নিজ ঘরে অবস্থান কর, জাহিলিয়াত যুগের মহিলাদের মত বেপর্দা হয়ে ঘুরে বেড়াবে না। বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার এবং পর্দা পালন করা প্রত্যেক মহিলাদের জন্য ফরয। যা সম্মান ও ব্যক্তিত্বের প্রতীকও। বোরকা তথা পর্দার সমালোচনা করা ও পর্দা করতে বাধ্য করা যাবে না বলা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র মনোনীত দ্বীন ‘ইসলাম’-এর সমালোচনা করার শামিল। অতএব, প্রত্যেক পর্দা বিদ্বেষীদের উচিত তাদের পর্দা বিরোধী বক্তব্য প্রত্যাহার করে মুসলমানদের কাছে ক্ষমা চাওয়া। অন্যথায় তাদেরকে কঠিন আযাব গযবের সম্মুখীন হতে হবে।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার অর্থাৎ ফরয। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের বানানো বা মনগড়া কোন আমল নয় বরং তা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয আমল। কেননা কুরআন শরীফ-এ “সূরা নিসা, সূরা নূর ও সূরা আহযাব” সূরাসমূহে পর্দা করার ব্যাপারে কঠোর আদেশ-নির্দেশ করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা নূর-এর ৩০, ৩১ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “(হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি মু’মিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত-আবরু হিফাযত করে। এটা তাদের জন্য পবিত্রতার কারণ। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি তারা যা করে তার খবর রাখেন। আর আপনি মু’মিনাদেরকে বলুন, তারাও যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত-আবরু হিফাযত করে ও তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে।” মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী, আবু দাউদ, দারিমী, মিশকাত শরীফ-এর বরাত দিয়ে বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! দৃষ্টিকে অনুসরণ করবেন না। প্রথম দৃষ্টি (যা অনিচ্ছা সত্ত্বে পতিত হয় তা) ক্ষমা করা হবে; কিন' পরবর্তী দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে না।” অর্থাৎ প্রতি দৃষ্টিতে একটি কবীরা গুনাহ লেখা হয়ে থাকে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বাইহাক্বী ও মিশকাত শরীফ-এর বরাত দিয়ে বলেন, হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, “যে দেখে এবং দেখায় উভয়ের প্রতি আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার কালাম পাক এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীছ শরীফ দ্বারা সরাসরি পর্দাকে ফরয করে দিয়েছেন। অতএব প্রত্যেক মুসলমান মহিলাদের জন্য ফরয হচ্ছে- কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ অনুযায়ী খাছ শরয়ী পর্দা পালন করে আর যারা পর্দা করেনা তাদের পর্দা পালন করায়ে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলের কোশেশ করা। যা তাদের ইহকাল ও পরকালে কামিয়াবীর কারণ। কাজেই যারা বলে পর্দা করতে বাধ্য করা যাবেনা তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ইসলাম বিরোধী বক্তব্য। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা বাক্বারা’-এর ১০৯ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “ইহুদী-নাছারা তথা আহলে কিতাবদের মধ্যে অনেকেই প্রতিহিংসাবশত চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদেরকে কোন রকমে কাফির বানিয়ে দিতে।” মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বিধর্মীরা যেহেতু ইসলাম ও মুসলমানদের চরম শত্রু তাই তারা হিংসার বশবর্তী হয়েই বোরকা তথা পর্দার সমালোচনা করছে বা পর্দার বিরোধিতা করছে এবং পর্দা করতে বাধ্য করা যাবে না এটাও বলেছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদেরকে বেপর্দা করে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উভয়ের রেযামন্দি বা সন'ষ্টি থেকে মাহরুম করে দাইয়্যুছ বানিয়ে লা’নতগ্রস্ত করে জাহান্নামী করে দেয়া। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, কিন' প্রশ্ন হচ্ছে- মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয আমল বোরকা বা পর্দা সম্পর্কে ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার মত দুঃসাহস কাফির মুশরিক, ইহুদী, নাছারা তথা বিধর্মীরা পেল কোথায়? মূলত মুসলমানদের ঈমানী ও আমলী দুর্বলতার কারণেই তারা আজ একের পর এক ইসলাম বিদ্বেষী কথা বলার সাহস পাচ্ছে। মুসলমানরা যদি কফিরদের পূবের্র ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্যগুলোর শক্ত প্রতিবাদ জানাতো, তবে তারা পরবর্তীতে আর কখনো এরূপ দুঃসাহস দেখাতে পারতো না। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মূল কথা হলো- বোরকা তথা পর্দা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার অর্থাৎ ফরয আমল। যা মহিলাদের সম্মান ও ব্যক্তিত্বের প্রতীক। বিধর্মী তথা বেদ্বীনগুলো বোরকা তথা পর্দার সমালোচনা করে একমাত্র মনোনীত দ্বীন ‘ইসলাম’-এর সমালোচনা করেছে, করছে। তাই বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল মুসলিম সরকারসহ পৃথিবীর প্রায় ৩০০ কোটি মুসলমানের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে সমস্ত পর্দা বিদ্বেষীদের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করা। আর সমস্ত পর্দা বিদ্বেষীদের উচিত তারা যেন তাদের ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য প্রত্যাহার করে মুসলমানদের কাছে ক্ষমা চায়। অন্যথায় তাদেরকে সীমাহীন কঠিন আযাব গযবের সম্মুখীন হতে হবে।
by Admin
|
posted: Sunday, June 06, 2010
|
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন- সর্বপ্রকার খেলাধুলা হারাম। তাই ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ ফুটবলসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। এছাড়া মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করে কুফরীতে নিমজ্জিত করার ক্ষেত্রে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রবর্তিত বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা এক ধরনের কূটকৌশল তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- বিশ্বকাপ ফুটবলসহ সকল প্রকার খেলাধুলা থেকে বিরত থাকা।
- মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী -
- Mujaddidu A'zam Hazrat Murshid Qibla Mudda Zilluhul 'Aalee -
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, শরীয়ত সর্বপ্রকার খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করেছে। যেমন কুরআন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।” (সূরা আম্বিয়া-১৬)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “সমস্ত খেলাধুলা হারাম।” (মুস্তাদরেকে হাকিম)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ ফুটবলসহ ক্রিকেট, অলিম্পিক ইত্যাদি সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। কারণ তা বিধর্মী কর্তৃক প্রবর্তিত। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাস দ্বারাই তা সুস্পষ্ট প্রমাণিত। যেমন ইতিহাসে উল্লেখ আছে- বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য ২টি ট্রফি নির্মিত হয়, জুলেরিমে ও ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি। বর্তমান বিশ্বকাপ ট্রফির নাম ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, জুলেরিমে ট্রফি নামকরণ করা হয় ফিফা’র কথিত স্বপ্নদ্রষ্টা জুলেরিমের নামানুসারে। এর নির্মাণ শৈলী ভাস্কর্যের প্রতীক মাথার উপর দু’হাত উচিয়ে বিজয় গৌরবে উল্লসিত বিজয়ের দেবী এক পরী। ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপ থেকে শুরু হয়। এই কাপের ডিজাইনার হচ্ছে ইতালির ভাস্কর শিল্পী সিলভিও গাজ্জানিগা। ১৮ ক্যারেটের ৪.৯৭ কেজি ওজনের স্বর্ণের কাপটি ৩৬ সে.মি. লম্বা, যাতে দু’জন অ্যথেলেট পিঠাপিঠি করে ধরে আছে তাদের উপর গোটা বিশ্বকে। অর্থাৎ বিশ্বকাপ উচ্চারণ হচ্ছে ‘দু’টো মূর্তির হাতের উপর বিশ্ব’- এরকম ধারণাকে আওড়ানো যা কিনা মূর্তি সংস্কৃতিকে স্বীকৃতি দেয়ার নামান্তর। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়। টেলিভিশনে ১৯৫৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ দেখানো হয়। ১৯৩০ থেকে নিয়ে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ১৮টি বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা হয়েছে। এবার হলো ১৯তম পর্ব।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ফুটবলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস থেকে সুস্পষ্ট ও অকাট্যভাবেই প্রমাণিত হয় যে, ফুটবল বা এ জাতীয় সকল খেলাধুলার উদ্ভাবক হচ্ছে বিধর্মীরা। অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত সমস্ত খেলাধুলাই বিধর্মীদের প্রবর্তিত নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা। যদি তাই হয়ে থাকে, তবে মুসলমানদের জন্য তা অনুসরণ ও সমর্থন করা কি করে জায়িয হতে পারে?
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করে কুফরীতে নিমজ্জিত করার ক্ষেত্রে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রবর্তিত কথিত বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা এক ধরনের কূটকৌশল। তাদের এ কূটকৌশলের মধুমাখা শ্লোগান হলো ‘বিশ্বায়ন।’ এ বিশ্বায়নের নামে তারা কথিত বিশ্বকাপ ফুটবল, ক্রিকেট, অলিম্পিক ইত্যাদি হুজুগ দ্বারা মুসলমানদের হারাম আনন্দে ভুলিয়ে তাদের ঈমান-আমল ধ্বংস করে দিচ্ছে। মূলত যারা ইহুদী-খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী ও মুশরিক তারা সদাসর্বদা চেষ্টা করে থাকে, মুসলমানদেরকে কি করে ঈমান-আমল নষ্ট করে কাফিরে পরিণত করা যায়। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “ইহুদী-নাছারা তথা আহলে কিতাবদের মধ্যে অনেকেই প্রতিহিংসাবশত চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদের যে কোন রকমে কাফিরে পরিণত করতে।” (সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ১০৯)
আরো ইরশাদ হয়েছে, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদীদেরকে। অতঃপর যারা মুশরিক তাদেরকে।” (সূরা মায়িদা : আয়াত শরীফ ৮২)
তাই তারা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে থাকে, মুসলমানদেরকে ঈমানহারা করার জন্য। যেমন একদিকে খেলার সাথে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে চেষ্টা করছে, অপরদিকে টেলিভিশনে খেলা ও হাজারো অশ্লীলতা দেখিয়ে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি নষ্ট করছে তথা চরম পাপাচারে মত্ত করছে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ইসলাম বহির্ভূত বিজাতীয় তর্জ-তরীক্বা, নিয়মনীতি গ্রহণ করা কোন মুসলমানের জন্য জায়িয নেই বরং তা গ্রহণ করা কাট্টা কুফরী। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দ্বীন (নিয়মনীতি, অন্য ধর্ম) তালাশ করে, তা কখনোই তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা আলে ইমরান : আয়াত শরীফ ৮৫)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, কোন আমলের ক্ষেত্রেই বিধর্মী ও বিজাতীয় কোন পন্তুা অনুসরণ করা যাবে না বা তাদের থেকে কোন নিয়মনীতি গ্রহণ করা যাবে না। শুধুমাত্র দ্বীন ইসলামের দলীল- কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস অনুযায়ী আমল করতে হবে। কেননা, বিধর্মীরা মূলতঃ মুসলমানদের ঈমান-আমল বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে নিত্য নতুন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যার একটি হলো, কথিত বিশ্বকাপ ফুটবল বা খেলাধুলা। যা মূলত বিধর্মীদেরই আবিষ্কার বা তাদের উদ্ভাবিত নিয়ম-নীতি।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। তবে টিভিতে খেলা দেখা বা অন্যান্য অনুষ্ঠান দেখা আরো কঠিন ও অধিক গুনাহর কারণ। কেননা, শরীয়তের দৃষ্টিতে টিভি তথা ছবি দেখা, রাখা ইত্যাদি সবই হারাম। খেলা সম্পর্কিত কোন দেশকে, দলকে বা ব্যক্তিকে সমর্থন করা, প্রশংসা করা, পতাকা উড়ানো, দেশের, দলের, ব্যক্তির জয় কামনা করে দোয়া করা, রোযা রাখা, দেশের, দলের, ব্যক্তির জয়ে খুশি প্রকাশ করা, হাতে তালি দেয়া, রং ছিটানো ও শুকরিয়া আদায় করা সম্পূর্ণ হারাম ও কুফরী। কারণ আক্বাইদের কিতাবে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, ‘হারামকে হালাল বা জায়িয বলা কুফরী।’ আর যে কুফরী করে সে মুরতাদ হয়ে যায়।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ইহুদী-খ্রিস্টানরা মুসলমানদের আমল নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ধর্মব্যবসায়ী বা উলামায়ে ‘ছূ’দেরকে ব্যবহার করছে। তাই তাদের সবার ষড়যন্ত্র ও ধোঁকা থেকে প্রত্যেক মুসলমানদের ঈমান আমল হিফাযত করা ফরয-ওয়াজিব।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ইসলামের দৃষ্টিতে কথিত বিশ্বকাপ ফুটবলসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। এছাড়া মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করে কুফরীতে নিমজ্জিত করার ক্ষেত্রে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রবর্তিত বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা এক ধরনের কূটকৌশল তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- কথিত বিশ্বকাপ ফুটবলসহ সকল প্রকার খেলাধুলা থেকে বিরত থাকা।
by Admin
|
posted: Wednesday, June 02, 2010
|
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার কারণেই ফেসবুক চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে। হ্যাঁ- ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, পরকীয়া, লিভ টুগেদার, পারিবারিক বন্ধন ভঙ্গ, আত্মহত্যার প্রবণতা, মাদকাসক্তি ইত্যাদি ঈমানী ও সামাজিক অবক্ষয়ের পেছনের প্ররোচনাকারী উৎস- ফেসবুকের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া রাষ্ট্রের কর্তব্য। এক ফেসবুক বন্ধ মানেই ডিজিটাল কমিউনিকেশন বন্ধ নয়। বরং ফেসবুক যে অশ্লীলতার জন্যই এত প্রিয় সে কথা ওপেন সিক্রেট। এছাড়া ইসলাম বিদ্বেষীরাও ইসলাম অবমাননার সুযোগ নিচ্ছে সে কথাও কারো অজানা নয়। মাত্র ৯ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী সবাই ফেসবুকের সমর্থনকারী নয়; কথিত ৯ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর সমর্থনে সরকার ক্ষমতায় আসেনি- বরং ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ সমর্থন দিয়েছেন এজন্য যে, ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না’। অতএব, এ বিষয়টি সরকারকে স্মরণ রাখতে হবে।
- মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী -
- Mujaddidu A'zam Hazrat Murshid Qibla Mudda Zilluhul 'Aalee -'Aalee -
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, রাষ্ট্র একটা বির্মূত ধারণা। বাংলাদেশ সংবিধানের ২৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা করবেন। অথচ ইদানীং কথিত ফেসবুকের প্রভাবে বর্তমান সমাজে লিভ টুগেদার, ইভটিজিং, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, মাদকাসক্তি, আত্মহত্যার প্রবণতা ইত্যাদি বেড়েই চলছে। যা সাংবিধানে বর্ণিত, আমাদের ঐতিহ্যগত সংস্কৃতিকে ক্ষতবিক্ষত করছে। সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, পত্র-পত্রিকায় স্বীকৃত রিপোর্ট মোতাবেকই অনেক পরিবারের জন্য ফেসবুক একটি যন্ত্রণা। স্বামী-স্ত্রী, মাতা-পিতা-সন্তান ইত্যাদি সম্পর্কগুলোতে এই ফেসবুকের কারণে ঢুকে যাচ্ছে অবিশ্বাস, ভাঙছে পারিবারিক বন্ধন, বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ। শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতেই একই অবস্থা। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব ম্যাট্রিমনিয়ালস ল’ইয়ারস যুক্তরাষ্ট্রে সম্পৃত্তি এ নিয়ে একটি জরিপ চালিয়েছে। এই অ্যাকাডেমির শতকরা ৮১ ভাগ সদস্য ৫ বছরের কেস স্টাডি করে দেখেছে যে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর কারণে ডিভোর্সের হার বেড়ে গেছে। কারণ, এসবে থেকে গেছে সম্পর্ক ভেঙে দেয়ার মতো অনেক প্রমাণ। তারা জানিয়েছে, ডিভোর্স বিষয়ে তারা সচেয়ে বেশি অভিযোগ পেয়েছে ফেসবুকের বিপক্ষেই। শতকরা ৬৬ জনই প্রাথমিক সোর্স হিসেবে ফেসবুকে ব্যবহার করা অশ্লীল বাক্য বিনিময়কেই সন্দেহ করছেন। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, একথা এখন সর্বজনবিদিত যে, ইন্টারনেটে ব্যবহারকারী অধিকাংশ তরুণ-তরুণী দিনের বেশিরভাব সময় খরচ করে ফেসবুকের অশ্লীল জগতে। ফেসবুক ব্যবহার যে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, তা ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের নীতিমালায় স্বীকার করেছে। ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবহারকারী ছবি আপলোডের মাধ্যমে ছবির স্বত্ব ফেসবুককে দিয়ে দিচ্ছে। ফেসবুক দাবি করে, তাদের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রয়েছে। কিন' এমআইটি (ম্যাসাটুসেটিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) দুজন ছাত্র স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে ৭০ হাজারেরও বেশি ফেসবুক প্রোফাইল তৈরি করে ফেলেছিলো। এ থেকে প্রমাণ হয়, ফেসবুকের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ফেসবুক বলতে গেলো পর্নো ক্রাইমের প্রসূতি। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে বিশাল অর্থও জালিয়াতি হয়। শেয়ারবাজার কারসাজির অভিযোগে গত ৩ মার্চ প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউসের এক কর্মকর্তা গ্রেফতার হয়। তার কর্মকাণ্ডের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক বেছে নিয়েছিলো। ফেসবুকে সে একটি বিশেষ গ্রুপ তৈরি করে। গ্রুপে তিন হাজারের মতো সদস্য রয়েছে। সে এসব সদস্যকে কোন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনতে হবে, কোনটা বিক্রি করতে হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছিলো। বিনিময়ে লাভের ২০ শতাংশ করে পেতো। আবার যখন সদস্যদের শেয়ার বিক্রি করতে বলতো, তখন এক দিনেই সব শেয়ার ছেড়ে দিত। এতে করে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়েছিলো। সে তার অপরাধ স্বীকার করেছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ফেসবুক ব্যবহার করে এক কিশোরীকে প্রতারণা, অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে পিটার চ্যাপম্যান নামের ৩৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গত ৮ মার্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ব্রিটিশ আদালত। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ফেসবুক ব্যবহারকারী তার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ করলেই সেগুলো মুছে যায় না। ফেসবুক ওই ব্যবহারকারীর তথ্যগুলো রেখে দেয়। নতুন প্রাইভেসি সেটিংস কার্যকর করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল ও যাবতীয় তথ্য সবার সামনে উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল, ব্যবহারকারীকে যা পরে নিজ হাতে পরিবর্তন করতে হয়েছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের পক্ষ থেকেও স্বীকার করা হয়েছে যে, স্বামী কিংবা স্ত্রীরা ফেসবুকের মাধ্যমে পরনারী কিংবা পরপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে উৎসাহিত হয়। এগুলো স্পষ্টভাবেই ইসলামী আইনবিরোধী। তাই মুসলিমদের ফেসবুক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানানো হয়েছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ফেসবুক শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে বাধা তৈরি করে এবং এটি ব্রাউজ করা এক ধরনের নেশায় পরিণত হচ্ছে। উল্লেখ্য, ফেসবুক প্রাপ্তবয়স্কদের মেধাকে দুর্বল করে দেয়। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী প্রায় ৮ লাখ ৭৬ হাজার ২০ জন। এর মধ্যে প্রায় ছয় লাখ ৪২ হাজার ৯২০ জন পুরুষ ও দুই লাখ ২২ হাজার ৪৪০ জন নারী ব্যবহারকারী। অর্থাৎ দেশের ১৪ কোটি মুসলমানের মধ্যে ১%-এর কম যে ৮ লক্ষ লোক ফেসবুক বন্ধের বিরোধিতা করেছে তাদেরও ১% এর কম লোকও এ বিরোধিতা বন্ধে তীব্র কোন আন্দোলন করেনি। কিন' মিডিয়া তথা কিছু প্রগতিবাদী এটাকেই ফুলিয়ে-ফাপিয়ে প্রচার করছে। ভাবখানা এই যে, ফেসবুক বন্ধ করে সরকার এখনই গদি হারাচ্ছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মিডিয়া সরকারকে সব সময়ই আরেকটি ভুল তথ্য দিয়ে আসছে যে, দেশের কথিত নতুন প্রজন্মই এ সরকারকে এনেছে। কিন' হিসাবে নতুন প্রজন্মের তুলনায় বিগত প্রজন্মের সংখ্যা অনেক বেশি। আর তারা কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না, এ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই প্রীত হয়ে তাদের ভোটদানের ধারা বদল করেছে। এটাই প্রকৃত সত্য। এটা দিন বদলের সরকারকে বুঝতে হবে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধিদলীয় মন্ত্রীর বিকৃত ছবি প্রকাশের সুযোগ থাকার কারণে ফেসবুক বন্ধ করা হতে পারে; তবে সবারই জানা আছে যে, ‘এভরিবডি ড্র মোহাম্মদ ডে’ নামের একটি ফেসবুক পেজে ২০ মে তারিখের মধ্যে নূরে মুজাসাসম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছবি পোস্ট দিতে বলা হয়েছিলো। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, জ্বলন্ত প্রশ্ন দাঁড়ায় যে, এ ধরনের কুকর্ম যে ফেসবুক করেছে এবং এখনও তাতে করার সুযোগ রয়েছে; সে ফেসবুক অবশ্যই চিরতরে বন্ধ রাখতে হবে। এবং সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের মর্যাদা রক্ষার স্বার্থই তা আবশ্যকীয় ভাবে করতে হবে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ইসলাম কমিনী-নিজামীদের মত রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের কাছে ইজারা দেয়া নয়। ইসলাম এদেশের ১৪ কোটি মুসলমানদের ধর্ম, ১৪ কোটি মুসলমানদের ঈমান। কাজেই জামাতী-কমিনীরাই চাইলে বা বললেই ইসলাম তাদের হয়ে গেলো না। তাদের ধর্মব্যবসায়িক আবেদনের প্রেক্ষিতে নয়; বরং ১৪ কোটি মুসলমানের ঈমান, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সর্বোপরি সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই ফেসবুক বন্ধ রাখতে হবে। একবার বন্ধ করে পুনরায় তা আবার চালু করলে ষড়যন্ত্রকারীরা আরো সুযোগ পাবে এবং আরো বেপরোয়া হবে। সেক্ষেত্রে তার ভার সরকারকেই নিতে হবে।
by Admin
|
posted: Tuesday, June 01, 2010
|
Recent Comments